মুন্সীগঞ্জের ডিবি পুলিশের সাফল্যের ঝুড়িতে ৬ বছরের পুরনো হত্যা মামলা উদঘাটন

174192845_905708210282654_2442959319564909425_nমোহাম্মদ সেলিম ও হোসাইন শাহরিয়ার:

২০১৫ সালে সিরাজদিখান উপজেলায় কামারখন্দ গ্রামে নন্দলাল দাসের স্ত্রী সুশিলা রানী দাস নিজে বাদি হয়ে সিরাজদিখান থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন। সিরাজদিখান থানার মামলার নাম্বার হচ্ছে ৪। আর তারিখ হচ্ছে ৫ নভেম্বর ২০১৫। এ মামলার দন্ডবিধি ধারা হচ্ছে ৩০২/৩৪।

মামলাটি সিরাজদিখান থানা পুলিশ দীর্ঘ এক বছরের অধিক সময় ধরে তদন্ত করে মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন। তবে এখানে তথ্যগত ভুল তারিখ উল্লেখ করা হয়। সেই তারিখটি হচ্ছে ২৮/১২/২০১৬।

বিজ্ঞ আদালত মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট গ্রহণ না করে মামলাটি অধিকতর তদন্তের জন্য স্বপ্রণোদিত হয়ে সিআইডি বাংলাদেশ পুলিশকে ৯ মে ২০১৭ তারিখে তদন্তভার অর্পণ করেন।

সিআইডি মামলাটির তদন্তভার গ্রহণ করে দীর্ঘ তিন বছরের অধিক সময় তদন্ত শেষে সিআইডি মামলার চূড়ান্ত রিপোর্ট তথ্যভুল ৬/৯/২০২০ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে দাখিল করেন।

বিজ্ঞ আদালত সিআইডির দাখিলকৃত চূড়ান্ত রিপোর্ট গ্রহণ না করে স্বপ্রণোদিত হয়ে মামলাটি পুনরায় তদন্ত করার জন্য ডি বি মুন্সীগঞ্জের কাছে ৬ জানুয়ারি ২০২১ তারিখে হস্তান্তর করেন।

মুন্সীগঞ্জের ডিবি পুলিশ তিন মাস সময়ের মধ্যে পুলিশ সুপার এর দিক নির্দেশনায় এবং ঊর্ধ্বতন পুলিশ কর্মকর্তাদের নিবিড় তদারকির মাধ্যমে এই অনুদ্ঘাটিত হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উদঘাটন করতে সক্ষম হয়।
সাথে সাথে অত্র মামলার এজাহার নামীয় তিনজন আসামিকে গ্রেফতার করিতে সক্ষম হয়। আসামিদের মধ্য

173968539_3673204666122187_7335092169049685476_nথেকে আসামি সুশীল দাস (৩০), পিতা কালু দাস সাং শেখরনগর মনিপাড়া থানা: সিরাজদিখান জেলা মুন্সীগঞ্জ মামলার ঘটনার সময় সে নিজে হত্যাকাণ্ড ঘটিয়েছে বলে দোষ স্বীকার করেন।

যাহা ১৪ এপ্রিল ২০২১ তারিখে বিজ্ঞ আদালতে কার্যবিধি আইনের ১৬৪ ধারা মোতাবেক দোষ স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি বিজ্ঞ আদালতে প্রদান করেন।

এর ফলে একটি অনুদ্ঘাটিত হত্যা মামলার মূল রহস্য উদঘাটিত হল। সাথে সাথে মামলার ঘটনায় জড়িত প্রকৃত আসামিদের গ্রেপ্তার করা সম্ভব হয়েছে। যাহা মুন্সীগঞ্জ ডিবি পুলিশের একটি অন্যতম সাফল্য।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here