সংবর্ধনায় সোনার চাবি প্রদান: মুন্সিগঞ্জের বিদায়ী জেলা প্রশাসকের ১৭ দিনে ৫৭ সংবর্ধনা- জেলায় জেলায় আনন্দ উৎসবে কর্মকর্তারা

%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%87%e0%a6%ab%e0%a7%81%e0%a6%b2-%e0%a6%b9%e0%a6%be%e0%a6%b8%e0%a6%be%e0%a6%a8-%e0%a6%ac%e0%a6%be%e0%a6%a6%e0%a6%b2

২৮ সেপ্টেম্বর  ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডেস্ক) : মুন্সিগঞ্জে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলকে ১৭ দিনের ব্যবধানে ৫৭টি বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তাকে সোনার অলঙ্কারসহ বিভিন্ন উপঢৌকন প্রদান করা হয়।

গণসংবর্ধনায় অন্তত অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের সামগ্রী পেয়েছেন তিনি। মুন্সিগঞ্জে এর আগে অন্য কোনো জেলা প্রশাসককে এত ব্যাপক আকারে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে মুন্সিগঞ্জের সচেতন মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আলোচনা-সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের ব্যানারে দেওয়া বিদায় সংবর্ধনায় ডিসি বাদলকে সোনার চাবি, নামিদামি স্যুটকোট, শোপিস, আড়ংয়ের পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন উপঢৌকন-সামগ্রী প্রদান করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ জেলার বিভিন্ন রাজনীতিবিদ বলছেন, মুন্সিগঞ্জে এত সংবর্ধনা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও পাননি। সরকারি একজন কর্মকর্তার এ ধরনের সংবর্ধনা নজিরবিহীন। এটা চাকরিবিধিরও পরিপন্থী। এ ধরনের রাজসিক সংবর্ধনা ও উপহার নেওয়াটা অনেকেই মেনে নিতে না পরলেও বাধ্য হয়েই জেলা প্রশাসকের বিদায় অনুষ্ঠানে থাকতে হয়েছে বলে পেশাজীবী সমাজের প্রতিনিধিরা জানান।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকরা যা করেছেন, তা হাস্যকর। আমি মনে করি, এটা সরকারি কর্মচারীদের চাকরিবিধির শৃঙ্খলার পরিপন্থী। যিনি এ ধরনের সংবর্ধনা নিচ্ছেন তিনি কি আর চাকরি করতে চান না? বিভাগীয় কমিশনারসহ তার চেয়ে জ্যেষ্ঠ অনেক সরকারি কর্মকর্তা আছেন। সংবর্ধনা নেওয়ার সময় কি এসব বিষয় বিবেচনা করেননি?’ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান জানান, ‘কোনো কিছুই অতি বাড়াবাড়ি ভালো নয়। ডিসির এসব সংবর্ধনায় আমি যাইনি। প্রত্যেক ইউএনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এসব সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন। সেখানেও ওই জেলা প্রশাসকের হাত। রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী যে ধরনের সংবর্ধনা নিয়েছেন, তা মুন্সিগঞ্জে কোনো জনপ্রতিনিধিও পাননি। এটা দুঃখজনক।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জেলা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হস্তšাÍর আগ পর্যন্ত সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলের জেলাব্যাপী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলার ৬টি উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জেলা ইউনিয়ন পরিষদ সেক্রেটারি সমিতি, জেলা পুলিশ বিভাগ, মুন্সিগঞ্জ লেডিস ক্লাব, মুন্সিগঞ্জ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, গজারিয়া উপজেলা প্রশাসন, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, মীরকাদিম পৌরসভা, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়, পঞ্চসার আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, রাজা শ্রীনাথ ক্লাব, মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের একাংশ, মুন্সিগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, সদর উপজেলা পরিষদ, শ্রীনগর উপজেলা পরিষদ, সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসন, ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদ, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রশাসন, লৌহজং উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অ্যাপেক্স ক্লাবের একাংশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট প্রভৃতি। এ ছাড়াও নামে-বেনামে আরও অনেক সংগঠন তাকে সংবর্ধনা দেয়। একাধিক সংগঠনের উদ্যোক্তা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সাইফুল হাসান বাদল জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। তাদের কিছু উপহার দেওয়া হলে তার পছন্দের সামগ্রী দিতে বলে দিয়েছেন। কোনো কোনো সংগঠনকে বলেছেন, আড়ংয়ের পাঞ্জাবি দিতে। আড়ং ছাড়া অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাঞ্জাবি হলে তা গ্রহণ করবেন না। এজন্য একাধিক সংগঠনের আয়োজকরা ঢাকার আড়ং থেকে দামি পাঞ্জাবি কিনে তাকে উপহার দিয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলকে সোনার চাবি উপহার দেওয়া হয়েছে। এদিকে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসককে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে বদলি করার প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার খবর পেয়ে একদল তোষামোদকারী ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তাকে খুশি করার জন্য নানা তৎপরতায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

