সিরাজদিখান ও শ্রীনগর উপজেলার সীমান্তবর্তি এলাকায় মাদক বিক্রি অভিযোগ উঠেছে !

২৫ নভেম্বর ২০১৯ সোমবার, মুন্সিগঞ্জ নিউজ ডটকম:

Untitled-2সিরাজদিখান উপজেলার কোলা ইউনিয়নের কোলা গ্রাম ও পাশর্^বর্তী শ্রীনগর উপজেলার তদন্তর ইউনিয়নের সিংপাড়া গ্রামে প্রকাশ্যে মাদক তথা ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাজা বিক্রয় করা হচ্ছেএমন অভিযোগ পাওয়া যাচ্ছে!

এ নিয়ে স্থানীয় লোকজনের মাঝে চরম ক্ষোভ বিরাজ করছে। উপজেলার কোলা গ্রামের মৃত মেঘময় মন্ডলের এর পুত্র শীবা মন্ডল (৫০) ও সিংপাড়া গ্রামের মৃত তাইজুদ্দিন হাওলাদার এর পুত্র জাহাঙ্গীর (৫১) যোগসাজসে দীর্ঘদিন যাবৎ মাদক ব্যাবসা করে আসছে বলে অভিযোগ উঠেছে।

এমনকি ওই দুই মাদক ব্যাবসায়ীর স্ত্রীরাও তাদের বাড়ীতে মাদক বিক্রি করছে। স্থানীয় লোকজন তাদের প্রকাশ্যে মাদক ব্যাবসায় বাধা দিলে কিংবা নিষেধ করলে বিভিন্ন প্রকার ভয়ভীতিসহ জানে মেরে ফেলার হুমকি দিয়ে আসছে বলেও অভিযোগ রয়েছে তাদের বিরুদ্ধে।

সিংপাড়া বাজারের পূর্ব পাশের বালুর মাঠ, ইউনুস মিয়ার বাগান বাড়ীসহ কোলা এবং সিংপাড়া গ্রামের বিভিন্ন স্থানে তাদের প্রকাশ্যে মাদক বিক্রি করতে দেখা যায়।

এলাকায় প্রকাশ্যে মাদক বিক্রির কারণে উঠতি বয়সের যুবকরা মাদকের দিকে আকৃষ্ট হচ্ছে এবং মাদক সেবনে জড়িয়ে যাচ্ছে অতী সহজে। এতে করে যুব সমাজ ধীরে ধীরে ধ্বংশের দিতে ধাবিত হচ্ছে।

স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাদক ব্যাবসায়ী জাহাঙ্গীর কয়েক বছর পূর্বে ছিচ্কে চোর হিসেবে এলাকায় বেশ পরিচিত ছিল। চুরি করাই ছিল তার পেশা। আর এ কারণে তাকে স্থানীয় গণ্যমান্য ব্যক্তিবর্গ এলাকা থেকে বিতারিত করেছিল।

ছিচ্কে চোর থেকে মাদক ব্যাবসা করে এখন সে লাখপতি! অপর দিকে মাদক ব্যাবসায়ী শীবা পূর্বে কাঠ মিস্ত্রির কাজ করত। বর্তমানে সে মাদক ব্যাবসা করে রাতারাতি ধনি বনে গেছে।

স্থানীয়রা জানায়, শীবা ইয়াবা ট্যাবলেট এবং গাজা বিক্রি করে তার দুই ছেলেকে বিদেশে পাঠিয়েছে। বাড়ীতে গরুর খামার করে খামারে কাজ করার জন্য দুজন লোকও রেখেছে। গ্রামের বিভিন্ন লোকের কাছে শীবার ৫-৬ লক্ষ টাকা সুদে লাগানো আছে। এলাকাবাসীর প্রশ্ন একজন কাঠ মিস্ত্রির কাছে এত টাকা কি করে আসে?

এ ব্যাপারে সিরাজদিখান থানার অফিসার ইনচার্জ (ওসি) মোঃ ফরিদ উদ্দিন বলেন, আমরা তদন্ত করে দেখবো ওনারা যদি মাদকের সাথে জড়িত থাকে তাহলে তাদের বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here