সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ বিন মোমেন-জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ও সংবর্ধনা ২১ সেপ্টেম্বর

ana-pic

নিউইয়র্ক থেকে এনা: ১৫ সেপ্টেম্বর  ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডেস্ক) : প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা আগামী ২১ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘের ৭১তম সাধারণ অধিবেশনে সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় ভাষণ দেবেন এবং একই দিন সন্ধ্যায় যুক্তরাষ্ট্র আওয়ামী লীগ কর্তৃক আয়োজিত সংবর্ধনা সভায় ভাষণ দেবেন।সংবাদ সম্মেলনে মাসুদ বিন মোমেন-জাতিসংঘে প্রধানমন্ত্রীর ভাষণ ও সংবর্ধনা ২১ সেপ্টেম্বর

সংবর্ধনা সভাটি অনুষ্ঠিত হবে ম্যানহাটনের গ্যান্ড হায়ত হোটেলের বল রুমে। এছাড়া প্রধানমন্ত্রী ১৮ সেপ্টেম্বর থেকে ২২ সেপ্টেম্বর পর্যন্ত জাতিসংঘের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ অধিবেশে যোগদান করবেন। ২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে আয়োজিতব্য লীডার্স সামিট অন রিফিউজি-এ যোগ দেবেন। এসময় তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান নেয়া ১০ মিলিয়ন শরণার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করে শরণার্থীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কতগুলো সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করবেন গত ১৪ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যায় জাতিসংঘে বাংলাদেশ স্থায়ী মিশন আয়োজিত এক সাংবাদিক সম্মেলনে জাতিসংঘে স্থায়ী প্রতিনিধি মাসুদ বিন মোমেন এ সব তথ্য জানান।

সাংবাদিক সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পাঠ করেন স্থায়ী প্রতিনিধি। এ সময় তার সাথে উপস্থিত ছিলেন ওয়াশিংটনে নিযুক্ত প্রেস মিনিস্টার শামীম আহমেদ।

লিখিত বক্তব্যে মানুদ বিন মোমেন প্রধানমন্ত্রী পুরো কর্মসূচি তুলে ধরে বলেন, আগামী ১৮-২২ সেপ্টেম্বর জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা অংশগ্রহণ করতে কানাডা থেকে নিউইয়র্ক আসছেন।

তিনি নিউইয়র্র্কের লাগোয়াড়িয়া এয়ারপোর্টে অবতরণ করবেন। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে তিনি ৭০ সদস্যবিশিষ্ট বাংলাদেশ সরকারি প্রতিনিধি দলের নেতৃত্ব দেবেন। প্রধানমন্ত্রী শেত হাসিনার সফর সঙ্গী হিসাবে থাকছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী, স্থানীয় সরকার, পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় মন্ত্রী, প্রবাসী কল্যাণ ও বৈদেশিক কর্মসংস্থান মন্ত্রী, শ্রম ও কর্মসংস্থান প্রতিমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীসহ আওয়ামী লীগের অন্যান্য নেতৃবৃন্দ।

এ ছাড়াও প্রধানমন্ত্রীর সফরসঙ্গী হিসাবে আরো থাকছেন এফবিসিসিআই’র সভাপতিসহ প্রায় ১০০ জন ব্যবসায়ী।
তিনি বলেন, একাধিক কারণে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনটি বিশেষ গুরুত্ব বহন করছে। প্রথমতঃ বিশ্বজুড়ে, বিশেষ করে ইউরোপে চলমান দ্বিতীয় বিশ্বযুদ্ধোত্তর কালের সবচেয়ে বড় শরণার্থী সংকট ও অভিবাসন সমস্যা এবং যুদ্ধবিধ্বস্ত দেশগুলো থেকে অন্যান্য দেশে লক্ষ লক্ষ আশ্রয় প্রত্যাশীদের সমস্যা সমাধানের বিষয়গুলো এবারের অধিবেশনে অত্যাধিক গুরুত্ব পাবে।

অধিবেশনের সাধারণ বিতর্ক পর্বের আগে ১৯ সেপ্টেম্বর ২০১৬ তারিখে জাতিসংঘের উদ্যোগে ইউনাইটেড ন্যাশন্স সামিট অন রিফিউজি এন্ড মাইগ্রেন্টর্স এর অয়োজন করা হয়েছে। একে কেন্দ্র করে উচ্চ পর্যায়ের অধিবেশনের পুরোটা সময় জুড়েই অসংখ্য নীতি নির্ধারণী বৈঠক অনুষ্ঠিত হবে।

