সিরাজদিখানে পুলিশের লাঠি পেটায় রাজদিয়া অভয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক ইউসুফ আহত

Exif_JPEG_420

মঙ্গলবার, ৬ মার্চ ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম: সিরাজদিখানে তুচ্ছ ঘটনায় পুলিশের লাঠি পেটায় আহত হয়ে শিক্ষক হাসপাতালে। সোমবার রাত সাড়ে ৮ টার দিকে উপজেলার সিরাজদিখান বাজার কাঠপট্টি ব্রীজের উপর এই ঘটনা ঘটে। উপজেলার রাজদিয়া অভয় পাইলট উচ্চ বিদ্যালয়ের কম্পিউটার শিক্ষক ইউসুফ আহমেদ সৈকতকে আহত অবস্থায় চিকিৎসার জন্য হাসপতালে পাঠানো হয়।

আহত শিক্ষক ইউসুফ আহমেদ সৈকত জানান, সে বাইকে করে সিপাহীপাড়া একটি বিয়ের অনুষ্টানে যাচ্ছিল। সিরাজদিখান বাজার কাঠপট্টি রোডের ব্রীজের উপর যানজটের সৃষ্টি হয়। সেখানে সিভিল ড্রেসে কয়েকজন পুলিশ দাঁড়িয়ে ছিল তখন সে বুঝতে পারেননি। তাদের তিনি অনুরোধ করেন ভাই ব্রীজ থেকে সড়ে দাঁড়ালে অটো ইজি বাইকটি যেত পারত। অনুরোধ না শোনায় তিনি ইজি বাইকটি যেতে বলেন।

ইজি বাইকটি যাওয়ার সময় শিক্ষকের পায়ের সাথে লাগলে সিভিলে থাকা পুলিশ হাস্য রহস্য করে বলে এবার কেমন হলো? শিক্ষক বলে আমার পায়ে লেগেছে তাতে আপনাদের এত কিছু বলার কি হলো। বিষয়টি নিয়ে কথা কাটাকাটির এক পর্যায় সিরাজদিখান থানার এসআই বি এম মেহেদী ও এএসআই সোহেল রানা শিক্ষককে হ্যান্ডকাফ পরিয়ে পাশেই কাঠের দোকান থেকে কাঠের টুকরো এনে পিটিয়ে গুরুতর নিলা ফুলা জখম করে। তাকে প্রথমে একটি প্রাইভেট ক্লিনিকে পরে উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়।

আহত শিক্ষকের মা শাহিদা বেগম কান্নারত অবস্থায় বলেন, আমার নিরহ ছেলেকে দুই সিভিল পুলিশ মেহেদী আর সোহেল যে ভাবে পিটাইছে, মানুষ মানুষকে এভাবে পিটায় না। এরকম অমানবিক কাজ যে ২জন পুলিশ করেছে তাদের উপযুক্ত বিচার চাই। আমার ছেলে এখন হাসপাতালে ভর্তি। আমি অনেকের কাছে গিয়েছি। যদি আমার ছেলের কিছু হয় তাহলে তাদেরকে ছাড়বো না। আমি সবার কাছে বিচার চাই। প্রধান মন্ত্রীর কাছে বিচার চাই।

এসআই বিএম মেহেদী ও এএসআই সোহেল রানা জানান, ভুল বুঝাবুঝির কারণে ঘটনাটি ঘটে। ঘটনাটি মিমাংশা হয়ে গেছে।

সিরাজদিখান থানার (ওসি) মোঃ আবুল কালাম মঙ্গলবার দুপুরে কম্পিউটার শিক্ষক ইউসুফ আহমেদ সৈকতকে সিরাজদিখান উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে দেখতে গিয়েছেন এবং এ ঘটনার বিষয় ওই শিক্ষকের পরিবারকে সান্তনা দিয়ে আসেন।

সূত্র: ক্রাইমভিশন

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here