মুন্সিগঞ্জে এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ

মোহাম্মদ সেলিম, নাজির হোসেন ও তুষার আহমেদ: বৃহস্পতিবার, ১৯ জুলাই ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

105747HSC_Rajuk

মুন্সিগঞ্জে এবার এইচ.এস.সি পরীক্ষায় ২৬টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানে ৬টি উপজেলার সম্মিলিত জেলার পাশের হার হচ্ছে ৬০ দশমিক ৮৪ শতাংশ। আর এবার আলিম পরীক্ষা ৬টি উপজেলার সম্মিলিত জেলার পাশের হার হচ্ছে ৯৩ দশমিক ৪ শতাংশ।

এদিকে কারিগরি তিন উপজেলার পাঁচটি শিক্ষা প্রতিষ্টানের জেলার পাশের হার হচ্ছে ৭১ দশমিক ১১ শতাংশ।
মুন্সিগঞ্জ জেলা শিক্ষা অফিস সূত্রে জানা যায়,

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলায় ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ৬২ দশমিক ৯৯ শতাংশ।

সরকারি হরগঙ্গা কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ১৫৭৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৫৮ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬০ দশমিক ৬৭ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৭ জন।

মিরকাদিম হাজি আমজাদ আলী কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩৬৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮৬ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৭৭ দশমিক ৭২ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন।

মুন্সিগঞ্জ কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৬৫ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৩৯ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬৪ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

মুন্সিগঞ্জ সরকারি মহিলা কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৬৫ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৪৯ দশমিক ৭০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ড. ইয়াজ উদ্দিন আহম্মদ রেসি: মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ২২৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২১৪ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৯৫ দশমিক ৫৪ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১০ জন।

রামপাল কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৫৬৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৩১৩ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৫৫ দশমিক ২০ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন।

গজারিয়া উপজেলায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ২৩ দশমিক ১২ শতাংশ।

বালুয়াকান্দি ডা. আ: গাফফার স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৪০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

গজারিয়া কলিমউল্লাহ কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩৪৯ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩৭ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৩৯ দশমিক ২৬ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

সরকারি গজারিয়া কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩১৩ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১১১ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৩২ দশমিক ২৭ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন।

লৌহজং উপজেলায় ২টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ২টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ৯১ দশমিক ৯৮ শতাংশ।

লৌহজং কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৫২০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৭৮ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৯১ দশমিক ৯২ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ৯ জন।

মেদেনিমন্ডল মহিলা কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ১০০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

সিরাজদিখানে উপজেলায় ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ৫টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ৫৮ দশমিক ৮৮ শতাংশ।

আলী আজগর এন্ড আবদুল্লাহ কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ২০৭ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৩৫ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬৫ দশমিক ২২ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

বিক্রমপুর আদর্শ কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ২৮৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৮০ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬২ দশমিক ৯৪ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

বিক্রমপুর কেবি কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৪৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২২৩ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৪৮ দশমিক ৯০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

চিত্রকোট মডেল স্কুল এন্ড কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৩৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৮ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৭৩ দশমিক ৬৮ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

মালখা নগর কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ১৭৮ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১২০ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬৭ দশমিক ৪২ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

শ্রীনগর উপজেলায় ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ৬টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ৬৫ দশমিক ৯৪ শতাংশ।

বারইগাঁও ইসলামিয়া স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৪ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৫০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

ভাগ্যকুল হরেন্দ্র লাল স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৪০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২৯ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৭২ দশমিক ৫০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

হাসাড়া কালি কিশোর স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৭০ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৪৯ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৭০ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

স্যার জেসি বোস স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৮২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫৩ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬৪ দশমিক ৬৩ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

শ্রীনগর সরকারি কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ১৪৪২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৯৯২ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬৮ দশমিক ৭৯ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন।

শ্রীনগর পাইলট স্কুল ও কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ১৬৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৫২ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৩১ দশমিক ৩৩ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলায় ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টান রয়েছে। এই ৩টি শিক্ষা প্রতিষ্টানে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় পাশের হার হচ্ছে ৫৪ দশমিক ৪৫ শতাংশ।

বালিগাঁও আমজাদ আলী কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ১৩২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ৮০ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৬০ দশমিক ৬১ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ১ জন।

বিক্রমপুর টঙ্গীবাড়ী কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ৪৪২ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ২২৭ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৫১ দশমিক ৩৬ শতাংশ। আর এখান থেকে একজনও জিপিএ-৫ পায়নি।

সেরজাবাদ রানা শফিউল্লাহ কলেজ থেকে এবারের এইচ.এস.সি পরীক্ষায় মোট ২৫৬ জন শিক্ষার্থী অংশ নেয়। এরমধ্যে উত্তীর্ণ হয়েছে ১৪৫ জন। তাতে এখানে পাশের হার হচ্ছে ৫৬ দশমিক ৬৪ শতাংশ। আর এখান থেকে জিপিএ-৫ পেয়েছে মাত্র ২ জন।
ফাইল ছবি

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here