দ্বিতীয়ত ঃ মধ্যপ্রাচ্যে আইএসসহ বিশ্বব্যাপী সহিংস জঙ্গি তৎপরতার উত্থান এবং প্যারিস, ব্রাসেলস, ইস্তাম্বুল, বাগদাদ, মদিনা, জাভা, পুচং এমনকি ঢাকাসহ পৃথিবীর বিভিন্ন স্থানে সাম্প্রতিক সময়ে সংঘটিত সন্ত্রাসী হামলার প্রেক্ষাপটে এ সমস্যার স্থায়ী সমাধানে জাতিসংঘের আওতায় আরও কার্যকর প্রয়াস গ্রহণের বিষয়ে বিশ্ব নেতৃবৃন্দ সচেষ্ট থাকবে।

তৃতীয়তঃ গত বছরের শেষ দিকে প্যারিসে অনুষ্ঠিত জলবায়ু সম্মেলনে জলবায়ু পরিবর্তনের অভিঘাত মোকাবেলার উদ্দেশে দীর্ঘ প্রতীক্ষিত প্যারিস ক্লাইমেট ডিল সর্বসম্মতিক্রমে গৃহীত হয়। আপনারা জানেন যে, অন্যতম শর্ত হিসেবে বিশ্বের ৫৫টি দেশ এই চুক্তিটি অনুসমর্থন করলে তা কার্যকারিতা লাভ করবে। এবারের অধিবেশনকালে বাংলাদেশসহ বেশ কিছু সদস্য রাষ্ট্র এই ঐতিহাসিক চুক্তিটি অনুসমর্থন করবে।

চতুর্থত ঃ একটি সমৃদ্ধ ও শান্তিময় পৃথিবী গড়ার লক্ষ্যে গত বছর জাতিসংঘের নেতেৃত্বে ঐতিহাসিক প্যারিস ক্লাইমেট ডিল ছাড়াও বেশ কিছু যুগান্তকারী উদ্যোগ গৃহীত হয়েছে। এগুলোর মধ্যে রয়েছে উচ্চাভিলাষী ও টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রা সংবলিত ২০৩০ এজেন্ডা ফর সাসটেইনবেল ডেভেলপমেন্ট-এর চূড়ান্ত অনুমোদন, উন্নয়নের জন্য বৈশ্বিক সহযোগিতা পুনরুজ্জীবিত করার লক্ষ্যে এডিস আবাবা এ্যাকশন এজেন্ডা গ্রহণ, বিশ্বব্যাপী দুর্যোগ ঝুঁকি প্রশমনের জন্য সেন্ডি ফ্রেম ওয়ার্ক ফর ডিজাস্টার রিক্স রিডাকশন অনুমোদন এবং মানবিক সহায়তা কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করার প্রয়াসে প্রথমবারের মতো ওয়ার্ল্ড হিউম্যানিটেরিয়ান সামিটের আয়োজন।

জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের এবারের অধিবেশনে উল্লেখযোগ্য এই কর্মপরিকল্পনাসমূহের বাস্তবায়ন পরিস্থিতি ও প্রাথমিক অগ্রগতি বিষয়ে আলোচনা হবে।

তিনি আরো বলেন, জাতিসংঘের সাধারণ পরিষদের ৭১তম অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রী বেশ কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ শীর্ষ পর্যায়ের বৈঠকে সক্রিয়ভাবে অংশ নেবেন। যার মধ্যে রয়েছে।

১৯ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী ইউনাইটেড ন্যাশন্স সামিট অন রিফিউজি এন্ড মাইগ্যান্ট-র প্লেনারি সেশনে বক্তব্য রাখবেন। বাংলাদেশ বর্তমানে অভিবাসন ও উন্নয়ন সম্পর্কিত বৈশ্বিক ফোরাম -এর নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করছে এবং এ বছরের ডিসেম্বরে -এর নবম বৈঠকটি ঢাকায় অনুষ্ঠিত হবে। এই বিষয়টিকে সামনে রেখে প্রধানমন্ত্রী প্লেনারি সেশনের বক্তব্যে অভিবাসন ও উন্নয়ন বিষয়ে বংলাদেশের অগ্রাধিকারসমূহ তুলে ধরবেন এবং শরণার্থী ইস্যুতে বাংলাদেশের অবস্থান সম্পর্কে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়কে অবহিত করবেন। একই সাথে তিনি সাম্প্রতিক সময়ের শরণার্থী সংকট ও অভিবাসন সমস্যার মূল কারণসমূহ চিহ্নিত করে এর স্থায়ী সমাধানে কাজ করে যাওয়ার জন্য বিশ্বনেতৃবৃন্দকে আহবান জানাবেন।

