মুন্সিগঞ্জের শিকদার কান্দিতে প্রবাসী স্ত্রীর ওপর হামলা (ভিডিওসহ)

সব মানুষের সৃজন প্রয়াসী অনলাইন পোর্টাল:

শনিবার, ২৭ এপ্রিল ২০১৯, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

58378302_312067586127705_3302533283132211200_nমুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার আধারা ইউনিয়নের মেঘনা নদীর তীরবর্তী গ্রাম জাজিরা শিকদার কান্দিতে সৌদি প্রবাসী এক গৃহবধুর ওপর হামলা চালিয়েছে ভাশুরসহ মামা শশুড় গংরা।

আহত গৃহবধুকে মুন্সিগঞ্জ জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে। সৌদি প্রবাসী রাসেল কয়েক বছর ধরে সৌদিতে বসবাস করছে। তার স্ত্রী হচ্ছে রিতা আক্তার। তাদের ঘরে দু’টি শিশু সন্তান রয়েছে। এই ঘটনাটি ঘটেছে গত ১৮ এপ্রিল সকাল ১০টার দিকে।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার আর্জি সূত্রে জানা যায়, একই গ্রামের জালাল বেপারীর পুত্র রাসেলের সাথে দীর্ঘ ১০ বছর আগে রেখা বেগমের মেয়ে রিতা আক্তারের বিয়ে হয়। সেই সময় রিতার পিতা সৌদিতে প্রবাসী ছিলেন। বিয়ের পর তার পিতার সূত্র ধরেই রাসেলে সৌদিতে প্রবাসী হন।

রেখা বেগেম এ প্রতিবেদককে জানান, মেয়ের স্বামী বিদেশে থাকায় তার শশুড়বাড়ির লোকজন অনেক দিন ধরেই কারণে অকারণে রিতার ওপর অমানুষিক অত্যাচার চালাতে থাকে।

58381015_998466250347095_8935153312949338112_nঘটনার দিন রিতা বাপের বাড়ি ছিলো। সেখানে রিতার ভাশুরসহ মামা শশুড় ও অন্যান্য আসামীরা মিথ্যা অপবাদ দিয়ে বাপের বাড়ি এসে রিতার ওপর হামলা চালায়।

রিতা তাদের ভয়ে নিকট বাথরুমে পালালোও সেখান থেকে তাকে বের করে আনে আমলাকারী। বড় ধরণের গাছের গুড়ি দিয়ে তার ওপর হামলা চালানো হয়েছে।

এ সময় হামলাকারীরা রিতার ওপর অমানষিক নির্যাতন চালায়। সেই সময় রিতার মা ও বাবা ঢাকার মিরপুরে অবস্থান করছিলো। মেয়ের এ খবর পেয়ে তারা ঢাকা থেকে ঘটনাস্থলে ছুটে আসে।

২০ এপ্রিল রোববার শবেবরাতের দিন এ বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ থানায় অভিযোগ দায়ের করলে এস আই সাইদুর রহমান সন্ধ্যার দিকে ঘটনাস্থলে ছুটে যান।

সেই সময় তিনি ঘটনা সত্যতা যাচাই ঘটনাস্থল পরিদর্শনসহ অভিযোগের বিষয়ে তদন্ত করেন। এলাকায় পুলিশের আগমনের খবর পেয়ে হামলাকারীরা গ্রাম থেকে পালিয়ে যান বলে খবর পাওয়া গেছে।

পুলিশ গ্রামের একাধিক মুরুব্বিদের সাথে এ বিষয় নিয়ে কথা বার্তা বলেন। কিন্তু হামলাকারীদের ভয়ে সেই সময় অনেকেই কথা বলতে অনিহা প্রকাশ করেন। এ মামলার প্রধান আসামী হচ্ছেন, আবুল বেপারী, জালাল শিকদার, বিলকিস বেগম।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here