মুক্তারপুরে জালি বেড়া কেটে জমজমাট হোটেল ব্যবসা

মুক্তারপুরে জালি বেড়া কেটে জমজমাট হোটেল ব্যবসামো. নাজির হোসেন:
মুন্সীগঞ্জের মুক্তারপুরে বাংলাদেশ-চীন মৈত্রী সেতু-৬ (মুক্তারপুর সেতু) এর নিচের দক্ষিণ অংশে নিরাপত্তা লোহার জালি কে বা কাহারা কেটে ফেলেছে বলে অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনাটি একে অন্যের ওপর দোষ

চাপিয়ে এখান থেকে পার পেতে চেষ্ঠা করছে বলে শোনা যাচ্ছে। এখানে একাধিক পয়েন্টে জালি কেটে ফেলার পরও কর্তৃপক্ষের কোন টনক নড়ছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। এটি দেখভালোর দায়িত্বে রয়েছে একটি প্রতিষ্ঠান। তাঁরা সঠিকভাবে কাজ না করায় এমনটি ঘটছে এখানে প্রতিনিয়ত। এখানকার একটি প্রভাবশালী মহল

এ সব ঘটনার সাথে জড়িত বলে অনেকেই অভিযোগ তুলে ধরেছেন। আর তাদের পক্ষের একটি অংশের লোকজনরা এখান থেকে ভাসমান দোকান থেকে চাঁদাবাজি করে বলে শোনা যাচ্ছে। আর এসব নানা কারণে

সেই সুযোগে এখানে গড়ে উঠেছে জমজমাট একাধিক ভাসমান হোটেল। নিরাপত্তা বেষ্টনির জন্য এ জালির বেড়া দেয়া হলেও, কেটে ফেলার জন্য এখন সেই সুবিধা আর নেই।

মুক্তারপুর সেতুর দক্ষিণ পাশের অংশে এ পরিস্থিতি চিত্র ফুটে উঠেছে। সেতুর প্রথম অংশ দিয়ে সবটুকু জালিই কাটা রয়েছে। যা বর্তমানে ছোটখাটো স্টেডিয়ামের মতো দেখা যাচ্ছে। আর ভাসমান হোটেলের অংশের স্থানে ছোট্ট আকারে জালি কেটে ফেলা হয়েছে। সেই স্থান দিয়ে ভাসমান হোটেলে খাবার খেতে লোকজন প্রতিদিনই ছুটে যায়।

তবে এখানকার গ্রাহকরা সাধারণত গাড়ি চালকরা বেশি পরিমাণ হয়ে থাকেন। এর কারণ হচ্ছে গাড়ির চালকরা স্বল্প সময়ের মধ্যে হাতের কাছে যে খাবার পায় তাই তারা খেয়ে নেন। তবে অনেকেই এখানে বিপুল অর্থ ব্যয়

করে ভালো মানের হোটেল খুলে বসেছেন। কিন্তু সেতুর জালি কেটে ভাসমান হোটেল চালু থাকায় সেই হোটেল ব্যবসায়িরা বর্তমানে লোকসানের মুখে পড়েছে বলে অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে।

এছাড়াও সেতু এলাকায় সড়কের পাশে, যত্রতত্র ভাবে একাধিক ভাসমান দোকানপাট গড়ে উঠেছে। যেভাবে এখানে দিনের পর দিন দোকানপাট গড়ে উঠেছে তা দেখলে মনে হবে যেন এটি দেখার কেউ নেই।

ভাসমান হোটেল মালিক আমজাদ হোসেন জানান, এখানে আমরা আলগা হোটেল চালাচ্ছি। অনুমতি প্রসঙ্গে বলেন, এ বিষয়ে এখানে কারো অনুমতি নিতে হয় নি আমাদের। আমরা তেরপাল, বাঁশ ও কাপড় দিয়ে দোকান তৈরি করেছি। আমরা এখনকার কাঁটা তাঁর কাটি নাই। আমার দোকান ছাড়াও এখানে আরও দোকান আছে।

এ ব্যাপারে ব্রীজ অথরিটির উপ-সহকারী প্রকৌশলী রাজন চন্দ্র বিশ্বাস বলেন, এই বিষয় টা আমার জানা নেই। এই কাজ যদি কেউ করে থাকে। তাহলে ব্যবস্থা নেয়া হবে। নিরাপত্তা বেস্টনী কাঁটা হলে প্রয়োজনে মামলা করবো।

আরও জানান, হোটেল যে অংশে গড়ে উঠেছে তা (বিসিক) এর জমি। বিষয়টি বিসিকের জমি ধুয়া তুলে এ কর্র্তৃপক্ষ নিজ দায়িত্ব থেকে সওে যাচ্ছেন বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন।

বিসিকের উপ-পরিচালক মো. আব্দুল্লাহ্ বলেন, এখানে আমাদের এক বা দেড় মাসের মধ্যে ভবন নির্মাণের কাজ শুরু হবে। হোটেল নির্মাণে কাউকে এখানে অনুমতি দেয়া হয় নি। আমরা উচ্ছেদের ব্যবস্থা নিচ্ছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here