পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে ধুম্রজাল

 

মোহাম্মদ সেলিম
মুন্সীগঞ্জে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন নিয়ে ধুম্রজালের সৃষ্টি হয়েছে। তবে শেষ অব্দি এখানে এ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হবে কিনা তা নিয়ে অনিশ্চিয়তা দেখা দিয়েছে? এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত এখনো এখানে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হয়নি।

অথচ আজ বৃহস্পতিবার নির্বাচনে মনোনয়নপত্র দাখিলের শেষ তারিখ ঘোষণা রয়েছে তফসিলে। এদিকে নির্বাচনে চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়াই ইতোমধ্যে কতিপয় ব্যাক্তি মনোনয়নপত্র বিক্রি করে ফেলেছেন। আর তাতেই এখানে এ নির্বাচন নিয়ে এখন জটিল আকার ধারণ করেছে।

এখানে এ নির্বাচন নিয়ে একটি পক্ষ এক তরফায় সুবিধা নেয়ার জন্য এ প্রক্রিয়া চালু করেছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। এবার এখানকার নির্বাচনে অনিয়ম ও দুর্নীতিতে এখন হাবুডুবু খাচ্ছে বলে একাধিক মহল থেকে অভিযোগ উঠেছে। আসন্ন এ নির্বাচন বাতিল ও নিরপেক্ষ ব্যাক্তির অধিনে পুনঃতফসিলে নির্বাচনের দাবিতে

এখানকার একাধিক সদস্যরা কেন্দ্রিয় কমিটিতে গতকাল বুধবার অভিযোগ দায়ের করেছেন বলে জানা গেছে। এ অভিযোগ দায়ের পর সবাই এখন কেন্দ্রের সিদ্ধান্তের দিকে তাকিয়ে আছেন।

এখানকার এ নির্বাচন নিয়ে এখানে টানটান উত্তেজনা বিরাজ করছে। আজ বৃহস্পতিবার দুপুর ২টার দিকে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতি মুন্সীগঞ্জে সভা আহবান করেছে। এদিন নির্বাচন তফসিল অনুয়ায়ি এক তরফা কমিটি গঠনের লক্ষ্যে এ সভা অনুষ্ঠিত হবে বলে অনেক সদস্যরা অভিমত প্রকাশ করেছেন। তবে এ সভাটি কার্য নির্বাহী পরিষদের সভা।

সাধারণত নির্বাচনকে সামনে রেখে সাধারণ সভা হওয়ার কথা। কিন্তু আপাদত এখানে সেই ধরণের কোন দৃশ্য লক্ষ্য করা যাচ্ছে না। এখানে এ ধরণের পরিস্থিতি বিরজমান থাকলে সুবিচারের আশায় এ বিষয়টি শেষ পর্যন্ত আদালত মুখিও গড়াতে পারে বলে অনেক সদস্য অভিমত প্রকাশ করেছেন। তবে তারা কেউ নাম প্রকাশ করতে চায়নি।

মুন্সীগঞ্জে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন তৃতীয় ধাপের অংশ হিসেবে আগামী ৩ জুন এখানে নির্বাচন অনুষ্ঠিত হওয়ার কথা রয়েছে। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ি মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক মোঃ আলাউদ্দিন দেওয়ানকে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির দ্বি-বার্ষিক নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মনোনীত করা হয়।

নির্বাচন তফসিল অনুযায়ি এর মাধ্যমে ইতোমধ্যে নির্বাচন বিধি অনুযায়ি এখানে সকল কাজ পরিচালনা করা হয় বলে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির মুন্সীগঞ্জ শাখার সভাপতি উমা শংকর সরকার এ প্রতিবেদকে জানান। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত নির্বাচনের বড় একটি অংশ হচ্ছে সেই মনোনয়নপত্র এখনো নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন দেওয়ানের কাছে হস্তান্তর হয়নি।

তার ফলে নির্ধারিত তারিখে এখানকার নির্বাচন এখন অনিশ্চিত হয়ে উঠেছে। এদিকে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া ও তার অনুমতি ছাড়াই নিজেদের মনগড়া ইচ্ছামতো সমিতির কোষাধ্যক্ষ ইতোমধ্যে মনোনয়নপত্র বিক্রি করে চলেছেন। নির্বাচন বিধিমালা অনুযায়ি সমিতির কোষাধ্যক্ষ এ ধরণের কাজ কোনভাবেই করতে পারেন না। তার ফলে এখানকার চলমান নির্বাচনটি এখন প্রশ্ন বিদ্ধ হয়ে উঠেছে?

