নোয়াখালিতে বঙ্গবন্ধুর সাথে নেতা

download

মোহাম্মদ সেলিম: ২৮ সেপ্টেম্বর ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম) : মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের সভাপতি হচ্ছেন জননেতা মোহাম্মদ মহিউদ্দিন। অনেকে আবার তাকে এই জেলার লৌহমানব বলে ক্ষেতাব দিয়েছেন। নানাজনে নানানভাবে তাকে বিভিন্নভাবে পরিচয় ঘটিয়ে থাকেন।

তবে তার সবচেয়ে উল্লেখযোগ্য পরিচয় হচ্ছে তিনি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ঘনিষ্ঠ সহচর ছিলেন। এই পরিচয়ে তিনি বিশ্ববাসির কাছে সবচেয়ে বেশি পরিচিত। তার সেই পরিচয়ের অনেক অজানা কথা আমরা এই প্রজন্মের অনেকেই জানি না।

তার সেই অজানা রহস্যেময় জীবনের কথা আমরা পাঠকের কাছে ধারাবাহিকভাবে তুলে ধরার প্রয়াসে আমাদের এই ক্ষুদ্ধ আয়োজন।
মুন্সিগঞ্জ জেলা আওয়ামীলীগের যুগ্ন সম্পাদক এডভোকেট সোহানা তাহমিনা আমাদের এই জনপ্রিয় নেতাকে নিয়ে “মুন্সিগঞ্জের লৌহমানব-বঙ্গবন্ধুর মহিউদ্দিন” শিরোনামে একটি বই প্রকাশ করেছেন। এটি লেখিকা একটি সাহসী কাজ করেছেন।

নেতার আশ পাশে অনেকেই রয়েছেন। কিন্তু তাকে নিয়ে বইয়ের ভাবনা আসলেই কেউ করে না। সেই দিক থেকে লেখিকাকে সকলের পক্ষ থেকে ধন্যবাদ।

তবে লেখিকার এই বইয়ের বেশিরভাগ বই বিতরণ করা হয়েছে আওয়ামীলীগ নেতাদের কাছে। সাধারণ পাঠকের কাছে তার বই একেবারেই নেই।

সাধারণ পাঠকের চাহিদা পুরণে মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম এই আয়োজনে অংশ নিয়েছে। বঙ্গবন্ধুর উল্লেখ যোগ্য রাজনীতি জীবনের বেশিরভাগ গুরুত্বপূর্ণ অংশের সাথে জড়িয়ে রয়েছেন মোহাম্মদ মহিউদ্দিন।

বইয়ের বাইরেও তথ্য বহুল প্রতিবেদন আমরা পাঠকের কাছে নিয়মিত উপস্থাপন করার চেষ্ঠা করবো। এই প্রতিবেদনটি মুলত এডভোকেট সোহানা তাহমিনের। আজ এর ষষ্ঠ কিস্তি প্রকাশ করা হল:

নোয়াখালিতে বঙ্গবন্ধুর সাথে নেতা

একবার আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধুর সাথে নোয়াখালিতে গেলেন। সেখানে বিশাল উঁচু মাটির স্টেজ করা হল। বঙ্গবন্ধুকে নিয়ে আসার সাথে সাথে সবাই তাকে ঘিরে ধরল। এবার স্টেজে উঠার পালা। বঙ্গবন্ধু স্টেজে উঠবেন কিভাবে? সেখানে সব লোক জড়সড়ো হয়ে আছেন তিল পরিমাণ ঠাঁই নেই। লোকজনকে স্টেজ থেকে নামানোর জন্য ওখানকার স্থানীয় নেতারা চেস্টা চালিয়ে যাচ্ছেন। কিন্তু এতে কোন কাজ হচ্ছে না। আমাদের নেতা সেটা লক্ষ্য করলেন। আমাদের নেতা বঙ্গবন্ধুকে নিচে রেখে স্টেজে উঠলেন। স্টেজে গিয়ে মঞ্চের অবস্থা লক্ষ্য করলেন। মঞ্চ জনাকীর্ণ অবস্থা। নেতা মঞ্চ খালি করার লক্ষ্যে মঞ্চের ভেতরে অবস্থানরত উল্লেখযোগ্য ব্যক্তিকে হুংকার দিয়ে উপরে তুলে মঞ্চের বাহিরে ফেলে দিলেন। নেতার অবাস্তব অবস্থা দেখে স্টেজে বসা লোকজন সব যেদিকে পারলো স্টেজ থেকে নিচে নেমে গেল। মুহূর্তের মধ্যে স্টেজ খালি হয়ে গেল। এরপর বঙ্গবন্ধু স্টেজে আসলেন। আর সবার উদ্দেশ্যে ভাষণ দিলেন। নেতা ও বঙ্গবন্ধু অনুষ্ঠান শেষ করে আসলেন। পরের দিন নোয়াখালীর লোকাল খবরের কাগজে বড় বড় করে লেখা হল “ব্যাক্তিটি কে?”

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here