সংবর্ধনায় সোনার চাবি প্রদান: মুন্সিগঞ্জের বিদায়ী জেলা প্রশাসকের ১৭ দিনে ৫৭ সংবর্ধনা-
জেলায় জেলায় আনন্দ উৎসবে কর্মকর্তারা

মুন্সিগঞ্জে বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলকে ১৭ দিনের ব্যবধানে ৫৭টি বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়েছে।

এ সময় তাকে সোনার অলঙ্কারসহ বিভিন্ন উপঢৌকন প্রদান করা হয়।

গণসংবর্ধনায় অন্তত অর্ধ কোটি টাকা মূল্যের সামগ্রী পেয়েছেন তিনি। মুন্সিগঞ্জে এর আগে অন্য কোনো জেলা প্রশাসককে এত ব্যাপক আকারে বিদায় সংবর্ধনা দেওয়া হয়নি। তাই বিষয়টি নিয়ে মুন্সিগঞ্জের সচেতন মহলসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ আলোচনা-সমালোচনায় মুখর হয়ে ওঠেন। সরকারি ও বেসরকারি প্রতিষ্ঠান ও সংগঠনের ব্যানারে দেওয়া বিদায় সংবর্ধনায় ডিসি বাদলকে সোনার চাবি, নামিদামি স্যুটকোট, শোপিস, আড়ংয়ের পাঞ্জাবিসহ বিভিন্ন উপঢৌকন-সামগ্রী প্রদান করা হয়। নাম প্রকাশ না করার শর্তে আওয়ামী লীগ, বিএনপিসহ জেলার বিভিন্ন রাজনীতিবিদ বলছেন, মুন্সিগঞ্জে এত সংবর্ধনা কোনো রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বও পাননি। সরকারি একজন কর্মকর্তার এ ধরনের সংবর্ধনা নজিরবিহীন। এটা চাকরিবিধিরও পরিপন্থী। এ ধরনের রাজসিক সংবর্ধনা ও উপহার নেওয়াটা অনেকেই মেনে নিতে না পরলেও বাধ্য হয়েই জেলা প্রশাসকের বিদায় অনুষ্ঠানে থাকতে হয়েছে বলে পেশাজীবী সমাজের প্রতিনিধিরা জানান।

এ প্রসঙ্গে স্থানীয় সরকার বিশেষজ্ঞ ড. তোফায়েল আহমদ বাংলাদেশ প্রতিদিনকে বলেন, ‘জেলা প্রশাসকরা যা করেছেন, তা হাস্যকর। আমি মনে করি, এটা সরকারি কর্মচারীদের চাকরিবিধির শৃঙ্খলার পরিপন্থী। যিনি এ ধরনের সংবর্ধনা নিচ্ছেন তিনি কি আর চাকরি করতে চান না? বিভাগীয় কমিশনারসহ তার চেয়ে জ্যেষ্ঠ অনেক সরকারি কর্মকর্তা আছেন। সংবর্ধনা নেওয়ার সময় কি এসব বিষয় বিবেচনা করেননি?’ জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক লুৎফর রহমান জানান, ‘কোনো কিছুই অতি বাড়াবাড়ি ভালো নয়। ডিসির এসব সংবর্ধনায় আমি যাইনি। প্রত্যেক ইউএনও প্রত্যক্ষ বা পরোক্ষভাবে এসব সংবর্ধনার আয়োজন করেছেন। সেখানেও ওই জেলা প্রশাসকের হাত। রাষ্ট্রের একজন কর্মচারী যে ধরনের সংবর্ধনা নিয়েছেন, তা মুন্সিগঞ্জে কোনো জনপ্রতিনিধিও পাননি। এটা দুঃখজনক।’

