সিরাজদিখানে একটি ব্রীজ সংস্কারের অভাবে এলাকাসীর ভোগান্তি চরমে

১৬ সেপ্টেম্বর ২০১৯, সোমবার, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

মোহাম্মদ রোমান হাওলাদার:

ঝুকিপূর্ণ ব্রীজ (2)সিরাজদিখানে একটি ব্রীজ সংস্কারের অভাবে এলাকাবাসীর ভোগান্তি চরমে পৌঁছেছে। উপজেলার পশ্চিম ইছাপুরা (চালতাতলা) সিরাজদিখান-শ্রীনগর রোডের দক্ষিন পাশে খালের উপর নির্মিত ঢালী পাড়া যাওয়ার ব্রীজটি ভেঙে দীর্ঘদিন যাবৎ অকেজো হয়ে আছে।

এলাকাবাসী ব্রীজটির ভাঙা স্থানে কাঠ এবং বাঁশের মাচা তৈরি করে যাতায়াত করছেন। দীর্ঘদিন ধরে ভাঙা অবস্থায় পরে থাকা ব্রীজটি কর্তৃপক্ষের নজরে আসেনি। ফলে এলাকাবাসীসহ স্কুল মাদ্রাসা পড়–য়া ছাত্রছাত্রীরা ব্রীজটি পারাপার হচ্ছে ঝুঁকি নিয়ে।

স্থানীয়রা জানায়, উপজেলার পশ্চিম ইছাপুরা (চালতাতলা) সিরাজদিখান-শ্রীনগর রোডের দক্ষিন পাশে খালের উপর নির্মিত ঢালী পাড়া যাওয়ার ব্রীজটির একাংশ দীর্ঘ দিন যাবৎ ভেঙে অকেজো হয়ে যাওয়ার ফলে স্কুলের শিক্ষার্থী আসা যাওয়া সহ কৃষকরা তাদের ফসলাদী আনা নেওয়া করতে পারছেন না। চালতাতলা ঢালীপাড়া গ্রামের বাসিন্দারা চাঁদা তুলে কাঠ এবং বাঁশ দিয়ে মাচা তৈরি করে যাতায়াতের উপযুগি করে যাতায়াত করছেন। এলাকাবাসীর দাবী ব্রীজটি যেন দ্রুত সংস্কার করে তাদের ঝুকিহীন চলাচলের উপযোগী করে দেওয়া হয়।

স্থানীয় কাশেম শেখ বলেন, ব্রীজটি ভাঙা থাকার কারণে আমাদের নানান সমস্যা হচ্ছে। আমাদের ছেলে মেয়েরা ঠিক মত স্কুলে যেতে পারছে না। এই ব্রীজটি দিয়ে ঢালীপাড়ার হাজারো মানুষ আসা যাওয়া করে। এটাকে তারাতাড়ি ঠিক করে দিলে আমাদের অনেক উপকার হয়।

স্থানীয় মোঃ শাহিনুর শেখ বলেন, ব্রীজটি তৈরি করার সময় আমরা ঢালী পাড়ার লোকজন ৭০-৮০ টাকা উঠিয়ে দেই। পরে চেয়ারম্যান সাহেব ব্রীজটিকে তৈরি করে দেন। কিন্তু সেটা ভেঙে যাওয়ার পর চেয়ারম্যান সাহেবকে জানাই। তিনি বলেন, তোমরা নিজেরা টাকা উঠিয়ে ঠিক করে নাও। পরে আমি দেখছি। এরপর চেয়ারম্যান সাহেব এ বিষয়ে কোন খোঁজখবর নেননি।

ইছাপুরা ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন হাওলাদার বলেন, ব্রীজটি মূলত আমি এবং এলাকাবাসীর টাকায় নির্মাণ করেছি। ব্রীজটি সংস্কারের পদক্ষেপ নিয়েছি। অতী দ্রুত সংস্কার করে দেওয়ার চেষ্টা করবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here