জানা যায়, নির্বাচনকে সামনে রেখে গত ৪ঠা এপ্রিল ছিল সদস্য চাঁদা আদায়ের শেষ দিন। সেই অনুযায়ি জেলায় ১২৭জন সদস্য চাঁদা ইতোমধ্যে পরিশোধ করেন বলে সমিতির পক্ষে সভাপতি নিশ্চিত করেছেন। সেই আলোকে ১২৭জনই হচ্ছে এবারের নির্বাচনে ভোটার।

আর নির্বাচন বিধিমালা মোতাবেক ১০ এপ্রিল হচ্ছে প্রাথমিক ভোটার তালিকা প্রকাশ করার কথা ছিল। কিন্তু এখানে তা হয়নি বলে বেশিরভাগ সদস্য অভিযোগ করেছেন। প্রাথমিক ভোটার তালিকা বিষয়ে আপত্তি ও নিস্পত্তির তারিখ ছিল যথাক্রমে ১৩ এপ্রিল ও ১৮ এপ্রিল।

আর তার নিরিখে চূড়ান্ত ভোটার তালিকা প্রকাশিত হবে ২১ এপ্রিল। কিন্তু এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির আশ্রয় নিয়ে চাঁদা পরিশোধিত সদস্যের মধ্যে থেকে মোট ৩০জন সদস্যেকে ইতোমধ্যে ভোটার তালিকায় নাম অন্তর্ভুত হতে পারবে না এমন বিভিন্ন অজুহাতে তাদের নাম বাদ দেয়া হয়েছে বলে জানা গেছে। তাতে প্রতিয়মান হচ্ছে যে, একটি পক্ষ এখানে এক তরফা নির্বাচনে বিজয়ী হওয়ার কৌশল হিসেবে এ ধরণের কাজ করছে বলে অভিযাগ পাওয়া যাচ্ছে।

যাদেরকে ভোটার তালিকা থেকে বাদ দেয়া হচ্ছে তাদের তালিকা প্রকাশে নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষরে তারিখ দেয়া হয়েছে ২০ এপ্রিল। অথচ নির্বাচন তফসিল অনুযায়ি এটি করার কথা রয়েছে ১০ এপিলের মধ্যে। তবে এটি ২০ এপ্রিল কেন করা হলো তা নিয়ে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে? নির্বাচন তফসিল অনুযায়ি ঐ তারিখে এটি করা হলে সদস্যরা ১৩ এপ্রিল ও ১৮ এপ্রিল তাদের পক্ষে যুক্তি সংঘত কারণ তুলে ভোটার তালিকায় আবারো অন্তর্ভুক্ত হওয়ার সুযোগ পেতে বলে অনেক সদস্য দাবি তুলে ধরেছেন।

 

তাই এ নির্বাচন নিয়ে প্রথম থেকেই গোড়ায় গলদ দেখা দিয়েছে। নির্বাচন তফসিল অনুযায়ি এখানে কোন কিছুই মানা হচ্ছে না। তাতে এ নির্বাচন এখানে ফলপ্রসূ কিংবা আলোর মুখ দেখবে কিনা তা আলোচনার ঝড় বইছে। এ নির্বাচন নিয়ে অনেক সদস্য অভিযোগনামা নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে তুলে ধরেছেন। কিন্তু এ রিপোর্ট লেখা পর্যন্ত সেখান থেকে কোন সদুত্তর এখনো আসেনি বলে সদস্যরা এ প্রতিবেদকে জানিয়েছেন।
নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের স্বাক্ষর ছাড়া যাদের কাছে মনোনয়নপত্র বিক্রি করা হয়েছে সেগুলো হচ্ছে মোঃ শাহ আলম লিটন, হাইস্কুল মার্কেট, সদর মুন্সীগঞ্জ। রশিদ নং হচ্ছে ৩০২। তারিখ হচ্ছে ২৪ এপ্রিল। মোঃ রাসেল খান, স্টেডিয়াম মার্কেট, সদর মুন্সীগঞ্জ।

রশিদ নং হচ্ছে ৩০৩। তারিখ হচ্ছে ২৪ এপ্রিল। নির্বাচন তফসিল অনুযায়ি নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যানের কাছে মনোনয়নপত্র থাকার নিয়ম রয়েছে। সেটি কিভাবে কোধাধ্যক্ষের কাছে গেল তা নিয়ে সকলের মাঝে প্রশ্ন উঁকিঝুঁকি মারছে। সেক্ষেত্রে এখানে অনিয়ম ও দুর্নীতির গন্ধের বাতাস ছড়াচ্ছে।
২০১৮ সালের দিকে এখানে এ সমিতির শেষ নির্বাচন অনুষ্ঠিত হয়।

