অভিনেতা খান জয়নুল বিক্রমপুরের সন্তান (ভিডিওসহ)

feb30_3e2793f9a9_longসানজিদা তামি:
ঢাকায় যখন সিনেমা নির্মাণ শুরু হয়, সেই সময় থেকেই খান জয়নুল অভিনয়ের সাথে যুক্ত হন। একেবারে সাদাকালো রূপালি দিনের অভিনেতা তিনি। তবু সাবলীল অভিনয়ে এখনো তিনি উজ্জ্বল হয়ে আছেন ঢালিউডের ইতিহাসে। তিনি খান জয়নুল। ঢাকাই সিনেমার অন্যতম কৌতুক অভিনেতা।

download (1)৪ জুলাই খান জয়নুল এর জন্মদিন। ১৯৩৬ সালের এই দিনে তিনি মুন্সীগঞ্জের লৌহজং উপজেলার রানাদিয়া গ্রামে জন্মগ্রহণ করেন। তিনি শুধু কৌতুক অভিনেতাই ছিলেন না। তিনি নাট্যকার ও কাহিনীকার হিসেবেও রুপালি জগতে আলো ছড়িয়েছেন।

খান জয়নুলের অভিনয় জীবন শুরু হয় কলকাতা থেকে। দেশভাগের সময় তিনি কলকাতায় গিয়ে ছোটখাটো বিভিন্ন চরিত্রে অভিনয় করেন। এরপর তিনি ঢাকায় ফিরে আসেন এবং থিয়েটারে অভিনয় শুরু করেন। যখন চলচ্চিত্র উন্নয়ন কর্পোরেশন বা এফডিসি প্রতিষ্ঠিত হয়, তখন তিনি সিনেমার সাথে সক্রিয়ভাবে যুক্ত হন।

downloadনায়ক রাজ রাজ্জাক অভিনীত ‘১৩ নং ফেকু ওস্তাগার লেন’ সিনেমার কাহিনীকার ছিলেন খান জয়নুল। পাশপাশি এ ছবিতে অভিনয় করেন তিনি। এছাড়া গুণী এই ব্যক্তি কিছুদিন সাংবাদিকতা করে ছিলেন সিনে পত্রিকা ‘পূবালীতে।

খান জয়নুল তার ক্যারিয়ারে অভিনয় করেছেন অর্ধশত সিনেমায়। এর মধ্যে রয়েছে ‘সুতরাং’, ‘কাঁচকাটা হীরে’, ‘সন্তান’,। ‘পদ্মানদীর মাঝি’, ‘দর্পচুর্ণ’, ‘সপ্তডিঙ্গা’, ‘মিশর কুমারী’, ‘অন্তরঙ্গ’, ‘মাটির মায়া’, ‘অশান্ত ঢেউ’, ‘দিনের পর দিন’, ‘ স্মৃতি তুমি বেদনা’, ‘ময়নামতি’, ‘সাইফুল মুলুক বদিউজ্জামান’, ‘গোপাল ভাঁড়’, ‘মধু মিলন’, ‘ডাক পিয়ন’ ইত্যাদি।

১৯৮০ সালে গাফফার খান পরিচালিত ‘দিওয়ানা’ ছিল খান জয়নুল অভিনীত সবশেষ ছায়া ছবি। ১৯৭৮ সালের ১৫ জানুয়ারি খান জয়নুল মৃত্যুবরণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here