ইতালীর ভেনিস হাসপাতাল মর্গে বাংলাদেশীর মৃতদেহ

সব মানুষের সৃজন প্রয়াসী অনলাইন পোর্টাল:

রোববার, ৩০ জুন ২০১৯, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

জাকির হোসেন সুমন ,  ব্যুরো চীফ ইউরোপ  :

IMG_20190625_210644দীর্ঘ  এক মাসের ও বেশী সময় ধরে ইতালীর ভেনিসের আনজেলো হাসপাতাল মর্গে  পরে আছে হতভাগ্য  এক বাংলাদেশীর মৃতদেহ ।  বিভিন্ন  মাধমে জানা গেছে ,  এক ইতালীয়ান এর মাধ্যমে মৃতব্যক্তির  খবর টি ছড়িয়ে পরে বাংলাদেশী কমিউনিটিতে ।  সূএ মতে লক্ষীপুর জেলার রায়পুর উপজেলার বাবনী ভূইয়া বাড়ির  মো: জিয়াউর  ইসলাম দীর্ঘ  দিন যাবৎ বসবাস করতেন ইতালীর ভেনিস শহরে।

62363273_2050265475282497_4206399130416709632_nগত ২৩ শে মে অসুস্থ  হয়ে আনজেলো হাসপাতালে ভর্তি  হন।  এর পরদিন তিনি চিকিৎসা ধীন অবস্হায় মৃত্যু বরন করেন। জিয়াউর ইসলাম এর সাথে সু সম্পর্ক  থাকা ইতালীয়ান নাগরিক  জান্নি র সাথে বেশ কিছুদিন যোগাযোগ না থাকায়,  জান্নি জিয়াউর  কে খুজতে থাকে।

সে সময় তিনি জিয়াউর এর বন্ধু আনোয়ার কে খোজ নিতে বলেন ।  বিভিন্ন  স্হানে খোঁজা খুঁজি  করে না পেয়ে জান্নি হাসপাতালে খোজ নিতে গেলে জানতে পারেন ঠিকানা বিহীন  এক জনের মৃতদের  হাসপাতালের মর্গে  পরে আছে।  জান্নি বিষয় টি আনোয়ার কে জানালে ,  আনোয়ার  সাথে সাথে ভেনিসের কমিউনিটি ব্যক্তিত্ব  ও ভেনিস বাংলা স্কুলের সভাপতি সৈয়দ কামরুল সারোয়ার  কে অবহিত  করলে

সৈয়দ কামরুল সারোয়ার  হাসপাতাল মর্গে রাখা  মৃতদের  টি সনাক্ত করেন।  সৈয়দ কামরুল সারোয়ার  জানান হাসপাতালে র গাফিলতির  কারনে দীর্ঘ  এক মাসের বেশী  সময় ধরে মৃতদেহ টি মর্গে পরে আছে।  তিনি যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে বিষয় টি তুলে ধরলে  নানা আলোচনা শুরু হয়,  সৈয়দ কামরুল সারোয়ার  মৃতদের  দেশে

পাঠাতে সহায়তার জন্য মিলানো  কনসুলেট  অফিসে যোগাযোগ করেন।  ইতালীয়ান নাগরিক  জান্নি বলেন,  জিয়াউর বাংলাদেশ কমিউনিটির সাথে তেমন মিশতো না,  তাই বাংলাদেশী রা জানতে পারেনি তার খবর,  জান্নি ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেন আনজেলো হাসপাতাল  কতৃপক্ষের উচিত ছিলো বিষয় টি দূতাবাস ও বাংলাদেশী দের জানানো ।

আজ সকালে  জিয়াউর  এর মৃতদেহ গোসল করান সৈয়দ কামরুল সারোয়ার ,।  আগামী কাল রবিবার  সকাল ১০ টায় নামাজে জানাজা শেষে,  দেশে পাঠানোর প্রকৃয়া শেষ হলে নিজ জন্মভূমি তে পরিবারের  কাছে মৃত দেহ পাঠানো হবে।

উল্লেখ্য  ২০০০ সালের ২০ সেপ্টেম্বর  হতে জিয়াউর  ইতালীতে বসবাস শুরু করে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here