সিরাজদিখানে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলন

সিরাজদিখানে মিথ্যা মামলায় হয়রানীর প্রতিবাদে সংবাদ সম্মেলনআরিফ হোসেন হারিছ :
সিরাজদিখানে ভূমি নিয়ে প্রতারণা, টাকা আত্মসাৎ ও মিথ্যা মামলা দিয়ে হয়রানী থেকে রক্ষা পেতে সংবাদ সম্মেলন করেছে একটি পরিবার। সিরাজদিখান প্রেসক্লাব মঙ্গলবার ২৩শে মার্চ দুপরে সংবাদ সম্মেলন করেন উপজেলার ইছাপুরা গ্রামের হাজী মো. খলিল হাওলাদারের ছেলে মৎস্যচাষী মো. আব্দুল কুদ্দুস হাওলাদার
(৫২)। তিনি তার প্রয়োজনীয় কাগজপত্র দাখিল করেছেন। এ সময় তার পরিবারের সদস্যসহ প্রেসক্লাবের সাংবাদিকবৃন্দ উপস্থিত ছিলেন।
সম্মেলনে আব্দুল কুদ্দুস তার বক্তব্যে বলেন, তিনি দীর্ঘ ৪ বছর যাবৎ হয়রানী হয়ে আসছেন একই গ্রামের মৃত মতিউর রহমানের মেয়ে মরিয়ম আক্তার (৫৫) এর প্রতারণায়। এলাকার চেয়ারম্যান ও গণ্যমান্যদের মাধ্যমে গত ২ বছর ৮/১০ বার সালিশেও কোন লাভ হয় নাই।
পুকুরসহ ৮১ শতাংশ জমি দেওয়ার কথা বলে ৩৩ লাখ টাকা হাতিয়ে নিয়ে সরকারের সম্পত্তি লিখে দেয়। পরে ঝামেলা হলে টাকা ফেরৎ দেওয়ার জন্য ২৪ লাখ টাকার চেক দেয়। চেকে টাকা না পেয়ে মহিলার বিরুেদ্ধ তিনি আদালত মামলা করেন। সালিশগনের মাধ্যমে ২৫ শতাংশ জায়গা মেপে ৬ টি খুঁটি দিয়ে সিমানা দেন,
সেই জায়গায় ঘর তুলতে গেলে মরিয়ম মামলা করেন। মিথ্যা মামলা, মিথ্যা তথ্য দিয়ে বিভিন্ন মাধ্যমে মানহানী করেছে মরিয়ম ও তার ছেলে ফাহিম। তাদের টাকা দিয়ে উপকার করে আজ নানা ভাবে হয়রানী হচ্ছি এ থেকে কিভাবে পরিত্রান পাবো। কারণ তারা কাউকে মানেনা, এমনাটা বলেন আব্দুল কুদ্দুছ।
এ ব্যাপারে মরিয়ম আক্তারের ছেলে ফাহিম হোসেন (২৪) জানান, আমাদের সরলতার সুযোগে সে এসব করছে। তার নিকট আমরা কোন সরকারি জমি বিক্রি করি নাই। সমিতির মাধ্যমে প্রায় ৭ লাখ টাকা আমরা নিয়েছি সেটা তাকে দিয়েছি। সে দুটা মামলা করেছে তা চলমান আছে।
চেক দিয়েই তা আমরা ফেঁসে গেছি।
ইউনিয়ন আওয়ামীলীগ সভাপতি মো. সুমন মিয়া জানান, কুদ্দুছ হাওলাদার টাকা পায়, টাকা দিতে না পেরে জমি লিখে দেয়। পরে ঝামেলা হলে মরিয়ম আমাদর কাছে আসে, আমরা ৩৩ লাখের পরিবর্তে কিছু জমি দিতে
বলি তাও দেয় নাই। পরে ইউপি চেয়ারম্যান আব্দুল মতিন হাওলাদার মিমাংসা করে ২৫ লাখ ফেরৎ দিতে বলে তাও দেয় নাই আদালতে মামলা চলছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here