ফলো আপ: শ্রীনগরে র‌্যাব-১১ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে ডাকাত সোহরাব নিহত: র‌্যাবের দুই সদস্য আহত

এম. আর. রয়েল, রোববার, ২৯ জুলাই ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

মুন্সিগঞ্জের শ্রীনগরে প্রথমবারের মতো র‌্যাব ১১ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে একজন ডাকাত নিহত হয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে গতকাল শনিবার রাতে শ্রীনগরের ছত্রভোগ গ্রামে।

এই দিনই ডাকাত সোহরাবকে র‌্যাব-১১ আটক করে। ডাকাত সোহরাব ডাকাত তাজেলের ভাই।

তাজেল ও সোহরাব ডাকাত গ্রুপরা শ্রীনগরের আড়িয়ল বিলে ডাকাতি করে আসছে দীর্ঘদিন যাবত।

ডাকাত সোহরাবের পিতার নাম হচ্ছে ইউনুস। বাঘড়া ইউনিয়নের রুদ্রপাড়া পাড়া গ্রামে তার বাড়ি। তার বিরুদ্ধে ১৩টি মামলা রয়েছে।

জানা যায়,  শ্রীনগরে র‌্যাব ১১ এর সাথে বন্দুক যুদ্ধে বাঘড়ার তাজেল বাহিনীর শীর্ষ সন্ত্রাসী সোহরাব (৩৫) নিহত হয়েছে বলে খবর পাওয়া গেছে।

সোহরাবের রিরুদ্ধে হত্যা, অস্ত্র, ডাকাতি, পুলিশ এ্যসল্ট, অপহরণসহ মোট ১৩টি মামলা রয়েছে একাধিক সূত্র দাবি করেছে।

সে বাঘড়ার ত্রাস তাজেল বাহিনীর প্রধান তাজেলের বড় ভাই। বন্দুক যুদ্ধে র‌্যাবের দুই সদস্য আহত হয়েছে। রোববার ভোর রাতে শ্রীনগর উপজেলার ছত্রভোগ এলাকায় এঘটনা ঘটে। র‌্যাব- ১১ ঘটনাস্থল থেকে ১টি বিদেশী পিস্তল, ১ রাউন্ড গুলি, ৬শ’ পিস ইয়াবা ও মাদক বিক্রির নগদ ১০ হাজার ৫ শত টাকা উদ্ধার করেছে।

র‌্যাব-১১ ভাগ্যকুল ক্যাম্পের কোম্পানি কমান্ডার এএসপি মহিতুল ইসলাম এ তথ্য নিশ্চিত করে জানান, র‌্যাবের কাছে তথ্য ছিল রোববার ভোর রাতে একটি বড় ধরণের মাদকের চালান শ্রীনগরের ছত্রভোগ এলাকা দিয়ে পাচার হবে।

খবর পেয়ে রোববার ভোর রাত সাড়ে চার টার দিকে র‌্যার-১১ ভাগ্যকূল ক্যাম্পের একটি দল সেখানে অভিযান চালায়। র‌্যাবের উপস্থিতি টের পেয়ে মাদক ব্যবসায়ীরা র‌্যাবের উপর গুলি বর্ষণ শুরু করে।

র‌্যাবও পাল্টা গুলি ছোড়ে। গোলাগুলির এক পর্যায়ে তিন চারজন পালিয়ে যায়। এ সময় সন্ত্রাসীদের গুলিতে র‌্যারের এএসআই রেজাউল ইসলাম ও সিপাহী মো. কামরুজ্জামান আহত হয়।

তাদেরকে শ্রীনগর উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেয়া হয়েছে। গোলাগুলির পরে সেখানে একটি লাশ পরে থাকতে দেখা যায়। খোজ নিয়ে জানা, লাশটি শ্রীনগরের শীর্ষ সন্ত্রাসী মোঃ সোহরাব হোসেনের। সোহরাব বাঘড়া ইউনিয়নের রৌদ্রপাড়া গ্রামের ইউনুচ বেপারীর ছেলে।

বেশ কয়েক বছর ধরে সোহরাব তার ভাই তাজেল বাহিনীর সাথে যুক্ত হয়ে আড়িয়ল বিল সহ বিভিন্ন এলাকায় হত্যা, ডাকাতি, অপরহন সহ মাদক ব্যবসা করে আসছিল।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here