মুন্সিগঞ্জে পুলিশের শুদ্ধি অভিযান: বিপুল পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রাসহ একজন আটক: অপরজন পালিয়েছে!

২রা অক্টোম্বর ২০১৯, বুধবার, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

????????????????????????????????????

লাইসেন্সবিহীন বিদেশী মুদ্রার অবৈধ ব্যবসার অভিযোগে মুন্সিগঞ্জ জেলা শহরের প্রাণকেন্দ্র কাচারী চত্ত্বরে আলাউদ্দিন স্টোরে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার একটি বিশেষ টিম বিশেষ অভিযান চালায়। এসআই রেজাউল করিমের নেতৃত্বে একটি টিম অভিযান পরিচালিত হয়। অভিযানের সময় বিপুল পরিমাণ বিদেশী মুদ্রাসহ বাংলাদেশী প্রায় সাড়ে পাঁচ লক্ষ টাকা উদ্ধার করে পুলিশ। এ

ঘটনায় পুলিশ মো: শহিদুলকে দোকান থেকেই গ্রেফতার করে। তবে তাঁর ভাই মো: ছানাউল্লাহ পুলিশকে ধাক্কা দিয়ে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয়েছেন।

গোপন সূত্রের খবরের ভিত্তিতে এ অভিযান এখানে পরিচালিত হয়। বিকেল তিনটা থেকে সাড়ে ৪টা পর্যন্ত এ অভিযান এখানে চলে। অভিযান কালীন সময়ে এসআই কাজল চন্দ্র সাহা, এসআই রেজাউল, এসআই দেবাশিষ এবং কনস্টেবল রাসেল এর সাড়াশি অভিযানে বিপুল পরিমাণ অবৈধ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার করেন।

তবে কি পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রা উদ্ধার হয়েছে তাৎক্ষনিকভাবে তা স্পষ্ট করতে পারেননি অভিযানে নেতৃত্বদানকারী এসআই রেজাউল করিম। সঠিক হিসাব না করা হলেও স্পট থেকে চারজন সাক্ষীর সাক্ষর গ্রহণ করে পুলিশ। মুন্সিগঞ্জ থানায় বৈদেশিক মুদ্রার হিসাব করা হবে বলে জানিয়ে শহীদুলকে আটক করে মুন্সিগঞ্জ থানায় নিয়ে যায় পুলিশ।

এ সময় দোকানের মূল মালিক মোঃ শহীদুল এবং তার সহোদর মো: ছানাউল্লাহকে আটক করা হলেও পুলিশের হাত থেকে ছানাউল্লাহ রহস্যজনকভাবে পালিয়ে যায়। ছানাউল্লহ পালিয়ে যাওয়ার ঘটনায় এসআই কাজল চন্দ্র সাহা, এসআই দেবাশিস এবং

কনস্টেবল রাসেল মুন্সিগঞ্জ শহর জামে মসজিদ মার্কেটের ৪৫নং দোকানের কর্মচারী এবং মালিকদের প্রতি চড়াও হয় এবং আটকের চেষ্টা করে। পরবর্তীতে মার্কেটে গোলযোগ সৃষ্টি হওয়ায় উৎসুক জনতার মধ্যেও আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে।

এ অভিযানের বিষয়ে মুন্সিগঞ্জ সদর থানার এসআই রেজাউল করিম জানান, অনেক দিন যাবৎ আলাউদ্দিন স্টোরের মালিক লাইসেন্স বিহীন বিদেশী মুদ্রার অবৈধ ব্যবসা করে আসছিল। এমন তথ্যের ভিত্তিতে গতকার মঙ্গলবার বিকেল ৩টার দিকে আলাউদ্দিন স্টোরে অভিযান চালানো হয়। এ সময় দোকান তল্লাশি করে বিপুল পরিমান বৈদেশিক মুদ্রা ও বাংলাদেশী টাকার বান্ডিল উদ্ধার করা হয়।

এ বিষয়ে এসআই দেবাশিষ জানায়, এ টিমের আমি কেই নই। আমাদেরকে এসআই রেজাউল জানানোর পরেই আমরা এক্সা ফোর্স হিসেবে সেখানে গিয়েছি।

মুন্সিগঞ্জ সদর থানার অফিসার ইনচার্জ মোঃ আনিচুর রহমানের সাথে (রাত ৯:৩০ মিনিট এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত) যোগাযোগ করা হলে তিনি জানান, ১৫ থেকে ২০টি দেশের মুদ্রা হওয়ায় সঠিক গণনা করতে বেশ সময় লাগছে। এখন পর্যন্তও বিদেশী মুদ্রার পরিমাণ সঠিকভাবে জানা যায়নি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here