টঙ্গীবাড়ীতে সোহানা অনেকের জন্য ফ্যাক্টর

এমিলি-লুৎফর-ওযাহিদ

মোহাম্মদ সেলিম, ৬ জুলাই ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম) : টঙ্গীবাড়ীর রাজনীতিতে ভবিষ্যতে এড. সোহানা অনেকের জন্য ফ্যাক্টর হয়ে দাঁড়াতে পারে। এর ফলে সোহানার কারণে প্রভাবশালী অনেক নেতা রাজনীতির তোপের মুখে পড়তে পারে।
সোহানা ভবিষ্যৎ রাজনীতিকে কেন্দ্র করে তৃণমুল পর্যায়ের রাজনীতির মাঠ গোছাতে শুরু করেছেন। তার ধারাবাহিকতায় এবারের ইউপি নির্বাচনে সোহানার পছন্দের অনেকেই টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় চেয়ারম্যান বিজয়ী হয়েছেন। এই বিষয়টি রাজনীতির অংশ হিসেবে কাজ করছে।
টঙ্গীবাড়ী উপজেলাটি হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ ২ আসনের অংশ। এখানকার এমপি হচ্ছেন সাগুফতা ইয়াসমিন এমিলি। এখানকার রাজনীতিতে তিনি একটি অংশের নেতৃত্ব দেন।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার চেয়ারম্যান হচ্ছেন কাজী ওয়াহিদ। তার নেতৃত্বেও এখানকার একাংশের রাজনীতিতে চলে।

জেলা আ’লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান টঙ্গীবাড়ীর রাজনীতিতে নেতৃত্ব দিচ্ছেন। লুৎফর রহমানের বাড়ী মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার শেষ সীমান্তে। জেলা আ’লীগের সভাপতি মো: মহিউদ্দিনের বাড়ী সদরে থাকায় এখানে লুৎফরের কর্তৃত ফলানের কোন সুযোগ নেই। এ কারণে লুৎফরের ঠাঁই হয়েছে পাশের উপজেলা টঙ্গীবাড়ীতে।

জেলা আ’লীগের সভাপতি মো: মহিউদ্দিনের দ্বিতীয় স্ত্রী এড: সোহানার বাবার বাড়ী টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পাঁচগাঁও ইউনিয়নে। এ কারণে টঙ্গীবাড়ীর রাজনীতিতে সোহানার প্রভাব লক্ষ্য করা যাচ্ছে।

টঙ্গীবাড়ীতে বর্তমানে প্রভাবশালী চার নেতার নেতৃত্বে নেতাকর্মীরা ঘুরপাক খাচ্ছে।
মুন্সীগঞ্জ ২ আসনটি টঙ্গীবাড়ী ও লৌহজং উপজেলা নিয়ে গঠিত।

একাদশ সংসদ নির্বাচনে এখান থেকে মনোনয়ন চাইতে পারেন এড. সোহানা। এই রকম খবর শোনা যাচ্ছে তার সমর্থকদের কাছ থেকে। স্বামীর প্রভাবে সোহানা এখাকার মনোনয়ন লড়াইয়ে মাঠে নামার সম্ভাবনা রয়েছে। সেইভাবে এখানে বর্তমানে হোম ওর্য়াক করা হচ্ছে।

যদি দলীয় এমপির মনোনয়ন না পাওয়া যায়, তবে টঙ্গীবাড়ী উপজেলা চেয়ারম্যান পদে দলীয় প্রার্থীর মনোনয়ন লড়াইয়ে সোহানার মাঠে থাকার জোর সম্ভবনা রয়েছে বলে অনেকেই মনে করছেন। এক্ষেত্রে সোহানা কাজী ওয়াহিদের তোপের মুখে পরার সম্ভাবনা রয়েছে।

দশম সংসদ নির্বাচনে কাজী ওয়াহিদ সাগুফতার বিপক্ষে অবস্থান করে ছিলেন। সেই সময় এখানে আ’লীগের বিদ্রোহী প্রার্থী হয়ে ছিলেন এসপি মাহাবুব উদ্দিন।

কাজী ওয়াহিদ সেই সময় বিদ্রোহী প্রার্থীকে সমর্থন করে ছিলেন। পরে প্রধান মন্ত্রীর হস্তক্ষেপে কাজী ওয়াহিদ শেষ সময়ে সেই জায়গা থেকে সড়ে আসেন।

এক্ষেত্রে সেই সময় সাগুফতাকে নির্বাচনে মারাত্মক বেগ পেতে হয়। কাজী ওয়াহিদের বিপক্ষে কেউ শক্তিশালী প্রার্থী হলে এখানকার রাজনীতির চাকা ঘুরে দাঁড়াতে পারে বলে অনেকেই ধারণা করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here