রামপালে পরিকল্পিত পুকুর দূষণের অভিযোগ

1614075243401মো. নাজির হোসেন
মুন্সীগঞ্জে পরিকল্পিত পুকুর দূষণের অভিযোগ উঠেছে। বাঁধা প্রদান করেও থামানো যাচ্ছে না  পুকুর দুষণকারীদের। প্রায় দুই শতাধিক লোক ব্যবহার করতে পারছে না পুকুরটি। মাছ চাষও বন্ধ রয়েছে । এমন কি স্হানীয় মেম্বার পুকুরে ময়লা ফেলার নিষেধ করলেও তারা দুষণ করে চলছে দিনের পর দিন।
মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার রামপাল ইউনিয়নের শাঁখারীবাজার গ্রামের দৌলত ভূইয়ার পুকুর এটি। স্হানীয়দের কাছ থেকে যানাযায়, এই পুকুর কয়েক শত বছরের পুরনো একটি পুকুর। ঐতিহ্য রয়েছে পুকুরের। এই পুকুরের দক্ষিণে গোরস্তান, পশ্চিম রাস্তাসহ বাড়ি ও উত্তরে ঘরবাড়ি এবং পূর্বে পাশে নতুন ঘরবাড়ির অবস্থান রয়েছে। পুকুরের পশ্চিম ও উত্তর পাড়ে ৪ টি পাকা ঘাটলা রয়েছে।
এখন ব্যবহারের অনুপযোগী। ময়লা, নিষিদ্ধ পলিথিন ও পয় নির্শ্কাশনের লাইন থাকায় এ অবস্হা! উওর ও পশ্চিম পাড়ের লোকজন বলছে পূর্ব পাড়ে নতুন বাড়িঘরের লোকজন ইচ্ছে করে পুকুটিকে নষ্ট করছে।
সরেজমিনে দেখা যায়, পুকুরের ভাসছে নিষিদ্ধ পলিথিন, পানির বোতল ও আবর্জনা। কোথাও একটু ফাকা নেই। পশ্চিম ও উত্তর পাড়ে চারটি ঘাটলা। একজন গৃহকর্মী উত্তর পাড়ে কালো পানিতে হাঁড়ি পাতিল ধোঁয়ার কাজ করছে। পূর্ব পাশে পাইপ দিয়ে পয়ঃনিষ্কাশন পানি পরছে।
এলাকার মো. আবু তাহের (৩৫) বলেন, আমরা সবসময় এই পুকুরে গোসল করতাম। বাড়ির সকল পানির কাজ পুকুরে করা হতো। পূর্ব পাশের নতুন বসতির লোকেরা ময়লার পাইপ পুকুরে দেয়ার কারণে। এখন আর পুকুর ব্যবহার করতে পারছি না। আমরা পুকুরের অবস্থান আগের মতো ফিরে পেতে চাই।
পুকুরের উত্তর পাড়ের শাহনাজ বেগম (৪৫) জানান, পূর্ব পাড়ের বাসিন্দা শ্যামল,আওলাদ,জুম্মন, জনি ও জামাল হোসেনদের বাড়ি হতে ময়লা ও বর্জ ফেলার কারণে এখন ব্যবহার করতে পারছি না পুকুর। দুই, একটি পরিবার এখনো হাঁড়ি পাতিল এখানে ধোঁয়া কাজ করেন। সবাই করতে পারছে না ময়লা, কালো পানির জন্য।
এদিকে,জামাল হোসেন বলেন, অন্যরা পাইপ দেয়ার কারণে আমি গত ১ বছর আগে বাথরুমের পাইপ দেই পুকুরে। শিকার করে বলেন আমাদের পূর্ব পাশের লোকজনই পুকুর দূষণে বেশি দাই। আগামী এক সপ্তাহের মধ্যে পাইপের লাইন বন্ধ করে দিবো আমি।
রামপাল ইউনিয়ন পরিষদের মেম্বার আব্দুল করিম জানান, আমি মৌখিক ভাবে বেশ কয়েক বার তাদের নিষেধ করেছি।যেন তারা পাইপ গুলো সরিয়ে নেয়। কথা শুনেনি আমার। বিষয়টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান অবগত আছেন।
মুন্সীগঞ্জ পরিবেশ অধিদপ্তরের উপ-পরিচালক মো. নয়ন মিয়া বলেন, পয়ঃনিষ্কাশন, ময়লা আবর্জনা ফেলায় দূষণ এগুলো স্হানীয় প্রশাসন দেখবেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here