মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া ফেরিঘাটে যাওয়ার রাস্তাটির নির্মাণ কাজ শেষ হচ্ছে না

2নিজস্ব প্রতিবেদক:
মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া ফেরিঘাট এলাকা যাওয়ার জন্য মুন্সীগঞ্জ পৌরসভা অংশের রাস্তার নির্মাণ কাজ এখনো শেষ হয়নি বলে খবর পাওয়া গেছে। প্রথম দিকে কিছুটা রাস্তার নির্মাণ কাজ জোরেসোরে শুরু হলেও বর্তমানে তা ধীরগতিতে চলছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন। ফলে এ পথে যাতায়াতে চলাচলকারীরা নানাভাবে অসুবিধার মধ্যে রয়েছে।

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার যোগিনীঘাটের পূর্বপাড়ের সেতুর অংশ থেকে জনৈক ডাক্তারের বাড়ি পর্যন্ত রাস্তাটি হচ্ছে পৌরসভা অংশের জায়গা। সেখান থেকে এ রাস্তার নির্মাণ কাজ শুরু হয়েছে। কিন্তু রাস্তার নির্মাণ কাজ এখনো কোনভাবেই শেষ হচ্ছে না। এদিকে এ পথের একটি অংশের রাস্তা পড়েছে সোনারগাঁ উপজেলার বৈদ্যারগাঁও ইউনিয়নের চরকিশোরগঞ্জ এলাকা। সেখানকার অংশের জায়গাটি সওজ নারায়নগঞ্জের আওতায় রয়েছে। তারা তাদের অংশের রাস্তাটি ইতোমধ্যে পিচের কাপেটিংয়ে নির্মাণ কাজ শেষ করেছে।

তবে চরকিশোরগঞ্জ প্রধান বাজারের কাছে বেইলি সেতুর অংশের এ্যাপ্রোচের রাস্তাটি এখনো নির্মাণ কাজ ধরা হয়নি কোনো ভাবেই। ফলে এ পথে বর্তমানে যানবাহন চলাচলে বিঘ্ন ঘটছে বলে এ পথে চলাচলকারী অভিযোগ করেছে। এ পথে এক সময়ে ভারি যানবাহন চলাচল শুরু হলে তখন এটি নির্মাণ কাজ করা অনেকটাই দুস্কর হয়ে পড়বে বলে এখানকার মানুষেরা মনে করছেন।

জানা যায়, মুন্সীগঞ্জ গজারিয়া ফেরিঘাটে ফেরি চলাচলের জন্য এখানে এর আনুষ্ঠানিকভাবে উদ্বোধন করে প্রধান মন্ত্রী শেখ হাসিনা। এর পরপরই এখানে দুই অংশের রাস্তা বর্ধিত করে নির্মাণ কাজ শুরু হয়। তার ধারাবাহিকতায় সওজ নারায়নগঞ্জ তাদের অংশের নির্মাণ কাজ ইতোমধ্যে শেষ করেছে।

বাকি অংশটি রয়েছে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার আওতায়। তাদের অংশের রাস্তাটি নির্মাণ কাজ শেষ হলে এ পথের রাস্তাটি নির্মাণে পূণাঙ্গ রূপ পাবে বলে এখানকার অনেকেই মনে করছেন। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার অংশের দুই পাশের রাস্তাটি আগের তুলনায় অনেকটাই বর্ধিত করা হয়েছে।

মাটির কাজ শেষ করে সেখানে ইতোমধ্যে পাথরের সুরকির কাজ সমাপ্ত করা হয়েছে বেশিরভাগ এলাকায়। মাঝে মধ্যে যেটুকু কাজ বর্তমানে বাকি রয়েছে তা শেষ করা হলে তবেই পিচের কাপেটিংয়ের কাজ ধরা হবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

এদিকে মেঘনা নদীর ওপারে গজারিয়া উপজেলার অংশের ফেরি চলাচলের উপযোগি করে ভারি যানবাহনের সবটুকু বর্ধিত রাস্তার নির্মাণ কাজ অনেক আগেই শেষ করা হয়ে গেছে। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার বাকি অংশের কাজ শেষ হলেই এ পথ দিয়ে ফেরি পারাপারে সকল ধরণের যানবাহন খুব সহজেই চলাচল করতে পারবে বলে অনেকেই মনে করছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here