সিরাজদিখানে ১০টি বসতবাড়ী নদী গর্ভে, আশঙ্কায় পঞ্চাশ বাড়ী

IMG_2237তুষার আহাম্মেদ:

সিরাজদিখানে ধলেশ্বরী নদীর পানি কমার সাথে সাথে নদীর তীব্র স্রোতের কারণে ভাঙনের তীব্রতা বেড়েছে। গত তিন দিনে নদী গর্ভে বিলীন হয়েছে উপজেলার চিত্রকোট ইউনিয়নের গোয়ালখালী ডাকপাড়া গ্রামের প্রায় ১০ টি বাড়ী। হুমকির মুখে আরো পঞ্চাশ বাড়ীসহ মসজিদ, সরকারী বিদ্যুৎ টাওয়ার এবং সরকারী ঘাটলা, সরকারী রাস্তা ।

এতে নদী ভাঙন কবলিত এলাকার মানুষ আতংকের মধ্যে দিন কাটাচ্ছে। প্রশাসনের পক্ষ থেকে এসব এলাকায় কোন ধরণের সাহায্য পাচ্ছেন না বলে ভাঙনকবলিত স্থানিয়রা অভিযোগ করেন। অনেক পরিবার তড়িঘড়ি করে তাদের ঘরবাড়ি অন্য অন্যত্র সরিয়ে নিয়েছে।

protiniyoto logoআজ শনিবার সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়,ধলেশ্বরী নদীর ভাঙনে দিশেহারা গোয়ালখালী ডাকপাড়া গ্রামের মানুষ। ঘরে পর্যাপ্ত খাবার নেই । প্রশাসনের কোন পদক্ষেপ না থাকায় এলাকার যুবক ছেলেরা চাঁদা তুৃলে কিছু বাঁশ দিয়ে এ মহা ধ্বংস রক্ষার ক্ষুদ্র প্রচেষ্টা চালাচ্ছে ।

ক্ষতিগ্রস্তরা বলেন, হঠাৎ নদীতে পানি কমে স্রোত বাড়ায় ভাঙনের মুখে পড়েছেন তারা। বসতভিটাসহ সবই নদীতে চলে গেছে। কিছুক্ষন পর পর বড় বড় পাড় ভেঙে পড়ছে। প্রায় ১০টি পরিবার নিঃস্ব হয়ে গেছে। ভাঙনের আতঙ্কে পুরো গ্রাম।

IMG_2248চিত্রকোট ইউনিয়নের চেয়ারম্যান শামসুল হুদা বাবুল বলেন, নদী ভাঙনে ক্ষতিগ্রস্তদের সংখ্যা প্রতিদিনই বাড়ছে। নদীতে পানি কমার সাথে সাথে তীব্র স্রোতের কারণে ব্যাপক ভাঙন দেখা দিয়েছে। এ পর্যন্ত প্রায় ১০ টির মত বাড়ী নদীতে ভেঙ্গে নিয়েছে । আমি উপজেলা নির্বাহী অফিসার মহোদয়কে বলেছি । তিনি দ্রুত ব্যবস্থা নিবেন বলে আমাকে আশ^স্ত করেছেন । খুব দ্রুত প্রদক্ষেপ না নিলে শতাধিক বাড়ী ঘরসহ সরকারী সম্পদ নদীর গর্ভে চলে যাওয়ার সম্ভাবনা আছে ।

সিরাজদিখান উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা আশফিকুন নাহার জানান, বিষয়টি আমি জেনে সাথে সাথেই পানি উন্নয়ন বোর্ডের সাথে যোগাযোগ করেছি । সেখান থেকে কর্মকর্তা এসে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের আশ^াস দিয়েছেন । আমরা শুধু তাদেও আশায়ই বসে নেই । আমরাও চেষ্টা করব এ অসহায় মানুষদের পাশে দাঁড়াতে ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here