বিসিক হাটে গরু আছে, ক্রেতা নেই!

IMG_7385মোহাম্মদ সেলিম ও মো: শাহরিয়ার:

হাট আছে। হাটে গরু আছে। কিন্তু হাটে ক্রেতা নেই তেমন। এমন অবস্থা বিরাজ করছে মুন্সীগঞ্জের প্রধান গরুর হাট মুক্তারপুর সেতুর নি”ের অংশে।

cattle of munshiganjগত শুক্রবার থেকে এ হাটের প্রাথমিক ভাবে কাজ শুরু হলে ক্রেতা শূণ্যতায় ভুগছে হাটের ইজারাদাররা। আর হাটে গরু বিক্রি করতে আসা পাইকাররা হতাশায় ভুগছেন হাটের ক্রেতা শুণ্যতার এ অবস্থা দেখে।

মুক্তারপুর সেতুর নিচে এবারই প্রথমবারের মতো এখানে কোরবাণীর পশু বিক্রির হাট বসেছে। করোনার মহামারির কারণে বিসিক থেকে এ হাটের বেচা কিনার কাজ সরিয়ে আনা হয়েছে মুক্তারপুর সেতুর নিচে। গত বছর এ সময়ের মধ্যে হাটের পশু বিক্রি জমজমাট হয়ে উঠতো সব সময়ে।

IMG_7386এ হাটে গরু কিনতে আসা অনেক ক্রেতা দাবি করছেন যে, এ সময়ে হাট জমে উঠতে দেখেছেন। কিন্তু এবারই এ অবস্থা দেখে তারা অনেকেই হতাশা প্রকাশ করেছেন। করোনার কারণে এবার পশু হাটে ক্রেতা সমাগম কম বলে অনেকেই মনে করছেন বলে জানা গেছে।

এবারের পশু হাটে গতকাল মঙ্গলবার দুপুর পর্যন্ত আনুমানিক ২ হাজার গরু উঠেছে। তবে এখনো হাটে গরু রাখার স্থান ফাঁকা দেখা গেছে। এদিকে এ কয়দিনে মাত্র ৬টি গরু বিক্রি হয়েছে বলে ৬নং কাউন্টার থেকে জানা গেছে। সিরাজগঞ্জ থেকে চার গরু ব্যবসায়ি এ হাটে গরু নিয়ে এসেছেন গত শুক্রবার দিন।

তারা চারজনে মোট গরু এনেছেন ১৮টি। কিন্তু গত চারদিনে একটি গরুও তারা এখন পর্যন্ত বিক্রি করতে পারেননি। তিনি একটি গরু ক্রেতার কাছে দাম চেয়েছেন ১ লাখ ২০ হাজার টাকা। কিন্তু ক্রেতা সেই গরুর দাম বলছেন মাত্র ৭০ হাজার টাকা।

এ বিষয়ে গরু বিক্রেতাদের দাবি হচ্ছে যে, গরুকে খাওয়াতে কিংবা পরিচর্যা করতেই এ দামের চেয়ে বেশি অর্থ ইতোমধ্যে খরচ হয়ে গেছে। কিন্তু সেই দামও গরুর এ হাটে উঠছে না বলে অভিযোগ উঠেছে। মুক্তারপুর সেতুর পাশেই রয়েছে ধলেশ্বরী নদী।

এ পথে গরুর পাইকারদের গরু নিয়ে যাওয়ার পথে এ হাটে গরু আনার জন্য দিনভর মাইকিং করা হচ্ছে। কিন্তু নদী পথে গরু নিয়ে যাওয়ার সময় গরুর পাইকাররা তাদের গরু এ হাটে উঠাচ্ছেন না বলে শোনা যাচ্ছে। কারণ হচ্ছে হাটে ক্রেতা না থাকায় পাইকাররা গরু নিয়ে অন্য হাটে চলে যাচ্ছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here