খোঁজ নিয়ে জানা গেছে, ১ থেকে ১৭ সেপ্টেম্বর নতুন জেলা প্রশাসকের কাছে দায়িত্ব হস্তšাÍর আগ পর্যন্ত সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলের জেলাব্যাপী বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। জেলার ৬টি উপজেলায় সরকারি ও বেসরকারি যেসব প্রতিষ্ঠান ও সংগঠন থেকে তাকে বিদায় সংবর্ধনা দিয়েছে এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো জেলা ইউনিয়ন পরিষদ সেক্রেটারি সমিতি, জেলা পুলিশ বিভাগ, মুন্সিগঞ্জ লেডিস ক্লাব, মুন্সিগঞ্জ মহিলা ক্রীড়া সংস্থা, গজারিয়া উপজেলা প্রশাসন, মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা, মীরকাদিম পৌরসভা, জেলা সিভিল সার্জন কার্যালয়, পঞ্চসার আইডিয়াল ইনস্টিটিউট, রাজা শ্রীনাথ ক্লাব, মুন্সিগঞ্জ প্রেসক্লাবের একাংশ, মুন্সিগঞ্জ প্রাথমিক শিক্ষা বিভাগ, সদর উপজেলা পরিষদ, শ্রীনগর উপজেলা পরিষদ, সিরাজদিখান উপজেলা প্রশাসন, ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদ, টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রশাসন, লৌহজং উপজেলা প্রশাসন, বাংলাদেশ ভূমি অফিসার্স কল্যাণ সমিতি, রাষ্ট্রপতি ড. ইয়াজউদ্দিন রেসিডেনশিয়াল স্কুল অ্যান্ড কলেজ, অ্যাপেক্স ক্লাবের একাংশ, জেলা ক্রীড়া সংস্থা, জেলা সম্মিলিত সাংস্কৃতিক জোট প্রভৃতি। এ ছাড়াও নামে-বেনামে আরও অনেক সংগঠন তাকে সংবর্ধনা দেয়। একাধিক সংগঠনের উদ্যোক্তা বাংলাদেশ প্রতিদিনকে জানান, সাইফুল হাসান বাদল জেলার বিভিন্ন উপজেলাসহ সরকারি-বেসরকারি প্রতিষ্ঠানকে সংবর্ধনা দেওয়ার জন্য চাপ প্রয়োগ করেন। তাদের কিছু উপহার দেওয়া হলে তার পছন্দের সামগ্রী দিতে বলে দিয়েছেন। কোনো কোনো সংগঠনকে বলেছেন, আড়ংয়ের পাঞ্জাবি দিতে। আড়ং ছাড়া অন্য ব্যবসা প্রতিষ্ঠানের পাঞ্জাবি হলে তা গ্রহণ করবেন না। এজন্য একাধিক সংগঠনের আয়োজকরা ঢাকার আড়ং থেকে দামি পাঞ্জাবি কিনে তাকে উপহার দিয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জ পৌরসভা আয়োজিত বিদায় সংবর্ধনা অনুষ্ঠানে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসক মো. সাইফুল হাসান বাদলকে সোনার চাবি উপহার দেওয়া হয়েছে। এদিকে সদ্য বিদায়ী জেলা প্রশাসককে স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের উপসচিব পদে বদলি করার প্রজ্ঞাপন জারি হওয়ার খবর পেয়ে একদল তোষামোদকারী ও প্রতিষ্ঠানের কর্মকর্তা তাকে খুশি করার জন্য নানা তৎপরতায় ব্যস্ত হয়ে পড়েন।
সূত্র: বাংলাদেশ প্রতিদিন

1 COMMENT

  1. chatonay ekattor says:
    September 30, 2016 at 12:26 am
    Your comment is awaiting moderation.

    আসলে ডি সি সাইফুল ইসলাম বাদল ইতি পূর্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন মত্রির পি এস ছিলেন জীবন যাপন ও করতেন সাধারন ভাবে – মুনশিগঞ্জের ডি সি হওয়ার পর থেকে তার বিলাসী জীবন শুরু হয় -এলাকায় ছড়িয়ে পরে সে নাকি গোপালগঞ্জের লোক,তার সাথে প্রভাবশালীদের ভাব ভাল, তার আত্মীয় নাকি খুবই ক্ষমতাশালী -তার সাথে তেরিং বিরিং করলে খবর আছে। তার সাথে বড় বড় সিমেন্ট কারখানা – জেলার প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের -ধনীলোকদের খুব ভাব ছিল – বুদ্ধিমান ডি সি কিছু সাংবাদিক ,রাজনিতিবিদদের হাত করে নেয় -অনেকে বলা বলি করে খাস জমি বন্ধবস্থ্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার শক্তিশালী হাত ছিল ।যারা তাকে এত করে সম্বর্ধনা দিল – তাদের স্বার্থ কি খতিয়ে দেখে হবে – তার পুরুস্কার পাওয়ার পিছনে কার হাত ছিল তাও খতিয়ে দেখতে হবে – তার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক হিসাব সহায় সম্পদ খোঁজে বাহির করতে হবে। এই তদন্ত্র টিমের কাজে প্রমান হবে – বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকার কাওকে ছাড় দেয় না ।তবে তদন্ত্র কাজ দুদুকের হাতে দিলে মুনশিগঞ্জবাসি আর খুশী হতো । আর তার চামচার ও অভাব ছিল না – যাই হোক সব বলা যায় না -শক্তি ধর ডি সি আবার কোন ফাঁদে ফেলে -তবে অবশ্যই বিষয়টা আমি পত্র দ্বারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রিয় নেত্রিকে অবহিত করব ,ইনশাল্লাহ সব শেষে বলব এই ডি সি- জামাতি আর বি এন পি র প্রভাবশালীদের আন্দার ঘরের আলো ছিল বলে মনে হয় ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here