শ্রীনগরে রাঢ়ীখালে পানি প্রবাহ বন্ধ করে রাস্তা নির্মাণ!

175970380_783545688879899_2255379821858111991_nনিজস্ব প্রতিবেদক : শ্রীনগর উপজেলার রাঢ়িখাল ইউনিয়নের বানিয়া বাড়িতে একটি গুরুত্বপূর্ণ জলাশয়ে বাঁধ দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। ব্যক্তিগত ওই রাস্তা নির্মাণের কারণে পানি নিস্কাশনের জায়গাটি বন্ধ হয়ে গেছে।

এতে করে যেকোন সময়ে পানি নিস্কাশন হতে না পেরে জলাবদ্ধতাসহ বন্যার আশঙ্কা করছে এলাকাবাসী। ওই এলাকার জমির মুন্সীর পুত্র মো. হারিছের বিরুদ্ধে অবৈধভাবে দৃশ্যমান খালটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণের অভিযোগ উঠে। সরেজমিনে দেখা গেছে,

দৃশ্যমান খালে মাটি ভরাট করে রাস্তা নির্মাণ করা করা হয়েছে। শারমিন মহল নামে একটি ২তলা ভবনে যাতায়াতের জন্য বিল্ডিং জলাসয়টির ওপর দিয়ে দক্ষিণ-উত্তর মুখী করে ৩০/৪০ ফুটের একটি রাস্তা নির্মাণ করা হয়েছে। রাস্তাটি এখন ইট সলিংয়ের অপেক্ষায় আছে।

বাঁধের দুই পাশে পানি চলাচলে বাঁধাগ্রস্থ হয়ে পরেছে। এলাকাবাসী এটিকে বানিয়া বাড়ি খাল হিসেবে জানেন। খালটির পূর্ব দিকে আড়িয়াল বিলের কলাগাচ্ছিয়া ও পশ্চিম দিকে নাগরনন্দিসাথে সংযোগ হয়েছে জানায় তারা। স্থানীয়রা জানায়, হারিছের রাস্তার কারণে এই এলাকার পানি নিস্কাশনের স্থানটি বন্ধ হয়ে গেছে। সামান্য বৃষ্টি কিংবা বন্যায় এলাকায় জলাবদ্ধতা ও বন্যার আশঙ্কা করছেন।

এখানকার কৃষি জমিগুলো হুমকির মুখে পরেছে। এবিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সুদৃষ্টি কামনা করেন তারা। অপর একটি সূত্র জানায়, একই এলাকার নিয়ামত মুন্সীর পুত্র সবুজ নামে এক ব্যক্তির কাছ থেকে ১ শতাংশ জায়গা হারিছ খরিদ করে।

এর আগেও হারিছ এখানে রাস্তা নির্মাণ করতে গিয়ে স্থানীয়দের চাপে ব্যার্থ হয়। কিছুদিন আগে হারিছ তরিঘরি করে জলাশয়ের ওপর দিয়ে রাস্তা নির্মাণ করতে গেলে স্থানীয়রা পুনরায় প্রশ্ন তোলে। এসময় হারিছ সবুজের কাছ থেকে ক্রয়সূত্রে মালিকের দাবী করেন।

এনিয়ে জনমতে প্রশ্ন উঠে। জানা যায়, রাঢ়িখাল মৌজায় এসএ ১৪৪ ও আরএস ১২০৬নং দাগের সম্পত্তি হারিছ মালিকানা দাবী করছেন। সবুজের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি বলেন, আমি জায়গা বিক্রি করেছি এটা সত্য। তবে আমি তো খাল ভরাট করতে বলিনি।

আমি ওই জায়গা বিক্রি করি নাই। অভিযুক্ত হারিছের কাছে এবিষয়ে জানতে চাইলে তিনি দম্ভ করে বলেন, তার মালিকানা সম্পত্তিতে যা ইচ্ছ তাই করবেন এতে কার কি? এব্যাপারে রাঢ়িখাল ভূমি সহকারী কর্মকর্তা মো. ওহিদের কাছে জানতে চাইলে তিনি এলো মেলোভাবে উত্তর দেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here