টঙ্গীবাড়ীর কামারখাড়ায় প্রাচীন আমলের মঠ (ভিডিওসহ)

IMG_9924মোহাম্মদ সেলিম:

টঙ্গীবাড়ীর কামারখাড়া ইউনিয়নে প্রাচীন আমলের একটি মঠ রয়েছে। এ মঠকে কেন্দ্র করে এ এলাকাটি মঠবাড়ি নামে পরিচিতি লাভ করেছে। এ মঠটি প্রায় ৫শ’ বছর আগে নির্মিত হয় বলে এখানকার বসতিরা দাবি করেছেন। তবে এ মঠটি কে নির্মাণ করে ছিল তা এখনো অজানা রয়ে গেছে। এ মঠের চুড়া দীঘিরপাড়ের পদ্মা নদী থেকে আগে দেখা যেতো।

প্রাচীন বিক্রমপুরে হিন্দু সম্প্রদায়ের লোকজনের বসবাস সবচেয়ে বেশি ছিল। ৫শ’ বছর আগে এ জনপদে শাসন করেছে সুলতানরা। সেই সময়ে এখানকার জমিদাররা ছিলেন মিত্ররা। সেই সময়ে এখানে মিত্রদের প্রচুর জমিজমা ছিল। এখানে জমিদার পথা বিলুপ্তি হলে বিট্রিশ আমলে এখানকার জমি জমা অনেকেই নিলামে কিনে নেয়। তারপর থেকে এখানে মুসলমানের বসতি বাড়তে থাকে। একাধিক ব্যক্তির হাত বদলে এখানকার জমিজমা অনেকের নামে নামজারি হয়ে যায়। তাতে হারিয়ে যায় এখানকার মঠের প্রধান ইতিহাস।

ইতোমধ্যে ভূত্ববিদরা এ মঠটি পরিদর্শন করে গেছেন বলে এখানকার সাবেক মেম্বার বিষু জানিয়েছেন। এ মঠটি অনেকে পুরনো হওয়ায় এর উপরের অংশ ইতোপূর্বে ভেঙ্গে গেছে। এ মঠের নির্মাণ শৈলি ধীরে ধীরে খসে খসে পরে যাচ্ছে।

মঠের উপরের অংশে নানা রকমের কারুকাজ রয়েছে। এরমধ্যে রাধা গোবিন্দের কাজও রয়েছে। মঠের বিভিন্ন ছিদ্রতে এখন নানা রকমের পাখি বাস করে। এরমধ্যে টিয়া পাখিও রয়েছে। স্থানীয় ছেলেপুলেরা এ মঠ বেয়ে সেই টিয়াপাখি নিয়ে আসে বলে গ্রামবাসীরা জানিয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here