মুন্সীগঞ্জ শহরের চেয়ে গ্রামের স্কুলের ফলাফল ভালো

imagesগোলাম আশরাফ খান উজ্জ্বল

চলতি ২০২০ সালের এস.এস.সি পরীক্ষার ফল প্রকাশিত হলো গত রোববার। মুন্সীগঞ্জ জেলায় মাধ্যমিকে পাশের হার ৮১.৬২ ভাগ। এই ফলাফলে দেখা গেছে শহরের স্কুল গুলো থেকে গ্রামের স্কুল গুলোর ফলাফল ভালো হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ সদরেও পাশের হার সন্তুষ জনক নয় বলে মনে করেন অনেক অভিভাবক।

মুন্সীগঞ্জ জেলা শহরে বিক্যাত সব স্কুল। তারপরও সদরের গড় পাশের হার ৭৭.১৪ ভাগ। যেখানে গজারিয়ায় ৯১.০৮, সিরাজদিখানে ৮১.৩৩ এবং টংগীবাড়ীতে ৮১.২০ ভাগ। এ বছর মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলা হতে এস.এস.সি পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে ৩ হাজার ৯ শত ৯৩ জন পরীক্ষার্থী। এদের মধ্য হতে ৩ হাজার ৩ শত ৬ জন উত্তীর্ণ এবং ৬ শত ৮৭ জন অনুত্তীর্ণ হয়।

অনুত্তীর্নের দিক দিয়ে মুন্সীগঞ্জ এগিয়ে তার পরের স্থান শ্রীনগরে ৬ শত ৫১ জন। শ্রীনগর হতে অবশ্য ২ হাজার ৯ শ ৮২ জন অংশ নেয় এস.এস.সি পরীক্ষায়।

শহরের কিটবর্তী প্রেসিডেন্ট প্রফেসর ইয়াজউদ্দিন আহমদ রেসিডেন্সিল মডেল স্কুল এন্ড কলেজ শুধু ১০০ ভাগ পাশের হার। এ স্কুল হতে ২০৩ জন পরীক্ষায় অংশ গ্রহণ করে সবাই উত্তীর্ণ হয়েছে। মুন্সীগঞ্জ পৌরসভার রনছ রুহিতপুর উচ্চ বিদ্যালয়ে পাশের হার ৯৮.৭৭ ভাগ। এ স্কুল হতে ১ শত ৬৩ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১ শ ৬১ জন পাশ করে।

পক্ষান্তরে এ স্কুল হতে ২ জন অনুত্তীর্ণ হয় এবং জিপিএ-৫ পেয়েছে ১ জন ছাত্র। বিকাবি বাজার বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯৭.২৭ ভাগ। এ বিদ্যালয় হতে ১শ ১০ জন পরীক্ষায় অংশ নিয়ে ১শ ৭ জন উত্তীর্ণ হয়। এ স্কুল হতে ৩ জন অনুত্তীর্ণ হয়। পক্ষান্তরে ১৩ জন ছাত্রী জি.পি.এ-৫ পেয়েছে। রামপাল ইউনিয়নের বছিরন নেছা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯৫.২১ ভাগ।

বিরাকী বাজার উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯৫.০৪ ভাগ। মুন্সীগঞ্জ শহরের এ.ভি.জে.এম. বালিকা উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৯০.৫৭ ভাগ। কে.কে. গর্ভঃ ইনষ্টিটিউশনের পাশের হার ৮৬.১৯ ভাগ। মুন্সীগঞ্জ বহুমুখী উচ্চ বিদ্যালয়ের পাশের হার ৫৬.০৭।

মুন্সীগঞ্জ উচ্চ বালিকা বিদ্যালয়ের পাশের হার ৮২.৪২ ভাগ। ফলাফলে দেখা যাচ্ছে মুন্সীগঞ্জ শহরের স্কুল গুলোর চেয়ে গ্রামের স্কুলের ফলাফল ভালো।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here