লঞ্চ থেকে ফেলে দেওয়ার অভিযোগটি বানিয়ে বলেছিলো শিশুরা!

20210914_143215তুষার আহাম্মেদ:
ভাড়া না দেওয়ায় মুন্সিগঞ্জ সংলগ্ন মেঘনা নদীতে ৪শিশুকে লঞ্চ “ইমাম হাসান-৫” থেকে নদীতে ফেলে দেওয়ার অভিযোগটি পুলিশের কাছে বানিয়ে বলেছিলো শিশুরা। ঘটনায় নদী থেকে ভাসমান অবস্থায় পুলিশের উদ্ধার করা শিশু  মেহেদুল এবং অপর দুই শিশু সিয়াম ও তরিকুল নিজেরাই বিষয়টি স্বীকার করেছে।
মূলত চার শিশুর মধ্যে শাকিব অপর আরেক শিশুকে নদীতে ফেলে দেওয়ার পর বাকি ৩জন নিজেরাই নদীতে লাফিয়ে পরেছিলো। পরবর্তী ভাসমান অবস্থায় পুলিশ শাকিব ও মেহেদুলকে উদ্ধার করলে পুলিশের কাছে বিষয়টি লুকাতে শাকিব ও মেহেদুল মিথ্যা অভিযোগ করে। সোমবার রাতে এসংক্রান্ত একটি ভিডিও মুন্সিগঞ্জের সাংবাদিকদের হাতে এসেছে।
ভিডিওতে দেখা যায়, ভাসমান অবস্থায় পুলিশ উদ্ধার করা দুই শিশুর মধ্যে মেহেদুল (১৩ও অপর দুই শিশু সিয়াম(১০) ও তরিকুল (১০) ।
ভিডিওতে সিয়াম জানায়, সদরঘাট থেকে তারা লঞ্চে উঠেছিলো। সেখান থেকে মুন্সিগঞ্জ লঞ্চঘাটে কাছে পৌছে মাজ নদীতে যাত্রী উঠা নামা করা ট্রলার যোগ তাদের পাড়ে যাওয়ার পরিকল্পনা ছিলো। তবে মুন্সিগঞ্জে ট্রলার নামতে গেলে  করে ট্রলার চালকরা নামতে দেয় না। পরে চাঁদপুরের অভিমুখে চলতে থাকা লঞ্চ থেকে সঙ্গীদের নদীতে লাফ দিতে বলে সাকিব।
তবে কেউ লাফ না দিলে সাকিব তাদের মধ্যে থাকা তরিকুলকে নদীত ধাক্কা দিয়ে ফেলে দেয়। এরপর একে একে নদীতে ঝাপ দেয় অপর তিনজন। পরবর্তীতে সিয়াম ও তরিকুল সাঁতরে তীরে উঠতে পারলেও ভাসতে থাকে মেহেদুল ও শাকিব।
গজারিয়া থানা পুলিশের মাধ্যমে উদ্ধার হওয়া শিশু মেহেদুল জানান, নদীতে ভাসমান অবস্থায় পুলিশকে দেখে শাকিব  লঞ্চের স্টাফরা নদীতে ফেলে দিছে বলে পুলিশের কাছে বলতে শিখিয়ে দেয়। পরবর্তীতে পুলিশ তাদের উদ্ধার করলে শাকিব নিজেই পুলিশের কাছে বলে তাদের লঞ্চের স্টাফরা ফেলে দিয়েছে।
ভিডিওতে শিশুরা আরও জানায়, লঞ্চের স্টাফ ও পুলিশ কেউ  তাদের সাথে খারাপ আচরণ করেনি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here