এরপর দীর্ঘ বিরতির পর এবার ৩রা জুন আবারো নির্বাচন অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে। ২০১৮ সালের পর এ সমিতিতে একটি বারও সাধারণ সভা অনুষ্ঠিত হয়নি। ২০১৮ সালে শেষ নির্বাচনে সমিতির কোষাধ্যক্ষ নির্বাচিত হন আজাদ লাইব্রেবির কর্ণধার পিযূষ কান্তি দাস। সে করোনার দ্বিতীয় ঢেউ মারা যান।

তখন সমিতির নতুন কোষাধ্যক্ষ হয়ে আসেন মুন্সীগঞ্জ লাইব্রেরীর কর্নধার মোঃ রাকিব হোসেন। ইতোপূর্বে এই রাকিবকে ২০১৯-২০২০ সালের জন্য জেলার অডিটর নির্বাচিত করা হয়। সেই হিসেবে তার এ পদের কার্যকালও শেষ হয়ে যায়। অথচ চলমান নির্বাচনকে সামনে রেখে মেয়াদ উত্তীর্ণ ব্যাক্তিকে দিয়ে জেলার হিসাব নিকাশ অডিট করে সেই প্রতিবেদন পাঠানো হয়েছে কেন্দ্রে।

একই ব্যাক্তি কোষাধ্যক্ষ ও অডিটর থাকায় এ হিসাব নিয়ে সমিতির সদস্যেদের মধ্যে এখন মিশ্র প্রতিক্রিয়া দেখা দিয়েছে। সমিতির বেশিরভাগ সদস্যই এ বিষয়ে সঠিকভাবে জেলা সমিতি ও কেন্দ্রের কাছে জবাব খুঁজে ফিরছেন। কিন্তু পাচ্ছেন না।

পিযুষের মৃত্যুর পর নতুন কোষাধ্যক্ষের বিরুদ্ধে নানা রকমের অনিয়ম ও দুর্নীতির অভিযোগ উঠেছে। এ সমিতিটি হচ্ছে সরকারিভাবে একটি নিবন্ধনকৃত সমিতি। নিবন্ধনকৃত নীতিমালা অনুযায়ীই এ সমিতিটি পরিচালিত হওয়ার কথা। কিন্তু এখানে তেমনটি হচ্ছে না। নিবন্ধন নীতিমালায় নেই নতুন সদস্যদের কাছ থেকে

অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা করে নিতে হবে। কিন্তু এখানে এ ধরণের ঘটনা ঘটে চলেছে। নতুন সদস্য প্রাপ্তীতে ১৯৬ নং রশিদে, ২০২০ সালের নভেম্বর মাসের ২ তারিখে আল মক্কা মদিনা লাইব্রেরী,

হাইস্কুল মার্কেট, মুন্সীগঞ্জ এর কর্ণধারের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়। যা নিয়মবহিভুত বলে অনেকেই মনে করছেন। মুন্সীগঞ্জ হাইস্কুলে নতুন লাইব্রেরী আল বারাকা লাইব্রেরীর কর্ণধার মোঃ সজিবের কাছ থেকে ৩০ হাজার টাকা অনুদান নেয়া হয়েছে।

টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পুরাবাজারে চিশতিয়া লাইব্রেরীর কর্ণধার মোঃ ফরিদের কাছ থেকে অনুদান হিসেবে ৫০ হাজার টাকা আদায় করা হয়েছে। টঙ্গীবাড়ী উপজেলা ব্রাম্মণভিটায় মনি মুক্তা লাইব্রেরীর কর্ণধার আব্দুল আজিজের কাছ থেকে ২৫ হাজার টাকা অনুদান নেয়া হয়।

তবে তাকে ৫ হাজার টাকার রশিদ দেয়া হয়েছে বলে অভিযোগ উঠেছে। বাকি টাকা গেল কোথায় তা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। এদিকে মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার বানিয়াল বাংলাবাজারের স্টুডেন্ট লাইব্রেরীর কর্ণধার আতাউর রহমান এবার যথা সময়ে কোষাধ্যক্ষের কাছে সদস্য চাঁদার টাকা নিয়ে এসেও সদস্যপদ নবায়ন করতে পারেননি বলে অভিযোগ উঠেছে।

