শ্রীনগর থানার ওসি এসিড নিক্ষেপ মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ-তদন্ত কমিটি গঠন

photo-1475845370

৮ অক্টোবর ২০১৬ (মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডেস্ক) : মুন্সিগঞ্জে এসিড নিক্ষেপ মামলার আসামিকে ছেড়ে দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে শ্রীনগর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তার (ওসি) বিরুদ্ধে। এ ঘটনা তদন্তে জেলা পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে একটি তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।

তবে ঘটনার সঙ্গে নিজের সম্পৃক্ততা অস্বীকার করেছেন ওসি সাহিদুর রহমান। ঘটনাটি গতকাল বৃহস্পতিবার জানতে পারেন স্থানীয় গণমাধ্যমকর্মীরা।

এসিড নিক্ষেপের মামলায় অভিযোগ করা হয়, গত ৮ সেপ্টেম্বর দিবাগত রাতে শ্রীনগর উপজেলার বালাশুর এলাকার পূর্বশত্রুতার জের ধরে এক তরুণীকে তুলে নেওয়ার চেষ্টা করে দিদার মুন্সী ও তাঁর সাঙ্গপাঙ্গরা। এ সময় তাতে বাধা দেন ওই তরুণীর মা। তখন দুর্বৃত্তরা মায়ের ওপর এসিড নিক্ষেপ করে দৌড়ে পালিয়ে যায়।

এসিড নিক্ষেপের শিকার ওই নারীকে গুরুতর আহত অবস্থায় ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের বার্ন ইউনিটে ভর্তি করা হয়। পরে তাঁর স্বামী বাদী হয়ে শ্রীনগর থানায় দিদার মুন্সীকে প্রধান আসামি করে ছয়জনের বিরুদ্ধে মামলা করেন।

মামলার বাদী অভিযোগ করে বলেন, ‘আমার দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে গত ২ অক্টোবর দুপুরের দিকে শ্রীনগর উপজেলার বালাশুর এলাকা থেকে থানার উপপরিদর্শক (এসআই) মো. রহমতের নেতৃত্বে পুলিশ এসিড নিক্ষেপ মামলার প্রধান আসামি দিদার মুন্সীকে গ্রেপ্তার করে। পরে তাঁকে বিকেলে ছেড়ে দেন ওসি।’

এসআই মো. রহমত আসামি গ্রেপ্তারের বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, ‘গ্রেপ্তারের পর আসামি দিদার মুন্সীকে থানা হাজতে দেওয়া হয়। এরপর তিনি কীভাবে ছাড়া পেয়েছেন তা আমার জানা নেই।’

তবে এ ব্যাপারে শ্রীনগর থানার ওসি সাহিদুর রহমান বলেন, ‘আসামি দিদার মুন্সীকে গ্রেপ্তার করে পুলিশ সত্যি। তবে থানায় নিয়ে আসার পথে কীভাবে পালিয়ে গেছে তা আমার বোধগম্য নয়।’

জেলা পুলিশ সুপার জায়েদ আলম বলেন, ‘থানা হাজত থেকে আসামি ছেড়ে দেওয়ার ব্যাপারে এসিড নিক্ষেপের শিকার এক নারী লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। ঘটনাটি তদন্ত করার জন্য জেলার অতিরিক্ত পুলিশ সুপার মোস্তাফিজুর রহমানের নেতৃত্বে এক সদস্যের তদন্ত কমিটি গঠন করা হয়েছে।’

‘তদন্ত কমিটি প্রতিবেদন জমা দেওয়ার পর ব্যবস্থা নেওয়া হবে। কাউকে ছাড় দেওয়া হবে না, সে যে-ই হোক।’ যোগ করেন পুলিশ সুপার। এনটিভি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here