একই সামিটের অংশ হিসেবে ১৯ সেপ্টেম্বর বিকেলে প্রধানমন্ত্রী সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী মি. স্টেফান লফভেন-এর সাথে বিশ্ব শান্তি ও রিফিউজি সংক্রান্ত শীর্ষক একটি গোলটেবিল সেশনে যৌথ-সভাপতিত্ব করবেন। এই সেশনে প্রধানমন্ত্রী সুষ্ঠু, নিরাপদ ও নিয়মিত অভিবাসন নিশ্চিতকরণে তাঁর সরকারের প্রত্যয় ও অঙ্গীকারের কথা পুনর্ব্যক্ত করবেন।

২১ সেপ্টেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৭টায় প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের সাধারণ অধিবেশনে বাংলাদেশের পক্ষে বক্তব্য রাখবেন। প্রতিবারের মত এবারও প্রধানমন্ত্রী বাংলায় বক্তৃতা দেবেন। প্রধানমন্ত্রী তাঁর বক্তৃতায় আন্তর্জাতিক শান্তি ও নিরাপত্তা, গণতন্ত্র ও সুশাসন প্রতিষ্ঠা, নারীর ক্ষমতায়ন, অভিবাসী শ্রমিকের অধিকার আদায়,

দারিদ্র্য দূরীকরণ, জলবায়ু পরিবর্তন মোকাবেলা এবং সন্ত্রাস ও জঙ্গিবাদ দমনে বাংলাদেশের সাফল্যের কথা তুলে ধরবেন। একই সাথে, তিনি ২০৩০ সালের এজেন্ডা বাস্তবায়নে বাংলাদেশের পক্ষ থেকে কিছু সুনির্দিষ্ট বক্তব্য উপস্থাপন করবেন।

‘রূপকল্প ২০২১’-এর আলোকে সপ্তম পঞ্চবার্ষিক পরিকল্পনায় টেকসই উন্নয়ন লক্ষ্যমাত্রাগুলোকে অন্তর্ভুক্ত করে সরকার যে ইতোমধ্যে কার্যক্রম শুরু করেছে, সে বিষয়েও তিনি আলোকপাত করবেন এবং এক্ষেত্রে প্রয়োজনীয় আন্তর্জাতিক সহযোগিতার বিষয়ে বাংলাদেশের প্রত্যাশাগুলো তুলে ধরবেন।

আগামী ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবের উদ্যোগে অনুষ্ঠিতব্য হাই রেভেল প্যানেল অন ওয়াটা এর একটি বিশেষ বৈঠকে এই প্যানেলের একজন মনোনীত সদস্য হিসেবে অংশগ্রহণ করবেন। উল্লেখ্য, গত ২১ এপ্রিল ২০১৬ তারিখে ২০৩০ উন্নয়ন এজেন্ডার পানি সম্পদের প্রাপ্যতা ও ব্যবস্থাপনা এবং সকলের জন্য স্যানিটেশন নিশ্চিতকরণ সম্পর্কিত লক্ষ্যমাত্রা অর্জন ও জলবায়ু পরিবর্তন বিষয়ক ‘প্যারিস চুক্তি’-তে পানি সম্পর্কিত লক্ষ্যগুলো বাস্তবায়নের লক্ষ্যে জাতিসংঘ ও বিশ্বব্যাংকের যৌথ উদ্যোগে এই প্যানেলটি গঠিত হয়।

প্রধানমন্ত্রীর সাথে অস্ট্রেলিয়া, হাঙ্গেরি, নেদারল্যান্ডস, মরিশাস, মেক্সিকো, জর্ডান, দক্ষিণ আফ্রিকা, সেনেগাল ও তাজিকিস্তানের রাষ্ট্রপতি/ প্রধানমন্ত্রী এই প্যানেলে সদস্য হিসেবে অন্তর্ভুক্ত হয়েছেন।

২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী মার্কিন প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামার আমন্ত্রণে আয়োজিতব্য লিডার্স সামিট অন রিফিউজি-এ যোগ দেবেন। এসময় তিনি আমাদের মহান মুক্তিযুদ্ধকালে ভারতে অবস্থান নেয়া ১০ মিলিয়ন শরণার্থীর বিষয়টি উল্লেখ করে শরণার্থীদের অধিকার সুরক্ষার বিষয়ে বাংলাদেশ সরকারের পক্ষ থেকে কতগুলো সুনির্দিষ্ট অঙ্গীকার করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

