মোহাম্মদ মহিউদ্দিন শিক্ষা ও রাজনৈতিক জীবন

capture-20160825-220910

মোহাম্মদ সেলিম: ২৯ আগস্ট ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম) : মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হচ্ছেন জননেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। অনেকে আবার তাকে এই জেলার লৌহমানব বলে ক্ষেতাব দিয়েছেন। নানাজনে নানানভাবে তাকে বিভিন্নভাবে পরিচয় ঘটিয়ে থাকেন।

তবে তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয় হচ্ছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। এই পরিচয়ে তিনি বিশ্ববাসির কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তার সেই পরিচয়ের অনেক অজানা কথা আমরা এই প্রজন্মের অনেকেই জানি না।

তার সেই অজানা রহস্যেময় জীবনের কথা আমরা পাঠকের কাছে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার প্রয়াসে আমাদের এই ক্ষুদ্ধ আয়োজন।
মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট সোহানা তাহমিনা আমাদের এই জনপ্রিয় নেতাকে নিয়ে “মুন্সিগঞ্জের লৌহমানব-বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন” শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছেন। এটি লেখিকা একটি সাহসী কাজ করেছেন।

নেতার আশ পাশে অনেকেই রয়েছেন। কিন্তু তাকে নিয়ে বইয়ের ভাবনা আসলেই কেউ করে না। সেই দিক থেকে লেখিকাকে সকলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

তবে লেখিকার এই বইয়ের বেশিরভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। সাধারণ পাঠকের কাছে তার বই একেবারেই নেই।

সাধারণ পাঠকের চাহিদা পুরণে মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর উল্লেখ যোগ্য রাজনীতি জীবনের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

বইয়ের বাইরেও তথ্য বহুল প্রতিবেদন আমরা পাঠকের কাছে নিয়মিত উপস্থাপন করার চেষ্ঠা করবো। এই প্রতিবেদনটি মুলত এডভোকেট সোহানা তাহমিনা’র। আজ এর চতুর্থ কিস্তি প্রকাশ করা হল:

মোহাম্মদ মহিউদ্দিন শিক্ষা ও রাজনৈতিক জীবন

আমাদের নেতা মহিউদ্দিন ১৯৬১ সালে মুন্সিগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয় থেকে এস.এস.সি পাশ করেন। পরবর্তীতে হরগঙ্গা কলেজ থেকে এইচ.এস.সি ও ¯œাতক পাশ করেন। হরগঙ্গা কলেজে অধ্যায়নরত অবস্থায় তিনি মুন্সিগঞ্জে ছাত্রলীগ প্রতিষ্ঠা করেন। সেই সময় হরগঙ্গা কলেজ সরকারি রূপ লাভ করেনি। তখন তিনি হরগঙ্গা কলেজ ছাত্র সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন। পর্যায়ক্রমে তিনি কলেজ ছাত্র সংসদের সাধারণ সম্পাদক ও পরবর্তীতে ছাত্র সংসদের ভিপি নির্বাচিত হন।
পরবর্তীতে তিনি ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইতিহাস বিভাগে পড়াশুনা করেন। ঢাকা বিশ্ববিদ্যালয়ের ইকবাল হলে তিনি ছিলেন নেতা। বিশ্ববিদ্যালয়ে পড়াকালীন সময়ে তিনি বাংলাদেশ ছাত্রলীগের কেন্দ্রীয় কমিটিতে অবস্থান নেন। কেন্দ্রীয় কমিটিতে থাকা অবস্থায় তিনি মাজাহারুল হক বাক্কী, ফেরদৌস আহম্মেদ কোরেশী ও তোফায়েল আহমেদ ভাইকে সভাপতি হিসেবে পেয়েছিলেন। ইকবাল হলে থাকার সময় তিনি তিনবার কেন্দ্রীয় ছাত্রলীগের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন এবং হল সংসদের ক্রীড়া সম্পাদক ছিলেন।

(খেলাধুলায় পারদর্শী ছিলেন নেতা-পরবর্তীতে পঞ্চম কিস্তিতে)

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here