মুন্সীগঞ্জে কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারশালায়

IMG_7115মুন্সীগঞ্জে কোরবানির ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে কামারশালা গুলোতে। মুন্সীগঞ্জ শহরসহ জেলার অপর পাঁচটি হাট বাজারের খুচরা দোকানীদের জন্য লোহার যন্ত্রপাতি তৈরির পাশাপাশি কোরবানীকে ঘিরে চাপ সামাল দিতে দিন-রাত কাজ করছেন কামারিরা।

লকডাউনে সময় কয়েক মাস বন্ধের পর জমে থাকা কাজ ও ঈদের ক্রেতাদের চাহিদা মতো বাড়তি কাজের জন্য অতিরিক্ত লোক নিয়োগ করতে হয়েছে বিভিন্ন কামারশালায়। জেলার বিভিন্ন কামারশালায় সরেজমিন ঘুরে জানা গেছে, করোনা সংক্রমণের ঝুঁকির কারণে লকডাউনে অন্যান্য দোকানপাটের মতো বন্ধ হয়ে যায় জেলার সব কামারশালা।

এ ফলে সবারই জমা পড়ে যায় কিছু কিছু কাজ। এছাড়া আর বেশিদিন বাকি নেই ঈদ-উল আযহার। তাই ব্যস্ততা বেড়েছে জেলার ছয়টি উপজেলার কামারশালাগুলোতে। একদিকে লকডাউনে আটকে পড়া কাজ, অন্যদিকে নিয়মিতভাবে খুচরা দোকানের জন্য লোহা-লক্কড়ের যন্ত্রপাতিসহ এখন সামাল দিতে হচ্ছে কোরবানির ক্রেতাদের চাপ। সারা বছরে টুকটাক কাজ থাকলেও ঈদ-উল আযহার এই সময়টায় ব্যস্ত সময় পার করতে হয় কামারদের। তাই দিন-রাত কাজ করে চলেছেন তারা।

IMG_7116ঈদকে ঘিরে ক্রেতাদের পছন্দের মতো তৈরি শুরু করেছেন বিভিন্ন মাপের পশু কোরবানির চাপাতি, দা, বটি, ছুরি, কুড়াল আর ছোট চাকুর মতো লোহার সব ধারালো যন্ত্রপাতি। এগুলো সবই ব্যবহার হবে কোরবানীর পশু জবাই থেকে শুরু করে মাংস ছাড়ানো আর হাড় কাটার কাজে। কেউ কেউ আবার গতবারের পুরাতন ছুরি ধার করিয়ে নিচ্ছেন নতুনভাবে কোরবানি করার জন্য।

মুন্সীগঞ্জ সদর উপজেলার একাধিক কামারশালার মালিক জানান, সাধারণত ঈদ উল আযহার মাসখানেক আগে থেকেই পুরাতন ও নতুন ধারালো যন্ত্রপাতি বানানো ও মেরামতের ভীড় শুরু হয়। ঈদের আগের দিন পর্যন্ত এই ব্যস্ততা চলে। এদিকে তারা আরো জানান,

এ বছর লকডাউনের কারণে বন্ধ থাকায় ব্যবসায়িকভাবে লোকসানে রয়েছে সবাই। এতে কিছুটা কাজ জমা পড়েছে, এখন আবার ঈদকে ঘিরে ব্যস্ততা বেড়েছে। তবে করোনার কারণে কিছুটা কম দামে বিক্রি করতে হচ্ছে নানা রকমের যন্ত্রপাতি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here