উভয় সামিটে প্রধানমন্ত্রী বাংলাদেশে অবস্থানরত মিয়ানমার শরণার্থী ও অনিবন্ধিত মিয়ানমার নাগরিক সম্পর্কিত সমস্যাটির একটি স্থায়ী, সুষ্ঠু ও গ্রহণযোগ্য সমাধানের বিষয়টি তুলে ধরবেন।
২০ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী নিউইয়র্কে জাতিসংঘে বাংলাদেশের উদ্যোগে আয়োজিতব্য South-South and Triangular Cooperation in Scaling up Innovation in Public Service Delivery শীর্ষক একটি বিশেষ অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত থাকবেন।

এই বৈঠকে জাতিসংঘ ও বিভিন্ন দেশের শীর্ষ পর্যায়ের নেতৃবৃন্দের যোগ দেয়ার কথা রয়েছে। ২১ সেপ্টেম্বর প্রধানমন্ত্রী সুইডেনের প্রধানমন্ত্রী মি. স্টেফান লফভেন-এর উদ্যোগে আয়োজিতব্য গ্লোবাল ডিলের উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে যোগ দেবেন। এ সময় প্রধানমন্ত্রী টেকসই শিল্পায়ন, শোভন ও যথোচিত কর্ম এবং

অন্তর্ভুক্তিমূলক অর্থনৈতিক উন্নয়নের বিষয়গুলো তুলে ধরে বক্তব্য প্রদান করবেন। সাধারণ পরিষদ অধিবেশনের বাইরে প্রধানমন্ত্রী ১৯ সেপ্টেম্বর যুক্তরাষ্ট্রের চেম্বার অব কমার্স এর একটি প্রতিনিধিদলের সাথে বাংলাদেশে বাণিজ্য ও বিনিয়োগ পরিস্থিতি ও সম্ভাবনা বিষয়ে মত-বিনিময় করবেন। এই বৈঠকে প্রধানমন্ত্রীর সাথে বাংলাদেশ থেকে একটি ব্যবসায়ী প্রতিনিধিদল যোগ দেবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

এর পাশাপাশি প্রধানমন্ত্রী জাতিসংঘ মহাসচিবসহ কয়েকটি দেশের রাষ্ট্র/ সরকার প্রধানদের সাথে দ্বিপাক্ষিক বৈঠকে অংশ নিয়ে পারস্পরিক স্বার্থ সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন বিষয়ে আলোচনা করবেন বলে আশা করা যাচ্ছে।

তিনি আরো বলেন, সামগ্রিকভাবে, এবারের জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে অংশগ্রহণ বৈশ্বিক অঙ্গনে আমাদের ভাবমূর্তিকে আরও সুসংহত করবে। একই সাথে, জাতিসংঘের হাত ধরে বৃহত্তর আন্তর্জাতিক পরিসরে বাংলাদেশের বহুমুখী সফলতা ও অবদানের কথা তুলে ধরার সুযোগ তৈরি হবে বলে আমরা বিশ্বাস করি।

সাংবাদিকদের বিভিন্ন প্রশ্নের জবাবে মাসুদ বিন মোমেন বলেন, আমেরিকার প্রেসিডেন্ট বারাক ওবামা এবং ভারতের প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সাথে প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনার অনুষ্ঠানিক বৈঠক হবে কি না তা এখনো নিশ্চিত নয়। তবে অংচাংসূচির সাথে বৈঠকের সম্ভাবনা রয়েছে।

উল্লেখ্য, প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা বাংলাদেশ বিমানের বিজি ১৫ ফ্লাইটে ১৪ সেপ্টেম্বর লন্ডন সময় বিকেল ৩টা ৫০ মিনিটে লন্ডন পৌঁছেন। ২২ ঘন্টা যাত্রা বিরতির পর তিনি ১৫ সেপ্টেম্বর কানাড়া পৌঁছাবেন। কানাডার মন্ট্রিয়েলে ১৫ ও ১৬ সেপ্টেম্বর ফিফথ রিপ্লেনিসমেন্ট কনফারেন্স অব দ্যা গ্লোবাল শীর্ষক এক সেমিনারে অংশ নেবেন এবং ১৮ সেপ্টেম্বর দুপুর ৩টা ১৫ মিনিটে নিউইয়র্কের লাগোয়াডিয়া এয়ারপোর্টে অবতরণ করবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here