পুরাবাজারে ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের অপসারণের কাজ দ্রুত গতিতে চলছে

1মোহাম্মদ সেলিম:

পুরাবাজারে ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের অপসারণ কাজ দ্রুত গতিতে চলছে। তার সাথে সাধারণ মানুষের যাতায়াতে পাল্লাদিয়ে বাঁশের সাঁকোর কাজও চলছে। তবে অস্থীয়ভাবে আপাতত সাধারণ মানুষের চলাচলের জন্য খালের উপর দু’টি ইঞ্জিনচালিত ট্রলার পাশাপাশি রাখা হয়েছে।

তবে তাতে ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের কারণে সাধারণ মানুষের দুর্ভোগ ক্রমাগত বেড়েই চলেছে।এক্ষেত্রে অনেকের অভিযোগ হচ্ছে, অসুস্থ্য রোগিদের নিয়ে এখন এ পথে কোনভাবেই চিকিৎসার জন্য যাওয়া যাচ্ছে না।

2কারণ হচ্ছে খালের দু’পার নীচ থেকে ওপর অনেক উপরে। এখান দিয়ে নারী ও শিশুরা তেমনটা চলাচল করতে পারছে না। বৃদ্ধলোকদের অনেকটাই অসুবিধার মধ্যে পড়তে হচ্ছে।

ভারি মালামাল নিয়েও যাতায়াতে দেখা দিচ্ছে সমস্যা। ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের কারণে এ পথের বাসচলাচল সম্পূর্ণভাবেই বন্ধ হয়ে গেছে। মিশুকসহ অন্যান্য ছোট ছোট যানবাহন ঘুর পথে বাঘিয়া বাজার হয়ে দীঘিরপাড় যাচ্ছে কোন রকমে। গতকাল সোমবার সরেজমিনে পুরাবাজারের ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের কাছে গেলে এমন দৃশ্যে চোখে পড়ে এ প্রতিবেদকের কাছে। ভেঙ্গে যাওয়া বেইলি ব্রিজের স্টিলের অংশ ইতোমধ্যে খালের উপর থেকে সরিয়ে ফেলা হয়েছে।

কয়েকদিনের মধ্যেই এ ভাঙ্গা সেতুর কাজ শেষ হবে বলে এখানকার শ্রমিকরা দাবি করেছেন। গ্যাস সিলিন্ডারের মাধ্যমে ভাঙ্গা সেতুর অংশ কেটে কেটে সরিয়ে ফেলা হচ্ছে। কবে লাগাদ এখানে স¤পূর্ণ সেতু নির্মিত হবে তা

3সময়ের ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। এ পরিস্থিতি সাময়িকভাবে সামাল দিতে এ পথে বাঁশের সাঁকো নির্মিত হচ্ছে অস্থায়ীভাবে। ইতোমধ্যে বাঁশের সাঁকোর কাজ অর্ধের মতো হয়েছে।

আরো কয়েকদিন লাগতে পারে বাঁশের সাঁকোর কাজ শেষ হতে। এ সড়ক পথটি খুবই গুরুত্ব পূর্ণ। সড়ক পথে গুরুত্ব থাকায় এ পথে একাধিক পাকা বড় বড় সেতু ইতোমধ্যে নির্মিত হয়েছে। সেই সেতুগুলোতে অনাসায়ে দুটি

বাস পারাপার হতে পারে। এ পথে ভেঙ্গে যাওয়া সেতুটি শুধুমাত্র বেইলি ব্রিজ হিসেবে ছিল। অনেকদিন ধরেই এ সেতুটি আগের সেতুর অনুপাতে এখানে যেন পাকা সেতু নির্মিত হউক এ দাবি জোরে উঠে ছিলো। কিন্তু রহস্যজনক কারণে এখানে পাকা সেতু নির্মিত হচ্ছিলো না।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here