এ কারণে ইতোমধ্যে তিনটি প্রতিষ্ঠান চাঁদার রশিদের টাকা কেন্দ্রে জমা দিয়েছেন অভিযোগের আর্জি থেকে জানা গেছে। বিপুল পরিমাণ সমিতির সদস্যেদের বাদ দিয়ে এবার এখানে নির্বাচন কার্যক্রম চলামান রয়েছে। আর প্রশ্নবিদ্ধ নির্বাচন নিয়ে আপত্তি জানাচ্ছে সমিতির সদস্যেরা। সমিতির সভাপতি উমা শংকর সরকার মিরকাদিম বাজারে হোমিও ব্যবসা করেন মুলত।

তিনি শুধুমাত্র বইয়ের মৌসুমের সময়ে কিছু কিছু বিক্রি করে থাকেন। প্রকৃত অর্থে তিনি পুস্তক ব্যবসায়ি না। অথচ তিনি রয়েছেন এ সমিতির সভাপতি। এদিকে এ সমিতির সাধারণ সম্পাদক তিনি বারো মাস দোকানে কসমেটিক আইটেম বিক্রি করছেন বলে অভিযোগ উঠেছে। তিনিও সমিতির উল্লেখযোগ্য পদ বহন করে চলেছেন।

পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচনে সভাপতি প্রার্থী মোঃ শাহ আলম লিটন রজত রেখাকে বলেন, এবারের নির্বাচন সঠিকভাবে পরিচালিত হচ্ছে না। তিনিসহ একাধিক সদস্যরা এখানকার অনিয়মের নির্বাচনের প্রতিবাদ লিখিত জবাব নিয়ে গতকাল বুধবার কেন্দ্রে গেলে তাদের আবেদনটি কেন্দ্র রাখতে চায়নি।
পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির জেলা শাখার সাবেক সাধারণ সম্পাদক মোঃ জামাল হোসেন রজত রেখাকে বলেন, এবারের নির্বাচনটি অনিয়মের মধ্যে দিয়ে চলাচল করছে।

এর প্রতিকার হওয়া প্রয়োজন।
পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির জেলা শাখার সাবেক সভাপতি মোঃ ইফসুফ আলী রজত রেখাকে বলেন, এবারের এ নির্বাচনটি এমন হচ্ছে কেন তা তিনি ঠিক বুঝে উঠতে পারছি না। তিনি আশা করেন সব ঠিক ঠাক হয়ে যাবে।

এদিকে পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির জেলা শাখার সভাপতি উমা শংকর সরকারের সাথে গতকাল বুধবার দুপুর আড়াইটার দিকে রেড ক্রিসেন্ট ভবনের কাছে এ প্রতিবেদকের সাক্ষাৎ হয়। তিনি এবারের নির্বাচন সংক্রান্ত কোনো সংবাদ প্রকাশ না করতে অনুরোধ জানান।

তিনি জানান, যে ৩০জন সদস্যকে বাদ দেয়া হয়েছে, তাদেরকে চূড়ান্ত ভোটার তালিকায় সংযুক্ত করার জন্য তিনি কেন্দ্রকে অনুরোধ করেছেন। তিনি আশা করেন যে কেন্দ্র তার অনুরোধ রাখবে।
পুস্তক প্রকাশক ও বিক্রেতা সমিতির নির্বাচন পরিচালনা বোর্ডের চেয়ারম্যান মোঃ আলাউদ্দিন দেওয়ান রজত রেখাকে বলেন,

চলমান নির্বাচনে নির্বাচন সংক্রান্ত মনোনয়নপত্রসহ কোনো কাগজপত্র তারা আমাকে কখনো দেয়নি। তাছাড়া তার মাধ্যমে তার স্বাক্ষরে কোন মনোনয়নপত্র তিনি বিক্রি করেননি বলে অভিযোগ তুলে ধরেন। সেক্ষেত্রে নির্বাচনী তফসিল অনুযায়ি আজ বৃহস্পতিবার মনোয়নপত্র বিক্রি ও দাখিলের শেষ তারিখে চেয়ারম্যানকে এ বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে তিনি রজত রেখাকে বলেন,

তিনি এ সময়ের মধ্যে কোন ভাবেই এখন মনোনয়নপত্রে স্বাক্ষর করতে পারের না। তিনি তা করতে চানও না। তার স্বাক্ষর ছাড়া যারা মনোনয়নপত্র বিক্রি করেছেন, সেগুলোর দায় দায়িত্ব শুধুমাত্র তাদের। তিনি নিয়ম ও আইনের বাইরে কোন কাজ করবেন না বলে জোর দাবি করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here