কালীগঞ্জে যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার

ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে বাপ্পি হোসেন (২০) নামের এক যুবকের ঝুলন্ত লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। বুধবার সকালে গ্রামের লোকজন তার মরদেহ দেখতে পেয়ে পুলিশকে খবর দেয়। এরপর পুলিশ ঘটনাস্থ’লে পৌছে মরদেহটি উদ্ধার করে মর্গে পাঠিয়েছে। ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ কালীগঞ্জ উপজেলার খড়িকাডাঙ্গা গ্রামে। সে ওই গ্রামের আব্বাস আলীর ছেলে। ঐ গ্রামের বাসিন্দা সাবেক ইউপি সদস্য জালাল হোসেন জানান, বুধবার সকালে বাড়ির পাশের একটি আমগাছে বাপ্পির মরদেহ ঝুলে থাকতে দেখে গ্রামবাসী পুলিশকে খবর দেয়।

তিনি আরও জানান, প্রায় ১০ বছর পুর্বে একই ভাবে নিহতের মায়ের মৃত্যু হয়েছিল। সে সময়ে বাপ্পির মামারা এটাকে স্বাভাবিক পর্যায় নিলেও বাপ্পির মৃত্যুর ঘটনাটি আত্মহত্যা নয় বলে তারা মৌখিক ভাবে দাবি করছেন। তাদের ধারনা এলাকার একটি মহল পরিকল্পিত ভাবে এভাবে মা ও ছেলে কে হত্যা করেছে।

কোলাবাজার পুলিশ ফাঁড়ির এস আই আবুল কাশেম জানান, ঘটনাস্থলে তিনি গিয়ে লাশ উদ্ধার করে থানাতে পাঠিয়েছেন। তিনি বলেন এটা হত্যা না আত্মহত্যা এখনই তা বলা যাচ্ছে না। তিনি আরও জানান, তবে নিহতের মামাদের ভাষ্য তার ভাগ্নেকে হত্যা করা হতে পারে। আবার লাশ উদ্ধারের আগেই নিহতের বাবা আব্বাস আলী পালিয়েছে। ফলে বিষযটি

সন্দেহজনকও বটে। তবে ময়নাত দন্তের পর বোঝা যাবে ঘটনাটি কি হত্যা না আত্মহত্যা। অবশ্য নিহতের মামা ও এলাকার অনেকেই বলছে আব্বাস আলী তার স্ত্রী কে ১০ বছর আগে হত্যা করেছে এবং ছেলে কেউ হত্যা করেছে। এ ছেলে কোন কারণ ছাড়াই আত্মহত্যা করতে পারে না। আবার আব্বাস আলী কে বাড়ি ছেড়ে পালিয়েছে এটা রহস্য জনক। নিহতের মামা কামাল হোসেন বাদি হয়ে কালীগঞ্জ থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন।

নিহতের সত মা রাশিদা খাতুন ও দাদা আবদুল ওহাব কে পুলিশ আটক করে থানায় এনেছে জিঙ্গাসাবাদ করতে।
কালীগঞ্জ থানার ওসি মুহাঃ মাহাফুজুর রহমান বলেন, এ ব্যাপারে কালীগঞ্জ থানায় এখনও পর্যন্ত কেউ লিখিত অভিযোগ দেননি। ইতোমধ্যে লাশ উদ্ধার করে মরদেহ ময়না তদন্তের জন্য ঝিনাইদহে পাঠিয়েছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here