ঈদে পোষক কসমেটিক জুতা ব্যবসা জমেনি

IMG_7498ঈদের মাত্র একদিন বাকি। সেই হিসেবে এবারের ঈদকে সামনে রেখে বিভিন্ন রকমের পোষাকের ব্যবসা তেমন ভালো যায়নি বলে পোষাক ব্যবসায়িরা জানিয়েছে। করোনা, বন্যা ও বৃষ্টিতে এবারের পোষক ব্যবসার বারোটা ভেজে গেছে বলে ব্যবসায়িরা অভিমত প্রকাশ করেছেন।

গত রোজার দিকে সেই সময়ের ঈদকে সামনে রেখে দেশ ব্যাপি লকডাউন থাকায় এখানকার ব্যবসা প্রতিষ্টান বন্ধ ছিলো। তবে চুপি চুপি কিছু দোকানপাট মাঝে মধ্যে আংশিক খোলা রাখার চেষ্টা করলেও আইন শৃংখলা বাহিনীর হস্তক্ষেপে কেউ কেউ ব্যবসা করলেও আবার কেউ কেউ ভ্রামমাণ আদালতের মুখোমুখি হয়েছেন। সেই পরিস্থিতি পর তারা আশা করে ছিলেন এ ঈদে বুঝি একটু ভালো ব্যবসা করতে পারবেন।

IMG_7502কিন্তু তেমনটি হয়নি। কর্মচারীদের ঈদের বেতনের টাকা ওঠেনি অনেক ব্যবসায়ির এমনটি জানিয়েছেন ব্যবসায়িরা। গত ঈদকে সামনে রেখে যে মালামাল দোকানে উঠানো হয়ে ছিলো, এবারের ঈদে সেই মালও বিক্রি করা সম্ভব হয়নি বলে অভিমত প্রকাশ করেছেন ব্যবসাযিরা। মুন্সীগঞ্জ শহরের প্রধান সড়কের বাজার এলাকায় জুঁই ফ্যাশনের মালিক জানান, এই ঈদে শুধুমাত্র ছোটদের পোষাক কিছুটা বেচাকিনা হচ্ছে।

তারপরে স্কুলে পড়ে এমন বয়সের লোকজনের জামা কাপড় বিক্রি হচ্ছে। মা ও বোনেরাই বেশির ভাগ মাকেটিং করছেন। এরা দল বেধে আসলেও কেনা কাটা করছেন একজনের জন্য। সেই কারণে মার্কেটে বেশি নারী ক্রেতাদের ভিড় দেখা গেলেও বেচা কিনা তেমনটা হচ্ছে বলে অনেক ব্যবসায়ি জানিয়েছেন।

IMG_7501দেশে বন্যার পানি বাড়ার সাথে গত দুই সপ্তাহ ধরে ঝিরঝির করে থেমে বৃষ্টি হচ্ছে। এ কারণে মার্কেটে ক্রেতার উপস্থিতি তুলনাভাবে অনেকটাই কম বলে তারা মনে করছেন। তবে ফুটের পোষাকের দোকান গুলোতে গত কয়েকদিন ধরে লোকজনের কিছুটা ভির লক্ষ্য করা গেছে। অল্প আয়ের মানুষেরা বেশির ভাগ সময় ফুটপাত থেকেই কম দামে জিনিসপত্র কেনা কাটা কওে থাকেন। তাদের তেমন অর্থের বাজেট না থাকার কারণে বড় বড় মার্কেট মুখি তারা খুব একটা হন না।

পোষাক আষাক কেনার পর অনেকেই কসমেটিক আইটেমের দিকে ছুটে যান ঈদকে ভালোভাবে উপভোগ করার জন্য। কিন্তু সেখানেও ব্যবসায় ভাটার গন্ধ পাওয়া যাচ্ছে। এবারের ঈদে এখানেও তেমনটা ব্যবসা হচ্ছে না বলে ব্যবসায়িরা অভিযোগ তুলে ধরেছেন। সব শেষে ঈদের আনন্দ আরো ভালো ভাবে ধরে রাখতে অনেকেই ছুটে যান জুতার দোকানে।

শেষ ধাপের অংশ হিসেবে এখানকার ব্যবসায় অনেকটাই নাজুক অবস্থা বিরাজ করছে বলে ব্যবসায়িরা জানিয়েছেন। শেষ চয়েজ হিসেবে জুতা কেনার বাজেটে ক্রেতাদের অর্থের ঘাটতি দেখা দেয়ায় তারা এ মুখি হন না। তবে তীর্থের কাকের মতো চেয়ে আছেন চাঁন রাতের দিকে। যদি সেই সময়ে কিছুটা ব্যবসা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here