টঙ্গীবাড়ীতে স্কুলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে সাবেক ইউপি মেম্বার

নিজস্ব প্রতিবেদক: টঙ্গীবাড়ীতে একটি সরকারি প্রাইমারী স্কুলের রাস্তা বন্ধ করে দিয়েছে সাবেক ইউপি মেম্বার ও সরকারি নিকাহ রেজিস্টার কর্তৃপক্ষ। এতে কোমলমতি শিক্ষার্থীদের স্কুলে যাওয়া ব্যহত হচ্ছে। এলাকা সূত্রে জানা গেছে, টঙ্গীবাড়ী উপজেলার উত্তর আউটশাহী সরকারি প্রাইমারী স্কুলের ১৮০ ছাত্র ছাত্রী ও শিক্ষক

অভিভাবকসহ ১ হাজার লোকের যাতায়াতের ৩’শ মিটার রাস্তাটি স্থানীয় এমপি’র বিশেষ বরাদ্দে প্রসস্থ ও সংস্কার করার উদ্যোগ নেয়া হয় ফেব্রুয়ারি মাসের শেষ দিকে।

রাস্তার দু’পাশে খাশ খতিয়ানের ভূমি থাকা সত্ত্বেও আংশিক ভূমির ৩ মালিক মুন্সীগঞ্জ দেওয়ানী আদালতে প্রাইমারি স্কুলের সহকারি শিক্ষিকা মেহের নিগার, স্থানীয় শিক্ষানুরাগী রুহুল আমিন ও লিটন শেখকে অভিযুক্ত করে মামলা দায়ের করে।

মামলাটি তদন্ত করতে টঙ্গীবাড়ী সহকারী ভূমি কর্মকর্তা ওছেন মে এর নিকট পাঠান আদালত। তদন্ত সম্পূর্ণ না হতেই আদালতের সিদ্ধান্ত ছাড়া মামলার বাদী আউটশাহী ইউনিয়ন নিকাহ রেজিস্টার ইউসুফ কাজী, মনির সাবেক মেম্বার ও আ: হাই টিন ও কাঠের নির্মিত বেড়া দিয়ে রাস্তাটি বন্ধ করে দেয়। রাস্তা বন্ধ করায় উত্তর

আউটশাহী জামে মসজিদ-১, উত্তর আউটশাহী জামে মসজিদ-২, উত্তর আউটশাহী সরকারি প্রাইমারি স্কুল, উত্তর আউটশাহী হাফেজিয়া মাদরাসা, কুয়েতী সংস্থার সহায়তায় নির্মিত হযরত ওসমান বিন-আফ্ফান (রা:) আলিয়া মাদরাসা ও এতিমখানা ও আউটশাহী সমাজ কল্যান সমিতিসহ এলাকার বিভিন্ন প্রতিষ্ঠান ও শত শত

স্কুল শিক্ষার্থী, এলাকাবাসী ও পথচারীর যাতায়াতে বিঘ্ন ঘটে। সরেজমিনে গিয়ে দেখা গেছে, উল্লেখিত প্রতিষ্ঠান ছাড়াও ওই রাস্তা দিয়ে আরো ৩০ পরিবারের লোক পায়ে হেটে যাতায়াত করে পাকা রাস্তায় উঠে জেলা উপজেলা সদরে পৌঁছে। এ রাস্তা ছাড়া বিকল্প কোন রাস্তা না থাকায় স্কুলের ছাত্রছাত্রীর উপস্থিতি কমে গেছে বলে জানান উত্তর আউটশাহী সরকারি প্রাইমারি স্কুলের প্রধান শিক্ষিকা শাহানাজ বেগম। তিনি আরো জানান, উপজেলা

নির্বাহী অফিসার ও উপজেলা শিক্ষা অফিসার বরাবর রাস্তা খুলে দেয়ার জন্য আবেদন করেছেন গতকাল ৮ মার্চ। স্থানীয় মসজিদের মুসল্লি ও আলী আহাম্মদসহ এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিরা জানান, স্কুল, মসজিদ, মাদরাসা, এতিমখানার স্বার্থে ও জন চলাচলের জন্য এ রাস্তা ছাড়া বিকল্প কোন পথ নাই। আউটশাহী ইউপি

মহিলা মেম্বার ও প্রস্তাবিত রাস্তার প্রকল্প সভাপতি লায়লী বেগম জানান, বাধাদানকারীদের এক শতাংশেরও কম ভূমি রাস্তায় পড়বে। রাস্তাটি সংস্কার ও প্রসস্থ স্কুল, মাদরাসা ও মসজিদের মুসল্লীদের জন্য জরুরী। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা হওয়ায় টঙ্গীবাড়ী সহকারী কমিশনার(ভূমি)মন্তব্য করেননি। তবে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মোছাম্মৎ হাসিনা আক্তার জনস্বার্থে রাস্তা হওয়ার পক্ষে স্থানীয়দের কাছে তার মতামত ব্যক্ত করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here