১৩ বছর পর ‘ফাইন্ডিং ডোরি’

finding-dore

বিনোদন ডেস্ক, ২১ জুন ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম) : বিশ্বজুড়ে জনপ্রিয় এক চরিত্রের নাম ‘ডোরি’।  ২০০৩ সালের ‘ফাইন্ডিং নেমো’র মাধ্যমে রুপালি পর্দায় হাজির হয়েছিল নীল রঙা এই মাছ। দর্শকের মন জয় করার পাশাপাশি অস্কারে সেরা অ্যানিমেটেড সিনেমার পুরস্কারও জিতে নিয়েছিল সিনেমাটি। এরপরই শুরু হয় পরবর্তী সিক্যুয়েলের অপেক্ষা।
দীর্ঘ ১৩ বছরের বিরতি ভেঙে পর্দায় আসছে ‘ফাইন্ডিং ডোরি’। গত ১৭ জুন যুক্তরাষ্ট্রে মুক্তি পেয়েছে সিনেমাটি। ২৪ জুন ঢাকার স্টার সিনেপ্লক্সে মুক্তি পাবে এই সিনেমা।

প্রথম সিনেমা শেষ হওয়ার ছয় মাস পরের ঘটনা দেখানো হয়েছে এই সিনেমাটিতে। অর্থাৎ ১৩ বছরকে গল্পে কমিয়ে আনা হয়েছে ছয় মাসে। এবারো সিনেমাটি পরিচালনা করেছেন অ্যান্ড্রু স্ট্যানটন। তবে এবার তার সঙ্গে ছিলেন আরেক পরিচালক অ্যাঙ্গাস ম্যাকলেন। অ্যান্ড্রুর সঙ্গে যৌথভাবে চিত্রনাট্য রচনা করেছেন ভিক্টোরিয়া স্ট্রাউস ও বব পিটারসন।
এ সিনেমার গল্প গড়ে উঠেছে ক্যালিফোর্নিয়া উপকূলকে ঘিরে। বন্ধুসুলভ কিন্তু মনভোলা নীল মাছটির সঙ্গে তার বন্ধুদের পুনর্মিলন দেখা যাবে এবারের গল্পে। সাধাসিধে মাছের স্মৃতিশক্তি লোপ পায় ১০ সেকেন্ড পরপর। তবে তার এটুকু মনে আছে- শৈশবে কোনো এক কারণে মা-বাবার কাছ থেকে বিচ্ছিন্ন হয়েছে সে। দুই বন্ধু নেমো ও মারলিনের সহায়তায় মা-বাবাকে খুঁজে বের করার দুঃসাহসিক ও রোমাঞ্চকর অভিযানে নামে ডোরি।

সিনেমার গল্পে একসময় তারা হাজির হয়- কাচঘেরা মন্টারি মেরিন লাইফ ইনস্টিটিউটে। এখানে সাগরতলের বিচিত্র সব প্রজাতি সংরক্ষণ করা হয়। ডোরি বুঝে যায়, এই কাচঘেরা জগতেই হয়তো আছে তার মা-বাবা। পরিবারের সঙ্গে তার দেখা হতে পারে যদি সে মা-বাবাকে বন্দিদশা  থেকে মুক্ত করতে পারে। এখানে ডোরির গাইড হিসেবে সহযোগিতার হাত বাড়িয়ে দেয় সাদা বিশালাকার তিমি বেইলি, হাঙ্গর ডেস্টিনি ও অক্টোপাস হ্যাঙ্ক।

ডোরি ছাড়াও প্রথম সিনেমার নেমো, মারলিন, মিস্টার রে, ক্রাশ ও স্কুইয়ার্ট এবারো আছে। ডোরির চরিত্রে কন্ঠ দিয়েছেন এলেন ডিজেনারেস। আগেরটিতে নেমো চরিত্রে কণ্ঠ দিয়েছিলেন আলেক্সান্ডার গুল্ড। এবার নেমো হিসেবে আছেন হেডেন রোলেন্স। এ ছাড়াও কণ্ঠ দিয়েছেন এড ও নেইল, টাই বারেল, কেইটলিন ওলসন, আলবার্ট ব্রুকস, ডায়েন কিটন, ইউজিন লেভি, মাইকেল শিন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here