মুন্সীগঞ্জের গ্রামে গ্রামে বিক্রি হচ্ছে জাটকা

IMG_20210418_143608মো.নাজির হোসেন:

মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার মহল্লায় মহল্লায় হেটে হেটে প্রকাশ্য চলছে জাটকা মাছ বিক্রি। এখন শিশু বাচ্চারাও ফেরি করে বিক্রি করছে ঝাটকা। এছাড়া শহরতলীর ছোট ছোট বাজারেও বিক্রি হচ্ছে ঝাটকা। এতো ঝাটকা আসে কোথা থেকে তা নিয়ে এখন প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। অনুসন্ধানে দেখা গেছে, কতিপয় বিশেষ ব্যক্তিদের মারফত বিক্রির লক্ষ্যে গ্রাম গঞ্জে ছড়িয়ে দেয়া হচ্ছে এ ঝাটকা মাছ।

সরকারিভাবে নিষেজ্ঞা থাকলেও অবাধে চলছে জাটকা কেনা বেচা। এভাবে চলতে থাকলে এ বিষয়ে সরকারের লক্ষ্য অর্জন না হওয়ার সম্ভাবনা রয়েছে বলে অনেকেই অভিমত প্রকাশ করেছেন।

মুন্সীগঞ্জ নদী বেষ্টিত এলাকা হওয়ায় নদী হতে জাটকা ধরে সহজেই বিক্রি করতে পারছে জেলেরা। মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা পূর্ব পাশে মেঘনা ও দক্ষিণ পাশে পদ্মা নদী হওয়ায় ইলিশ প্রজননের এই মৌসুমে ব্যাপক হারে জেলের জালে ধরা পরছে জাটকা।

অবৈধ কারেন্ট জাল দিয়ে অবাধে নিধন করা হচ্ছে এ সমস্ত জাটকা। কঠোর নিষেধাজ্ঞা থাকা সত্ত্বেও আইন শৃংখলা বাহিনীকে বৃদ্ধাআঙুল দেখিয়ে জাটকা নিধন চলছেই। স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জাটকা মাছ মুন্সীগঞ্জ সদরের কালীরচর, বকচর, চর আবদুল্লাহ, ঝাপটা ও চর ঝাপটা গ্রামের জেলেরা বেশি নিধন করে থাকেন।

এছাড়া ওই এলাকায় ইঞ্জিন চালিত ট্রলারে করে পাশের জেলা চাঁদপুর হতেও জাটকা ইলিশ মাছ আসছে অবাধে। আর এ সমস্ত জাটকা স্থানীয় সিন্ডিকেটের মাধ্যমে এখন জেলা সদরে প্রকাশ্য ২০০ থেকে ২৫০ টাকা কেজি দরে বিক্রি হচ্ছে।

সরেজমিন দেখা গেছে, জাটকা মাছ বিক্রি হচ্ছে মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ, দেওভোগ, পশ্চিম দেওভোগ, নয়াপাড়া ও বৈখর এলাকায়। বিক্রেতা মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার চর ঝাপটা গ্রামের মামুন জানান,

আমরা ১০০ থেকে ১৫০ টাকা কেজি ধরে কিনে আনি। আগে পাতিলে করে বেচলেও এখন ফলের কেড করে ভরে বিক্রি করি। সে আরো জানায় আমাদের গ্রামের আশে পাশের জেলেরা জাটকা মাছ ধরে ও কিছু জাটকা চাঁদপুর হতে আমাদের কাছে আসে।

এ বিষয়ে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা মৎস কর্মকর্তা মো. টিপু সুলতান বলেন, আমরা দেখবো বিষয় টি। জাটকা মাছ নিধন ও বেচাকেনা কঠোর ব্যবস্থা নিবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here