সিরাজদিখানে নিখোঁজ ডাইরী করায় ইউপি সদস্যের উপর হামলার ঘটনার থানায় অভিযোগ

সব মানুষের সৃজন প্রয়াসী অনলাইন পোর্টাল:

বুধবার, ২৯ মে ২০১৯, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

dsw_20190528201710সিরাজদিখানে নিখোঁজ ডাইরী করায় লতব্দী ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেন ও তার সহধর্মীনি এবং ছেলের উপর হামলার ঘটনা ঘটেছে।

গত রোববার বিকাল ৬টার দিকে উপজেলার দোসরপাড়া গ্রামে এ ঘটনা ঘটে। এ ঘটনায় ওই ইউপি সদস্য বাদী হয়ে সিরাজদিখান থানায় ৭ জনকে বিবাদী ও ৩/৪ জনকে অজ্ঞাতানামা বিবাদী করে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২৩ মে দোসরপাড়া গ্রামের মোঃ কাসেম এর পুত্র শ্যামল (২১) একই গ্রামের মোঃ আক্কাস আলী মোল্লার ৪র্থ

কণ্যা খাদিজা আক্তার (১৪)কে প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে অজ্ঞাতস্থানে নিয়ে গেলে খাদিজা আক্তারের পিতা ইউপি সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেনকে সাথে নিয়ে গত ২৬ মে সিরাজদিখান থানায় নিখোঁজ সংক্রান্তে একটি সাধারণ ডাইরী করেন। যার নং-৯৭৪। ওই দিন বিকাল ৬টার দিকে সাধারণ ডাইরী করাকে কেন্দ্র করে মোঃ কাশেম, মোঃ শাহ জাহান, আমজাদ হোসেন, মুলুক চান, তারা মিয়া, রানা, মোঃ রাশেদ ও মোঃ রকি হাতে রাম দা, হকিস্টিক,

লোহার রড, বাঁশের লাঠি, কাঠের লাঠি নিয়া ইউপি সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেনের বসত বাড়ীতে প্রবেশ করে অভিযোগে বর্ণিত ৫নং বিবাদী তারা  মিয়ার হুকুমে সকল বিবাদীগণ ইউপি সদস্য ও তার স্ত্রী মোসাঃ রেহেনা বেগম (৩৫) এবং ছেলে রাকিব (১৯) কে বসত ঘরের সামনে পেয়ে হামলা চালিয়ে আহত করে।

পরে ইউপি সদস্যের বাড়ীঘর ও আসবাবপত্র ভাঙচুর করে। ইউপি সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেনের ডাক-চিৎকারে আশেপাশের লোকজন এগিয়ে এলে অভিযোগে বর্ণিত সকল বিবাদীগণ বিভিন্ন প্রকার হুমকি প্রদান করে চলে যায়। স্থানীয় লোকজনের সহায়তায় চিকিৎসার জন্য ইউপি সদস্যের স্ত্রীকে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে ভর্তি করেন। বর্তমানে ইউপি সদস্যের স্ত্রী সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসাধীন রয়েছেন।

এ ব্যাপারে মোঃ আক্কাস আলী মোল্লা জানান, আমার মেয়েটাকে এখনও পাচ্ছি না। আমি থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করেছি। আমি প্রশাসনের সহায়তনা চাই যেন আমার মেয়েকে উদ্ধার করেত পারি। ভুক্তভোগী লতব্দী ৭নং ওয়ার্ড ইউপি সদস্য মোঃ আওলাদ হোসেন জানান, আক্কাস আলী মোল্লার মেয়ে নিখোঁজ থাকায় সিরাজদিখান থানায় একটি নিখোঁজ জিডি করার সময় আমাকে সাথে নিয়ে যায় আক্কাস আলী মোল্লা।

আর এরই জের ধরে আমাকেসহ আমার স্ত্রী ও ছেলেকে মারধর করে কাশেম গ্রুপের লোকজন। আমি এর সুষ্ঠ বিচার চাই। এ বিষয়ে আমি সিরাজদিখান থানায় একটি লিখিত অভিযোগ করেছি। এব্যাপারে অভিযুক্ত মোঃ কাসেমের মুঠোফোনে বারংবার ট্রাই করেও পাওয়া যায়নি। সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ ফরিদ উদ্দিন জানান, অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত স্বাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।

 

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here