বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষের কথা অনেক চিন্তা করতেন

images-1

মোহাম্মদ সেলিম: ২৩ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম) : মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হচ্ছেন জননেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। অনেকে আবার তাকে এই জেলার লৌহমানব বলে ক্ষেতাব দিয়েছেন। নানাজনে নানানভাবে তাকে বিভিন্নভাবে পরিচয় ঘটিয়ে থাকেন।

তবে তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয় হচ্ছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। এই পরিচয়ে তিনি বিশ্ববাসির কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তার সেই পরিচয়ের অনেক অজানা কথা আমরা এই প্রজন্মের অনেকেই জানি না।

তার সেই অজানা রহস্যেময় জীবনের কথা আমরা পাঠকের কাছে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার প্রয়াসে আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট সোহানা তাহমিনা আমাদের এই জনপ্রিয় নেতাকে নিয়ে “মুন্সিগঞ্জের লৌহমানব-বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন” শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছেন। এটি লেখিকা একটি সাহসী কাজ করেছেন।

নেতার আশ পাশে অনেকেই রয়েছেন। কিন্তু তাকে নিয়ে বইয়ের ভাবনা আসলেই কেউ করে নাই। সেই দিক থেকে লেখিকাকে সকলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

তবে লেখিকার এই বইয়ের বেশিরভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। সাধারণ পাঠকের কাছে তার বই একেবারেই নেই বলেই চলে।

সাধারণ পাঠকের চাহিদা পুরণে মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর উল্লেখযোগ্য রাজনীতি জীবনের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন আমাদের জনপ্রিয় নেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

বইয়ের বাইরেও তথ্য বহুল প্রতিবেদন আমরা পাঠকের কাছে নিয়মিত উপস্থাপন করার চেষ্ঠা করবো। এই প্রতিবেদনটি মুলত এডভোকেট সোহানা তাহমিনের। ধারাবাহিক অংশ হিসেবে আজ প্রকাশ করা হল:

বঙ্গবন্ধু দেশের মানুষের কথা অনেক চিন্তা করতেন

বঙ্গবন্ধুর কথা পালন করা নেতার গুরু দায়িত্ব ছিল। একটা ছোট ঘটনা থেকে বুঝা যায়। বঙ্গবন্ধু প্রায়ই কর্ম শেষ করে বাড়ি ফিরেন। কিন্তু একদিন বঙ্গবন্ধু বাড়ি ফেরার পথে হঠাৎ তাঁর মনে হলো “ চলো মিরপুরের বস্তির মানুষের অবস্থা কেমন আছে দেখে আসি” যেমন ভাবা তেমন কাজ। চলে গেলেন মিরপুর বস্তিতে। আবার কখনও কখনও চক বাজারে গিয়ে বাজারের অবস্থা দেখে আসতেন।

নেতা তখন বঙ্গবন্ধুর সাথে গাড়িতে বসা। আমাদের নেতাকে বলতেই নেতা গাড়ি থামিয়ে দিলেন। কিন্তু বঙ্গবন্ধুকে গার্ড দেওয়া পাইলট গাড়িটি জানতো না। নেতা গাড়ী থেকে নেমে দৌড়ে পাইলট গাড়িটিকে নির্দেশ দেয় বঙ্গবন্ধুর ইচ্ছামত গন্তব্যস্থল যাওয়ার জন্য। পরবর্তীতে নেতা তার কাজের সুবিধা ও নিরাপত্তার জন্য বঙ্গবন্ধুর জন্য বঙ্গবন্ধুকে বললেন,

“স্যার আমাকে দুইটি ওয়াকিটকি কিনে দিলে কাজের জন্য খুব সুবিধা হত”। বঙ্গবন্ধু নেতার কথায় গুরুত্ব দিলেন না। নেতা ই.এ.চৌধুরী (সাবেক এস.পি) সাহেকে ব্যাপারটি জানালেন। পরবর্তীতে ই.এ. চৌধুরী (সাবেক এস.পি) সাহেব বঙ্গবন্ধুকে বললেন, “স্যার মহিউদ্দিনকে দুইটা ওয়াকিটকি কিনে দিলে নিরাপত্তার কাজ করতে ওর সুবিধা হয়”। বঙ্গবন্ধু বললেন,

“ঠিক আছে দুইটা ওয়াকিটকির দাম কত”? নেতা ই.এ. চৌধুরী সাহেবকে বললেন ৩০ থেকে ৪০ হাজার টাকা হবে। বঙ্গবন্ধু ধমক দিয়ে বললেন, “আমার দেশের মানুষ ঠিক মত দুইবেলা পেট ভরে ভাত খেতে পায় না। আর আমি ওকে ৪০ হাজার টাকা দিয়ে ওয়াকিটকি কিনে দিব?

এমন নিরাপত্তা আমার কোন প্রয়োজন নেই। কত নেতাকেই তো নিরাপত্তার পরেও মেরে ফেলেছে। মৃত্যু আসবে মরব।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here