টঙ্গীবাড়িতে চাঁদাবাজ খাঁন বাক্কারের বিরুদ্ধে মামলা

মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

Chadabazir Obijogটঙ্গীবাড়িতে চাঁদাবাজ খাঁন বাক্কারের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের হয়েছে। টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পূর্ব আউটশাহী গ্রামের রাশিদা বেগম বাদী হয়ে পূর্বে জেলখাটা আসামী ডোরাবতী গ্রামের মৃত ইউসুফ খাঁর ছেলে খান আবু বাক্কারের বিরুদ্ধে চাঁদা গ্রহণ ও দাবীর মামলা করা হয়েছে।

১৮ই অক্টোবর বাদী মুন্সিগঞ্জ জুডিশিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আমলী আদালত টঙ্গীবাড়িতে মামলাটি দায়ের করেন মামলা নং সিআর ২০৩/১৮। রাশিদা বেগম জানান- খান বাক্কার তার নিকট দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবী করেছিল ৫ হাজার টাকা নগদ নিয়েছে ও পরবর্তীতে আবার টাকা চাইলে সে দিতে রাজী না হওয়ায় তাকে হুমকি ধমকিসহ মারপিট করেছে।

অপরদিকে মামলার আসামী খান আবু বাক্কার মঙ্গলবার (২৩ অক্টোবর) অভিযোগ করে বলেছেন বাদীর বাবার বিরুদ্ধে শিশু ধর্ষণের অভিযোগের সংবাদ প্রকাশ করার কারণেই তার বিরুদ্ধে এই মিথ্যা মামলা করা হয়েছে।

বাক্কারের চাঁদা দাবীর বিষয়ে তিনি জেলা প্রসাশক, উপজেলা প্রশাসনকে অবহিত করেছেন। তার কর্মকান্ডে এলাকাবাসী অতিষ্ঠ বলে উল্লেখ করে রাশিদা বেগম। তিনি আরো বলেন- সে নিজেকে বড় মাপের সরকারি সাংবাদিক দাবী করে তার কথায় সব হয়। প্রধানমন্ত্রী তাকে টাকা গিফট করেছে।

রশিদা বেগম আরো জানান, খাঁন আবু বাক্কার ইতি পূর্বে একটি পত্রিকায় কাজ করার কথা বলে মিথ্যা তথ্য দিয়ে নিজের সামর্থ্য থাকা সত্বে ও দুস্থ সাংবাদিক ভাতা গ্রহন করেছেন। তার বিরুদ্ধে ইতিপূর্বে চুরি সহ চাদাঁবাজির একাধিক অভিযোগ হয়েছে এবং দীর্ঘ দিন জেল হাজত খেটেছেন।

ইতিপূর্বে তার বিরুদ্ধে একাধিক মানববন্ধন করে ভূক্তভোগীরা জানান- এই বাক্কার ভূমি অফিসের দালালী, বাল্য বিবাহ পড়ানো, রাস্তার গাছ কাটাসহ কেরাম বোর্ড মালিকদের নিকট থেকে চাঁদা দাবীর ঘটনাও ঘটিয়েছে।

aahar-bilas

এ বিষয়ে খাঁন আবু বাক্কার জানান, টঙ্গীবাড়ীতে ৩য় শ্রেণির মাদ্রাসার ছাত্রী সাদিয়া (১১) ধর্ষণের খবর পত্রিকায় প্রকাশ করায় সাংবাদিকের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করেছে ধর্ষণ মামলার আসামীর মেয়ে রাসিদা বেগম। দৈনিক মানব জমিন টঙ্গীবাড়ী উপজেলা প্রতিনিধি ও সাপ্তাহিক নিখুঁত খবর পত্রিকার উপদেষ্টা সম্পাদক বিক্রমপুর টঙ্গীবাড়ী প্রেসক্লাব সভাপতি খান আবু বকর সিদ্দীকের বিরুদ্ধে মুন্সিগঞ্জ আমলী আদালতে চাঁদাবাজির অভিযোগে মঙ্গলবার এ মামলা দায়ের করে।

গত ১১ই জুন সকাল সাড়ে ৯টায় টঙ্গীবাড়ী উপজেলার পূর্ব আউটশাহী গ্রামের রিক্সাচালক কাসেম শেখের মেয়ে বলই ইসলামিয়া দাখিল মাদ্রাসার ছাত্রী সাদিয়াকে একই গ্রামের আলাউদ্দিন শেখ (৬০) পানের বরজে নিয়ে ধর্ষণ করে। বিষয়টি সাদিয়ার মা-ডলি বেগম সাংবাদিককে জানালে আবু বকর থানায় মামলা দেয়ার পরামর্শ দেয়।

পরামর্শ অনুযায়ী ডলি বেগম বাদী হয়ে ওই দিনই থানায় আলাউদ্দিনকে আসামী করে সাদিয়া ধষর্ণের মামলা দেয়। পুলিশ মামলা নিয়ে ধর্ষণের আলামত পরীক্ষার জন্য মুন্সিগঞ্জ সদর হাসপাতালে সাদিয়াকে নিয়ে যায়। ধর্ষণের আলামত ও স্বাক্ষী অনুযায়ী পুলিশ আলাউদ্দিনের বিরুদ্ধে চার্জসিট আদালতে পাঠায়। পুলিশ জানিয়েছে আলাউদ্দিন পলাতক রয়েছে। মামলায় ডলিকে সহযোগিতা ও পত্রিকায় খবর প্রকাশ করায় আবু বকরের বিরুদ্ধে মিথ্যা মামলা করা হয়েছে বলে আবু বকর জানান। তিনি আরো জানায় ধর্ষণ মামলা করায় ডলি বেগম ও তার স্বামী কাশেম শেখের বিরুদ্ধেও আসামী পরিবারের লোকেরা আদালতে ৩টি মামলা করেছে যা দ্রুত নিস্পত্তি করেছেন মাননীয় আদালত।

টঙ্গীবাড়ি থানা অফিসার শাহ মো: আওলাদ পিপিএম খানঁ বাক্কারের বিরুদ্ধে অভিযোগের কোন কপি আমরা পায়নি অভিযোগের কপি পেলে বিষয়টি তদন্ত করে দেখবো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here