সিরাজদিখানে জোর পূর্বক তালাকের পর ভাতিজার সাথে বিয়ে!

মঙ্গলবার, ১০ জুলাই ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

সিরাজদিখান উপজেলার পূর্ব চান্দেরচর গ্রামের কমিজ উদ্দিন কামু সম্পত্তির লোভে একই গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আব্দুল ওহাবের বিবাহিত কণ্যা জিমি আক্তারকে জোর পূর্বক তালাক নামায় স্বাক্ষর করিয়ে তার ভাতিজা শাকিল এর সাথে বিয়ে দেওয়ার অভিযোগ পাওয়া গেছে।

জানা গেছে, গত কয়েক মাস পূর্বে চান্দেরচর গ্রামের কুয়েত প্রবাসী আব্দুল ওহাবের কণ্যা জিমি আক্তার ও একই গ্রামের মৃত ফয়জল করিমের ছেলে জনি পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করে। পরে তাদের দুজনকে ফুসলিয়ে বাড়িতে এনে মারধর করে জিমি আক্তারকে তার স্বামীকে তালাক দিতে বাধ্য করে কমিজ উদ্দিন কামু। এরপর গত শনিবার কমিজ উদ্দিন কামুর ভাতিজা শাকিল এর সাথে বিয়ে দেন।

জনি তার স্ত্রীকে জোর পূর্বক তালাক দেওয়ার বিষয়ে এলাকার গন্যমান্য ব্যক্তিবর্গকে জানালে কমিজ উদ্দিন কামুর নির্দেশে তার ভাতিজা মো: শাকিল ও আখিরসহ তার দলবল নিয়ে মৃত ফয়জল করিমের ছেলে মো: জনি (২২), মোঃ ইস্্রফিল (৪০), রনি (১৮)কে দা দিয়ে কুপিয়ে গুরুতর আহত করে। এলাকার লোকজনের সহযোগিতায় আহতদের গুরুতর অবস্থায় ঢাকা মেডিকেলে ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় সিরাজদিখান থানায় অভিযোগ দায়ের করা হয়েছে।

এ বিষয়ে কমিজ উদ্দিন কামু জানান, মারামারি হয়েছে। ঘটনা সত্য। যারা মারামারি করেছে তারা আমার ভাই-ভাতিজা। আমার নির্দেশে হামলা হয়েছে সে কথাটা সত্য না। ঘটনার পর ভাতিজাদের বকাঝকা করেছি। হামলার ঘটনা কেন ঘটেছে কেন ঘটেছে জানতে চাইলে তিনি বলেন, গত ৫/৬ মাস আগে মেয়েটাকে অপহরণ করে নিয়ে গিয়েছিল জনি। থানার অভিযোগও করা হয়েছিল।

তারপর মেয়েটাকে উদ্ধার করা হয়েছে। ঐ সময় গ্রামের গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গদের নিয়ে বসে আমরা একটা মিমাংসা করেছিলাম। ভবিষ্যতে এই মেয়েটাকে যদি কোন রকম উত্যাক্ত করা হয় তাহলে জনিকে ১০ লক্ষ টাকা জরিমানা করা হবে। আমি মনে করি মেয়েটাকে আবারো উত্যক্ত করেছে সে কারণেই মারামারির ঘটনা ঘটেছে।
সিরাজদিখান থানার পুলিশ পরিদর্শক (তদন্ত) মোহাম্মদ হেলাল উদ্দিন জানান, এ বিষয়ে একটি অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত করে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here