সিরাজদিখানে পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত্ব

IMG_20200603_174844সিরাজদিখানে পল্লি বিদ্যুৎ অফিসে কোন ভাবেই মানা হচ্ছে না সামাজিক দূরত। এতে করে করোনা ভাইরাস সংক্রমনের ঝুকি বাড়ছে। উপজেলার মোড় আলাউদ্দিন কমপ্লেক্সের ২য় ও ৩য় তলায় পল্লি বিদ্যুৎ জোনাল

অফিসে দুটি কাউন্টারে বিদ্যুৎ বিল নেওয়া হচ্ছে। গতকাল বুধবার সকাল ৯ টা থেকে দুপুর ১ট পর্যন্ত মানুষের ভীর দেখাগেছে। বিল পরিশোধের সময় সেখানে সামাজিক দূরত্ব না মানার দৃশ্য দেখা গেছে। শুধু তাই নয় এই জোনাল অফিসের বিরুদ্ধে অনেক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে।

সরজমিনে দেখা যায়, কোন প্রকার সামাজিক দূরত্ব মানা হচ্ছে না। নিচ তলা থেকে তিন তলা পর্যন্ত গ্রাহকদের দীর্ঘ লাইন। বাণিজ্যিক ব্যাংক গুলোয় বিদ্যুৎ বিল পরিশোধের সুযোগ কম থাকায় হাজার হাজার গ্রাহক বিদ্যুৎ বিল পরিশোধ করতে আসে সিরাজদিখান জোনাল অফিসে।

উপজেলার বিভিন্ন ইউনিয়ন থেকে গ্রাহকরা বিল পরিশোধ করতে আসায় করোনা সংক্রমণ বৃদ্ধির আশংকা করছেন অনেকে।

দেখা যায় উপজেলার জোনাল অফিসে ৩য় তলা থেকে নিচ তলা পর্যন্ত দীর্ঘ লাইন। নেই তাদের মাঝে সামাজিক দূরত্ব , বিদ্যুৎ অফিস থেকে করা হচ্ছে না স্প্রে, দেয়া হচ্ছে না হ্যান্ড স্যানিটাইজার। শুধু তাই নয় সেখানে বিদ্যুৎ অফিসের কেউ দেখার বা দুরত¦ বজায় রাখার দায়িত্ব পালন করেননি। এমনি চিত্র দেখা যায় গত তিনদিন ধরেই।

উপজেলায় বিদ্যুৎ বিল দিতে আসা গ্রাহকরা জানান, সরকার তো সাধারণ ছুটি বাতিল করেছে। এখন বিল না দিলে জরিমানা দিতে হবে। বিল দিতে এসে করোনার ঝুকিতে পরতে হচ্ছে। জায়গা সংকুলানে সামাজিক দূরত্ববজায় রাখা যাচ্ছে না। বিলা নিচ্ছেন যারা তারা দ্রুত না নিয়েই নিজেদের পারসোনাল কাজ করে সময় বেশি নিচ্ছেন। ঝুকি নিয়েই বিল দিতে হচ্ছে, এখন আমরা কি করবো?

বিল দিতে না আসলে কি জরিমানা মাফ হবে?
আবার অনেকে জানান, কেউ আতঙ্কে বিল না দিয়ে চলে গেছেন। অনেকে ঘন্টারপর ঘন্টা লাইনে দাড়িয়ে বিরক্ত হয়ে ফিরে যেতে দেখা গেছে।

আবার অনেকে জানান বিল নিয়েও নানা ধরনের বিপাকে পরতে হয়। ভৌতিক বিল, রিডিং না দেখে মনগড়া বিল করছে তারা। ৭৬ ইউনিটের পর বিল বৃদ্ধি, সেখানে দেখা গেছে ইউনিট ৭৬ পার না হলেও বিলে ৮০ থেকে ৮৫ ইউনিট এমন আসায় প্রতি ইউনিটে দেড় টাকা করে পুরো বিলটাই দিতে হয়েছে।

০৩.০৬.২০২০

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here