সিরাজদিখানে সৃজিত দলিলে জমি দখলের পায়তারা: থানায় অভিযোগ

সব মানুষের সৃজন প্রয়াসী অনলাইন পোর্টাল:

বৃহস্পতিবার, ১৬ মে ২০১৯, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

received_431409010993869সিরাজদিখান উপজেলার বাসাইল ইউনিয়নের গুয়াখোলা গ্রামের মৃত কলিমউদ্দিন (টুটুল) মীরের পুত্র রুহুল মীর ও মৃত সমীর মীরের ছেলে গৈজদ্দিন মীরের বিরুদ্ধে জাল দলিল সৃজন করে জমি দখলের পায়তারার অভিযোগ করেছে একই ইউনিয়নের পার্শ্ববর্তী গ্রামের মৃত মোহর আলী মোল্লার ছেলে সালাউদ্দিন আহম্মেদ (৪০) এর ।

তিনি গতকাল বুধবার সিরাজদিখান উপজেলা প্রেসক্লাব ও সিরাজদিখান থানায় লিখিত এ অভিযোগ করে পুলিশ প্রশাসনসহ সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে প্রতিকার দাবী করেছেন।

লিখিত অভিযোগে সালাউদ্দিন আহম্মেদ বলেন, তার দাদা মৃত আছর আলী মোল্লার নামে ১.৪৮ (এক একর আট চল্লিশ) শতক কৃষি জমি (৪৩০ খতিয়ানে সিএস দাগ নং ৫১৯, ৩৫৭ খতিয়ানে এস এ দাগ নং ৫১৯, ৩৬ খতিয়ানে আর এস দাগ নং ৬৪৫,৬৪৬,৬৪৭) বর্তমানে পর্চায় আমার পিতা মৃত মোহর আলী মোল্লা, ও চাচা মৃত আব্দুল আলী মোল্লার নাম রয়েছে।

ভুলবশত আর এস রেকর্ডে ১৮ শতাংশ জমি কলিমদ্দিন গংদের নামে রেকর্ড হয়। কলিমউদ্দিন গংরা আমাদের কোন শরীক,আত্মীয় বা বংশের কেউ নন। এই ১৮ শতাংশ জমি ভুল রেকর্ডের জন্য একটি দেওয়ানী মামলা কোর্টে চলমান রয়েছে। এই জমির বিষয় নিয়ে বাসাইল ইউনিয়ন চেযারম্যান ও সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান তাদের নিকট দলিল দেখতে চেয়েছেন বিধায় (কলিমউদ্দিন গংরা) দুই মাস সময় চেয়ে এরপর উক্ত ব্যক্তিরা পুনরায় জাল দলিল দেখিয়ে জমিতে আর সিসি সিমেন্টের খুটি গেথে জমি দখলে নেয়ার চেষ্টা করে এবং মামলার মাধ্যমে হয়রানী করার হুমকি দেয়।

এ ব্যাপারে অভিযুক্ত গৈজদ্দিন মীর জানান, ১৯৭২ সালের সরকারী নিলাম মোতাবেক আমার চাচার নামে এই সম্পত্তি রেকর্ড হয়। আমাদের কাছে দলিল রয়েছে আমারা ওই সম্পত্তির মালিক। আমরা কোন জমি দখল করিনি।

এ ব্যাপারে বাসাইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম যুবরাজ বলেন, গতকাল বুধবার দুপুর ১২ টায় বাসাইল ইউনিয়ন পরিষদে বসে যুবলীগ নেতা সালাউদ্দিন ও গৈজদ্দিন মীর গং দের উভয় পক্ষের সাথে কথা বলে জানতে পাড়ি সম্পত্তির রেকর্ড নিয়ে একটি ঝামেলা রয়েছে। আগামী এক মাস সময়ের মধ্যে উভয় পক্ষের সঠিক কাগজ পত্র নিয়ে পরিষদে হাজির হলে বিবাদ মান বিষয়টি সুরাহা করা হবে।

সিরাজদিখান উপজেলা চেয়ারম্যান মউিদ্দিন আহম্মেদ বলেন, বিষয়টি আমি জানি একটি অভিযোগ পেয়ে দুই পক্ষকে ডেকে তাদের কাগজ পত্র দেখতে চেয়ে ছিলাম কিন্তু দুই মাস পড়েও সালাউদ্দিন এর প্রতি পক্ষ গৈজদ্দিন মীর গংরা আমাকে কোন কাগজ পত্র দেখায় নাই। আমি বাসাইল ইউনিয়ন চেয়ারম্যান সাইফুল ইসলাম কে কাগজ পত্র দেখে সমাধান করতে বলেছি।

সিরাজদিখান থানার ডিউটি অফিসার এএসআই মোঃ নুরনবী বলেন, এ ব্যপারে উপজেলা আওয়ামী যুবলীগ আহব¦ায়ক কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহম্মেদ তাদের পৈত্রিক সম্পত্তি অবৈধ ভাবে বেদখল করার একটি লিখিত অভিযোগ করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here