রাজশাহীতে হোটেলে নিয়ে গিয়ে প্রেমিকাকে ধর্ষণ, প্রেমিক আটক

mnews-groupমাসুদ রানা রাব্বানী:

রাজশাহীর পুঠিয়ায় কৌশলে আবাসিক হোটেলে ডেকে এনে (১৮) এক প্রেমিকাকে ধর্ষণ করেছে প্রেমিক। পরে ওই প্রেমিকাকে হোটেলে রেখে পালিয়ে যাওয়ার সময় তাকে আটক করে প্রেমিক যুগলকে বেলপুকুর থানা পুলিশে দিয়েছে স্থানীয়রা। পরে বেলপুকুর থানা পুলিশ তাদের পুঠিয়া থানায় হন্তান্তর করেন।

ভুক্তভোগির পরিবারের অভিযোগ আটকের প্রায় একদিন পার হয়ে গেলেও রহস্যজনক কারণে পুলিশ মামলা নিচ্ছেন না।

আটককৃত প্রেমিকের নাম শ্রী সুনিল কুমার (২২)। সে জামালপুর জেলার সদর থানার বজরামপুর এলাকার হরিজন পল্লীর বাসিন্দা। ভুক্তভোগী প্রেমিকাও (১৮) একই পল্লীর বাসিন্দা।

ভুক্তভোগি ওই প্রেমিকা বলেন, ঈদের দিন তারা রাজশাহী মহানগর এলাকায় এক আত্মীয়র বাড়ি বেড়াতে আসছিল। পথে পুঠিয়া উপজেলার বানেশ্বর বাজারে অবস্থিত একটি আবাসিক হোটেলে তারা স্বামী-স্ত্রী পরিচয়ে রাত যাপন করে। ওই রাতে সুনিল তাকে একাধিকবার ধর্ষণ করেছে বলে জানায় ভুক্তভোগি। তার সাথে প্রতারণা ও ধর্ষণ করায় এর সঠিক বিচার দাবি করে সে।

পরেরদিন শনিবার (১৫ মে) দুপুরে সুনিল কৌশলে তাকে হোটেলেই ফেলে রেখে পালানোর চেষ্টা করে। বিষয়টি টেরপেয়ে সে পিছু নিয়ে সুনিলকে বেলপুকুর এলাকায় গিয়ে ধরে ফেলে।

ওই তরুণীর পরিবারিক সূত্রে জানাগেছে, কৌশলে সুনিল ওই তরুণীকে নিয়ে পালিয়ে এসেছে। এরপর একটি হোটেলে ওঠে।

সেখানে তাদের শারীরিক সম্পর্ক হয়েছে। পরের দিন সকালে সে তরুণীকে ফেলে পালানোর চেষ্টা করলে ভুক্তভোগি তাকে নগরীর উপকন্ঠ বেলপুকুরে ধরে ফেলে। শুরু হয় দু’জনের মধ্যে ঝগড়া-বিবাদ। এ সময় তরুণীকে কান্নাকাটি করতে দেখে এলাকার স্থানীয় লোকজন তাদের আটক করে পুলিশে দেয়।

এ ব্যাপারে বেলপুকুর থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) আলমগীর হোসেন বলেন, ঘটনা ঘটেছে পুঠিয়া থানা এলাকায়। তাই তাদের স্থানীয় লোকজনদের নিকট থেকে উদ্ধার করে ওই থানায় হস্তান্তর করা হয়েছে।

পুঠিয়া থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) সোহরাওয়ার্দী হোসেন বিষয়টি নিশ্চিত করে বলেন, প্রেমিক যুগলদের গোপনে বিয়ে হয়েছে এমন তথ্য পাওয়া যাচ্ছে।

তবে তাদের পুলিশ হেফাজতে রাখা হয়েছে। আর উভয় পরিবারকে খবর দেয়া হয়েছে। বিষয়টি তদন্তপূর্বক আইনীগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও জানান ওসি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here