রাজস্ব খাতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বার্ষিক আয় হচ্ছে ১০ কোটি ২৮ লাখ টাকা

মোহাম্মদ সেলিম ও গোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল: মঙ্গলবার, ২৪ অক্টোবর ২০১৮, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

images

রাজস্ব খাতে ২০১৭-২০১৮ অর্থ বছরে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের বার্ষিক আয় হচ্ছে ১০ কোটি ২৮ লাখ ৩১ হাজার ৬৩ টাকা। আর এর আয়ের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস গ্রাহকদের মাঝে ৩৫ হাজার ৭শ’ ৫টি পাসপোর্ট বিতরণ করেছেন।

মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস সূত্রে জানা যায় যে, ২০১৭ সালে রাজস্ব খাতের জুলাই মাসে ৩৩৪২টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৯৬ লাখ ৭২ হাজার ১শ’ ১৫ টাকা।
আগস্ট মাসে ২৯৮৪টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৮৮ লাখ ৩৭ হাজার ৪শ’ ৪৫ টাকা।
সেপ্টেম্বর মাসে ২৯৩৯টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৮৫ লাখ ৮৭ হাজার ৩শ’ ২০ টাকা।

অক্টোবর মাসে ৩৬০৫টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ১ কোটি ৪১ লাখ ৩ হাজার ২শ’ ১০ টাকা।
নভেম্বর মাসে ৩১৫২টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৯৯ লাখ ৮০ হাজার ৯শ’ ৮৫ টাকা।
ডিসেম্বর মাসে ২৯৬৮টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৮৯ লাখ ৭ হাজার ১শ’ ৭৩ টাকা।
২০১৮ খ্রিস্টাব্দের জানুয়ারি মাসে ৩৪৫৯টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ১ কোটি ১২ লাখ ৬ হাজার ৭শ’ ৪০ টাকা।

aahar-bilas

ফেব্রুয়ারি মাসে ৩২২১টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৯২ লাখ ৭ হাজার ৭শ’ ২০ টাকা।
মার্চ মাসে ২৯২৬টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৮১ লাখ ৬০ হাজার ৪শ’ ৫০ টাকা।
এপ্রিল মাসে ২৬৫৬টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৭৪ লাখ ৪ হাজার ৩শ’ ৩০ টাকা।
মে মাসে ২৩০৬টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৬০লাখ ৬৬ হাজার ১শ’ ৯৫ টাকা।

জুন মাসে ১৭৫৩টি পাসপোর্টের বিপরিতে মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিস আয় করে ৪৬ লাখ ৬১ হাজার ১শ’ ৪৫ টাকা।
মুন্সিগঞ্জ আঞ্চলিক পাসপোর্ট অফিসের সহকারী পরিচালক হালিমা খাতুন জানান, বছরের ফেব্রুয়ারি মাসে সারাদেশের ন্যায় মুন্সিগঞ্জেও পাসপোর্ট সেবা সপ্তাহ পালিত হয়। এ মাসে হালখাতার ন্যায় এ অফিসের পেন্ডিং পাসপোর্ট গুলো বিতরণে সর্বাত্বক উদ্যোগ গ্রহণ করা হয়। গ্রাহকদের সাথে প্রাথমিক পর্যায়ে নোটিশের মাধ্যমে অবহিত করা হয়। দ্বিতীয় পর্যায়ে গ্রাহকদের

মুঠোফোনেও যোগাযোগে করে অতিরিক্ত সেবা প্রদান করা হয়। সেই মাসে সেবা সপ্তাহের লক্ষ্য উদেশ্যে হচ্ছে পাসপোর্ট সহজেই গ্রাহকের কাছে নিয়ে যাওয়া। অনিস্পন্ন আবেদনকারীদের নোটিশ দিয়ে সেই কাজ নিস্পন্ন করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here