চেতনা একাত্তুরের অভিমত: ডিসি বিরুদ্ধে তিন সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন: ঘটনা ১৭ দিনে ৫৭টি বিদায় সংবর্ধনা”

 

photo-6-dc-munshiganj-29-09-2016

৩০ সেপ্টেম্বর  ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডেস্ক) : আসলে ডি সি সাইফুল ইসলাম বাদল ইতি পূর্বে মুক্তিযুদ্ধ বিষয়ক মন্ত্রণালয়ের একজন মত্রির পি এস ছিলেন জীবন যাপন ও করতেন সাধারন ভাবে – মুনশিগঞ্জের ডি সি হওয়ার পর থেকে তার বিলাসী জীবন শুরু হয় -এলাকায় ছড়িয়ে পরে সে নাকি গোপালগঞ্জের লোক,তার সাথে প্রভাবশালীদের ভাব ভাল, তার আত্মীয় নাকি খুবই ক্ষমতাশালী -তার সাথে তেরিং বিরিং করলে খবর আছে। তার সাথে বড় বড় সিমেন্ট কারখানা – জেলার প্রভাবশালী ব্যাক্তিদের -ধনীলোকদের খুব ভাব ছিল – বুদ্ধিমান ডি সি কিছু সাংবাদিক ,রাজনিতিবিদদের হাত করে নেয় -অনেকে বলা বলি করে খাস জমি বন্ধবস্থ্য সহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে তার শক্তিশালী হাত ছিল ।যারা তাকে এত করে সম্বর্ধনা দিল – তাদের স্বার্থ কি খতিয়ে দেখে হবে – তার পুরুস্কার পাওয়ার পিছনে কার হাত ছিল তাও খতিয়ে দেখতে হবে – তার বিভিন্ন ব্যাঙ্ক হিসাব সহায় সম্পদ খোঁজে বাহির করতে হবে। এই তদন্ত্র টিমের কাজে প্রমান হবে – বঙ্গবন্ধু কন্যা শেখ হাসিনা সরকার কাওকে ছাড় দেয় না ।তবে তদন্ত্র কাজ দুদুকের হাতে দিলে মুনশিগঞ্জবাসি আর খুশী হতো । আর তার চামচার ও অভাব ছিল না – যাই হোক সব বলা যায় না -শক্তি ধর ডি সি আবার কোন ফাঁদে ফেলে -তবে অবশ্যই বিষয়টা আমি পত্র দ্বারা মাননীয় প্রধানমন্ত্রী আমার প্রিয় নেত্রিকে অবহিত করব ,ইনশাল্লাহ সব শেষে বলব এই ডি সি- জামাতি আর বি এন পি র প্রভাবশালীদের আন্দার ঘরের আলো ছিল বলে মনে হয় ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here