মাদক ব্যবসার গডফাদার নজু’র উত্তরসূরিরা পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে! কেওয়ার-মানিকপুরে মাদক বিক্রি’র আখড়া

সোমবার, ২৮ মে ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম: 

58bd959ccb30cd304b125aa7906abd23-5b0b81a82580c

মুন্সিগঞ্জের ছেলে ঢাকায় মাদকের গড ফাদার নজু সরদার বন্দুকযুদ্ধে নিহত হলেও তার উত্তরসূরিরা এখনো পুলিশের ধরাছোঁয়ার বাইরে রয়ে গেছে। নজু সরদার ঢাকাসহ মুন্সিগঞ্জেও মাদক বিক্রি’র নেটওর্য়াক তৈরি করে গেছে। তার উত্তরসূরিরা মুন্সিগঞ্জের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রির আখড়া তৈরি করেছেন। এরমধ্যে হচ্ছে মুন্সিগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র মানিকপুর গ্রাম। আর অপরটি হচ্ছে

মুন্সিগঞ্জ সদর উপজেলার মহাকালী ইউনিয়নের মধ্যে কেওয়ার গ্রামে। মুন্সিগঞ্জ শহরের প্রাণকেন্দ্র মানিকপুর গ্রামের হেলিপ্যাড এলাকায় নজু সরদার বিশাল অট্টলিকা নির্মাণ করেছেন। এই অট্টলিকাটি সিসি ক্যামেরা দিয়ে আবদ্ধ। এখান থেকেই এই শহরের বিভিন্ন স্থানে মাদক বিক্রি করা হয়। নজু সরদারের মেয়ের জামাই রাসেল এখানকার মাদক ব্যবসাটি নিয়ন্ত্রণ করে থাকেন বলে

খবর পাওয়া গেছে। রাসেল মুন্সিগঞ্জে নজু সরদারের সেকেন্ড ইন কমান্ড হিসেবে কাজ করে থাকে। তবে আলোচিত নজু সরদারের মেয়ের জামাই রাসেলকে এখনো পুলিশ ধরতে পারেনি।

নজু সরদারের প্রকৃত নাম হচ্ছে নজু কাজি। ঢাকায় গিয়ে নজু তার পদবি পরিবর্তন করে ফেলে। নজুর জন্ম স্থান হচ্ছে মহাকালীর মধ্যে কেওয়ার গ্রামে। আর এই গ্রামেই তার দেয়া বেশিরভাগ অর্থ দিয়ে একটি পাকা মসজিদ নির্মাণের পথে রয়েছে। এই গ্রামের মিয়াবাড়ি এলাকায় নজু সরদারের নেতৃত্বে বড় ধরণের মাদক বিক্রির সিন্ডিকেট গড়ে উঠেছে। আর এই সিন্ডিকেটের নেতৃত্বে

রয়েছে ফার্ম্মেসি ব্যবসায়ি মিলন ও ছাত্রদল নেতা রানা। মিয়াবাড়ি এলাকায় একটি ওষুধের দোকানের অন্তরালে মিলন এখানে মাদক ব্যবসা নিয়ন্ত্রণ করে বলে অভিযোগ উঠেছে। এই মিয়াবাড়ি এলাকায় একটি খানকা রয়েছে। সেখানেও বিভিন্ন রকমের মাদক বিক্রি করা হচ্ছে। আর এখানেই গড়ে উঠেছে মাদকের ভয়াবহ বাণিজ্যে কেন্দ্র। কেওয়ার চৌধুরীবাড়ীর বাগানে, শেখদ্বার

সাহেবের মাজার চত্বর, কেওয়ার মিয়াবাড়ি ক্লিনিকের উত্তরপাশে ও বার আউলিয়া মাজার এলাকায় মিলন ও রানার নেতৃত্বে রমরমা মাদক ব্যবসা চলছে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে। এসব এলাকায় প্রতিদিনই চরকেওয়ার গুহেরকান্দির, গজারিয়াকান্দির, মুন্সিগঞ্জের রনছগ্রামের ৫০ থেকে ৬০ জনের মাদক ব্যবসায়ি এখানকার বিভিন্ন স্পটে মিলন ও রানার নেতৃত্বে বিভিন্ন ধরণের

মাদক বিক্রি হচ্ছে। এলাকাটি নিরিবিলি থাকার কারণে এখানে নারীদের দেহ ব্যবসাও চলে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।
রানা হচ্ছে মহাকালী ইউনিয়ন ছাত্রদলের আহবায়ক। রানা মাদক বিক্রির কারণে রাতে বাড়িতে ঘুমায় না। সে কেওয়ার মিয়াবাড়ি সরকারি প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ছাদে রাত্রিযাপন করে বলে খবর পাওয়া যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here