গজারিয়ায় শিকল বন্দি আক্তার হোসেনের জীবন

2020-06-02-18-20-27২৩ বছর বয়সে হঠাৎ করেই মানসিক ভারসাম্য হারিয়ে ফেলে আক্তার হোসেন। এরপর চিকিৎসা করা হলে কিছুদিন সুস্থ থাকার পর আবার আগের মতো অসুস্থ হয়। পারিবারিক অসচ্ছলতার কারণে আর চিকিৎসা করা হয়নি। তিন মাস ধরে পায়ে শিকল দিয়ে তাকে রাখা হয়েছে।
মুন্সীগঞ্জের গজারিয়া উপজেলার গুয়াগাছিয়া ইউনিয়নে চরচাষী গ্রামে তার বাড়িতে শিকল বন্দী জীবন পার করছেন আক্তার হোসেন। তার মা মোর্শেদা বেগম জানান, অর্থের অভাবে তার চিকিৎসা করাতে পারেনি।
মানসিক ভারসাম্যহীন হওয়ায় সে এলাকাবাসীর বিভিন্ন লোকসান করে। মানুষ কে মারধর, অনেকের সবজি-ক্ষেত নষ্ট করে। এমনকি নিজের বোনকেও কিছুদিন আগে মাথায় আঘাত করেছে। এজন্যই পায়ে শিকল দিয়ে বেঁধে রাখা হয়েছে।
সরে জমিনে গিয়ে দেখা যায়, টিনের চাওলার একটি ঘরে শিকল পাঁয়ে চকিতে বসে আছে আক্তার হোসেন। হালিম। ৪ বোনের মধ্যে আক্তার হোসেন বড়। তাঁর বাবা মোস্তাক মিয়া গত দুই বছর আগে মারা গেছে। বর্তমানে পরিবারের খরচ চালাতে হচ্ছে ছোট বোন সুফিয়াকে।
সুফিয়া বলেন, আমি গার্মেন্টসে কাজ করে সংসারের খরচ চালাই। অর্থের অভাবে ভাইয়ের চিকিৎসা করাতে পারছি না। নানা সমস্যার মধ্যে দিন পার করছি। সরকারিভাবে আমাদের কোন ভাতাও দেওয়া হচ্ছে না। যদি কিছু সহযোগিতা পেতাম তাহলে ভাইয়ের চিকিৎসাসহ , পরিবারের খরচ চালাতে পারতাম। প্রতিবন্ধী আক্তার হোসেনের চিকিৎসা এবং পরামর্শ আশা করেন তার ছোট বোন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here