বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন

download

মোহাম্মদ সেলিম: ২৬ সেপ্টেম্বর  ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডেস্ক) : মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হচ্ছেন জননেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। অনেকে আবার তাকে এই জেলার লৌহমানব বলে ক্ষেতাব দিয়েছেন। নানাজনে নানানভাবে তাকে বিভিন্নভাবে পরিচয় ঘটিয়ে থাকেন।

তবে তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয় হচ্ছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। এই পরিচয়ে তিনি বিশ্ববাসির কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তার সেই পরিচয়ের অনেক অজানা কথা আমরা এই প্রজন্মের অনেকেই জানি না।

তার সেই অজানা রহস্যেময় জীবনের কথা আমরা পাঠকের কাছে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার প্রয়াসে আমাদের এই ক্ষুদ্র আয়োজন।
মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট সোহানা তাহমিনা আমাদের এই জনপ্রিয় নেতাকে নিয়ে “মুন্সিগঞ্জের লৌহমানব-বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন” শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছেন। এটি লেখিকা একটি সাহসী কাজ করেছেন।

নেতার আশ পাশে অনেকেই রয়েছেন। কিন্তু তাকে নিয়ে বইয়ের ভাবনা আসলেই কেউ করে নাই। সেই দিক থেকে লেখিকাকে সকলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

তবে লেখিকার এই বইয়ের বেশিরভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। সাধারণ পাঠকের কাছে তার বই একেবারেই নেই বলেই চলে।

সাধারণ পাঠকের চাহিদা পুরণে মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর উল্লেখযোগ্য রাজনীতি জীবনের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন আমাদের জনপ্রিয় নেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

বইয়ের বাইরেও তথ্য বহুল প্রতিবেদন আমরা পাঠকের কাছে নিয়মিত উপস্থাপন করার চেষ্ঠা করবো। এই প্রতিবেদনটি মুলত এডভোকেট সোহানা তাহমিনের। ধারাবাহিক অংশ হিসেবে আজ প্রকাশ করা হল:
বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন
প্রতিদিন আমাদের নেতা সকাল ৮টা ৩০ মিনিটে বঙ্গবন্ধুর বাসভবনের ডিউটিতে চলে যেতেন। একদিন আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধুর বাসার দোতালায় গেলেন। দেখলেন বঙ্গবন্ধু গোসলখানা থেকে শরির মুছতে মুছতে বের হয়ে আসছেন। নেতাকে দেখে বঙ্গবন্ধু বললেন, “টেবিলের উপর তোর নামে একটি চিঠি এসেছে, চিঠিটা খুলে দেখ”।

নেতা চিঠিটা হাতে নিয়ে খামটা খুলতেই বঙ্গবন্ধু বললেন, “চিঠির খামের উপর কি লেখা আছে সেটা পড়। বঙ্গবন্ধুর নিদের্শে প্রথমে নেতা খামের উপর লেখাটি আগে পড়লেন”। চিঠির খামের উপর লেখা ছিল “বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন” ৩২ নম্বর ধানমন্ডি। নেতা লেখাটি পড়লেন কিন্তু বুঝতে পারলেন না। এরপর বঙ্গবন্ধু বললেন, “আবার পড়”। নেতা চিঠির খামের উপরের লেখাটি আবার পড়লেন, নেতা সেই লেখাটি উপলব্ধি করতে পারলেন না। সেই চিঠির খামের লেখাটির গভীরতাও বুঝতে পারলেন না।

তখন বঙ্গবন্ধু বললেন, “কি লিখেছে, বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন এটা মেনে চলবি”। এরপর নেতা বঙ্গবন্ধুর কথাটির মর্ম বুঝতে পারলেন। এই ঘটনা বলার সাথে সাথে নেতার দু’চোখ গড়িয়ে পানি পড়তে লাগলো। তিনি বললেন “ আমি কেন তার সাথে সেদিন মরতে পারলাম না। এই কথা বলে নেতা শব্দ করে কেঁদে উঠলেন। নেতাকে কখনো কাঁদতে দেখিনি, নেতার কান্ন্ দেখে নিজের চোখের পানিও ধরে রাখা সম্ভব হল না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here