মুন্সিগঞ্জ-টঙ্গীবাড়ীতে বাল্য বিয়ে ঠেকালেন দুই ইউএনও

৩রা অক্টোম্বর ২০১৯, বৃহস্পতিবার, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

unosমুন্সিগঞ্জ জেলায় ১০ শ্রেণির এক ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দিয়েছিলেন ওই জেলার এক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা। পরে ওই ছাত্রীকে নারায়ণগঞ্জে এনে বিয়ে দিতে গেলে এবার নারায়ণগঞ্জের আরেক উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা তা বন্ধ করে দেন। শুধু বাল্যবিয়ে বন্ধই নয়, পরিবারের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণেরও হুঁশিয়ারি দিয়েছেন নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক। এভাবে দুই জেলার দুই উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কঠোর ভূমিকায় স্কুলছাত্রীর বাল্য বিয়ে বন্ধ হলো।

বুধবার দুপুরে নারায়ণগঞ্জ জেলার সদর উপজেলার ফতুল্লায় রামারবাগ এলাকার আবদুর রবের ছেলে বরকত উল্লাহর সঙ্গে মুুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি এলাকার মোক্তার হোসেন শেখের মেয়ে ১০ম শ্রেণির ছাত্রীর বিয়ে দেয়ার প্রস্তুতি চলে।

এমন খবর পেয়ে সেখানে ছুটে যান সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক। সেখানে গিয়ে মেয়েটির বিয়ে বন্ধ করে দেন এবং পরিবারের সদস্যদের বাল্য না দিতে হুঁশিয়ার করে দেন।

এর আগে মুন্সিগঞ্জ জেলার টঙ্গিবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা হাসিনা আক্তার ওই ছাত্রীর বাল্যবিয়ে বন্ধ করে দেন। মুন্সিগঞ্জ জেলায় মেয়েটির বিয়ে বন্ধ করে দিলে ওই মেয়েটিকে নিয়ে এসে নারায়ণগঞ্জের ফতুল্লার রামারবাগ এলাকায় বিয়ের প্রস্তুতি নেন। এর আগে টঙ্গিবাড়ি উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ঘটনাটি নারায়ণগঞ্জ সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তাকে জানান এবং পরে ইউএনও নাহিদা বারিক ঘটনাস্থলে গিয়ে বিয়েটি বন্ধ করে দেন।

সদর উপজেলার নির্বাহী কর্মকর্তা নাহিদা বারিক ঘটনার সত্যতা নিশ্চিত করে বলেন, ঘটনাস্থলে গিয়ে ছেলের পরিবারের সঙ্গেও কথা বলে তাদের বুঝিয়েছি। তারা বিষয়টি বুঝতে পেরে বলেছেন, কোন অপ্রাপ্ত বয়স্ক মেয়েকে তাদের ছেলের বউ করবে না।

ঢাকাটাইমস

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here