মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া ফেরিঘাটে নৌকা পারাপারে যাত্রীরা জিম্মি

1মোহাম্মদ সেলিম ও তোফাজ্জ্বল হোসেন:

মুন্সীগঞ্জ-গজারিয়া ফেরিঘাট এলাকায় মেঘনা নদী পাড়ি দিতে ইঞ্জিন চালিত নৌকার মালিকরা যাত্রীদের কাছ থেকে নদী পারাপারের নামে হাতিয়ে নিচ্ছে বিশ টাকা করে। অতিরিক্ত টাকা যাত্রীদের কাছ থেকে নিয়ে এখানকার নৌকার মালিকরা রাতারাতি বড়লোক হয়ে যাচ্ছে বলে শোনা গেছে। এখানকার নৌকার মালিকদের কাছে বর্তমানে এ পথের পারাপারের যাত্রীরা অনেকটাই জিম্মি হয়ে পড়েছেন। মেঘনা নদী পাড়ি দিতে এ পরিমাণ টাকা লাগার কথা না যাত্রীদের। যাত্রী পারাপারে মনগড়া ভাড়া আদায় করা হচ্ছে এখানে।

এইটুকু নদী পাড়ি দিতে সর্বচ্চো ৫ টাকা ভাড়া হওয়ার কথা ছিল। কিন্তু এখানে জন প্রতি যাত্রীদের কাছ থেকে বিশ টাকা করে নেয়া হচ্ছে। নদীর দুই পাড়ে কোন যাত্রী ছাউনি নেই। বৃষ্টি হলে যাত্রীদেরকে তখন ভিজতে হয়। আর এই পরিস্থিতে যাত্রীদেরকে রোদে শুকাতে হয়। ঘাট থেকে নৌকা ছাড়ার পর প্রকৃতির নিয়মে যদি মাঝ নদীতে ঝড় বৃষ্টি নেমে পড়ে তবে বিড়ম্বনা আরো বেড়ে যায় এ পথে।

তখন কাক ভিজা হয়ে যাত্রীদেরকে গন্তব্যে পৌঁছতে হয়। যাত্রীদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ হাতিয়ে নিয়ে কোন সেবা দিচ্ছে না এখানকার নৌকার মালিকরা। এদিকে ১০ জন যাত্রী না হলে এখান থেকে নৌকা ছাড়া হয় না গন্তব্যেও উদ্দেশ্যে। কম যাত্রী নিয়ে নৌকা ছাড়া হলে সে সময়ে যাত্রীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে আদায় করা হয়।

সন্ধ্যার পর থেকে যাত্রীদের কাছ থেকে ৩০ টাকা করে না দিলে এখান থেকে নৌকা ছাড়ে না তারা। এদিকে রাত ৮টার পর জরুরী প্রয়োজনে কেউ নদী পাড়ি দিলে প্রকারভেদে ৩শ’ থেকে ৪শ’ টাকা করে আদায় করা হচ্ছে এখানে। এ বিষয় গুলো দেখার কেউ নেই এখানে। এ বিষয়ে এ পথের যাত্রীরা সরকারের উর্ধ্বতন কতৃপক্ষের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here