সনদ ছাড়াই গজারিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মীনা আক্তার ডাক্তার পদবী ব্যবহার করছেন

সব মানুষের সৃজন প্রয়াসী অনলাইন পোর্টাল:

শুক্রবার, ১০ মে ২০১৯, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

gazssssssdr

সনদ ছাড়াই গজারিয়া উপজেলা মহিলা আওয়ামীলীগের সভানেত্রী মীনা আক্তার (মিনু) রাজনৈতিক পোস্টার, ভিজিটিং কার্ডে নামের সঙ্গে ডাক্তার পদবী ব্যবহার করছেন। শুধু তাই নয়,

এই ডাক্তার পদবী ব্যবহার করে তিনি স্বামীর সঙ্গে উপজেলার জামালদী বাসস্ট্যান্ড এলাকার নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারও পরিচালনা করছেন।

উপজেলা প্রশাসনের ভ্রাম্যমাণ আদালত গত বুধবার সনদ ছাড়া হাসপাতাল পরিচালনার দায়ে নাজমা জেনারেল হাসপাতাল ও ডায়গনাস্টিক সেন্টারকে দুই লাখ পঞ্চান্ন হাজার টাকা জরিমানা করে। অনাদায়ে মালিককে এক মাসের জেল প্রদান করেন। জরিমানা পরিশোধ করে জেল থেকে রেহাই পান হাসপাতালের মালিক আবদুর রহমান ও কথিত ডাঃ মীনা আক্তার (মিনু)।

আদালত সূত্রে জানা যায়, বুধবার বিকালে নাজমা জেনারেল হাসপাতাল এন্ড ডায়াগনস্টিক সেন্টারে গজারিয়া উপজেলার নির্বাহী অফিসার ও নির্বাহী ম্যাজিস্ট্রেট হাসান সাদী ভোক্তা অধিকার সংরক্ষ পরিষদ ও পুলিশের সহায়তায় আদালত পরিচালনা করেন।

এ সময় ভোক্তা অধিকার সংরক্ষণ আইন ২০০৯ এর ৫১ ও ৫২ ধারা এবং দি মেডিকেল প্রাকটিস এন্ড প্রাইভেট ক্লিনিক

এন্ড ল্যাবলেরটি নিয়ন্ত্রণ আইন ১৯৮২ সালের ৮ ধারায় মোট দুই লাখ পঞ্চান্ন হাজার টাকা অর্থ দন্ড করা হয়।

এ সময় আদালত মেয়াদ উত্তীর্ণ ওষুধ জব্দ করাসহ প্রয়োজনীয় লোকবল ও মেডিকেল ইনস্ট্রম্যান্টের ঘাটতি দেখতে পায়।

গজারিয়া উপজেলা স্বাস্থ্যকমপ্লেক্স সূত্রে জানা যায়, প্রতিষ্ঠানের মালিক পক্ষকে প্রয়োজনীয় সনদসংগ্রহ ও নিয়ম মেনে সেবা প্রদান করার মৌখিক ও লিখিত নির্দেশ দেয়ার পরও তারা নিজেদের মতো করে বাণিজ্য চালিয়ে চাচ্ছিল।

স্থানীয় সূত্রে জানা য়ায়, অবসরপ্রাপ্ত উপসহকারী মেডিকেল অফিসার আবদুর রহমান ও তাঁর স্ত্রী পরিবার কল্যাণ সহকারী হলেও মীনা ভিজিটিং কার্ডে লিখেন ডাঃ মীনা আক্তার (মিনু)। এনিয়ে স্থানীয়দের মাঝে ক্ষোভ রয়েছে।

এ ব্যাপারে গজারিয়া উপজেলা মহিলা আ’লীগের সভানেত্রী মীনা আক্তার মিনু বলেন, এলাকার মানুষ ভালোবেসে আমাকে ডাক্তার বলে!

অবজারভার

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here