পদ্মা ও মেঘনার পানি, নতুন করে প্লাবিত

Pic-Munshiganj-20.08-1তুষার আহাম্মেদ:
উজান থেকে নেমে আসা পানির চাপে মুন্সীগঞ্জে বন্যার পানি আবারো বাড়তে শুরু করেছে, গেলো কয়েক দিনে পদ্মা ও মেঘনার পানি বৃদ্ধি পেয়েছে কয়েক গুন। ফলে পুনরায় নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার আসঙ্কা দেখা দিয়েছে। এছাড়া কয়েকদিনের টানা বৃষ্টিতে জ্বলাবদ্ধতা দেখা দিয়েছে মুন্সীগঞ্জ শহরের বিভিন্ন এলাকায়।
এর আগে প্রথম দফা বন্যায় ব্যাপক ক্ষতিগ্রস্ত হয় কাচা পাকা রাস্তাঘাট,কৃষিজমি,বসতবাড়ী সহ নানা স্থাপনা। পানিবন্দি  হয়ে পরে জেলার ৩৯ টি ইউনিয়নের ২৬৫ গ্রামের প্রায় দেড় লক্ষাধিক মানুষ।
এছাড়াও তীব্র ভাঙ্গন দেখা দিয়েছে পদ্মা,ধলেশ্বরী ও মেঘনা নদীতীবর্তি গ্রাম গুলোতে। হুমকিতে রয়েছে এসব গ্রামের শতশত বসতবাড়ীর পাশাপাশি সরকারি বেসরকারি নানা স্থাপনা।
এদের মধ্যে ৬১৭টি পরিবার আশ্রয়ন কেন্দ্রে অবস্থান নেয় । আশ্রয় নেয় পরিবারে মধ্যে কিছু পরিবার তাদের বাড়ীতে ফিরে গেলেও নতুন করে বন্যা কবলিত হওয়ার সংঙ্কায় দিন কাটাচ্ছে তারা।
চলতি বন্যায় ইতোমধ্যে ভেসে গেছে জেলার ১৭শ ২টি পুকুরের মাছ। এতে মাছ চাষীদের ক্ষয়ক্ষতির পরিমান ৯কোটি টাকা। পাশাপাশি কাচা পাকা সড়ক সহ কৃষি জমির ক্ষতি হয়েছে ব্যাপক।
জেলা পানিউন্নয়ন বোর্ড সূত্রে জানা গেছে, মুন্সীগঞ্জের বন্যা পরিস্তিতি উন্নতির দিকে ঠিক সে সময় গত মঙ্গলবার বিকাল থেকে আবারো পানি বাড়তে শুরু করেছে। ফলে জেলার নিম্মাঞ্চল প্লাবিত হওয়ার সংঙ্কা দেখা দিয়েছে আবারো।
ভাঙ্গনের তীব্রতাও বেড়েছে কয়েক গুন। ভাঙ্গন রোধে জেলার বিভিন্ন স্থানে ফেলা হচ্ছে বালিভর্তি জিও ব্যাগ।
এ ব্যাপারে জেলা পানি উন্নয়ন বোর্ডের সহকারী প্রকৌশলী মোঃ রাকিবুল ইসলাম জানান, বন্যান পানি কমে যাওয়ার পরে হঠাৎ করে উজান থেকে পানির চাপ আবারো বেড়েছে। ফলে নিম্মাঞ্চল পুনরায় প্লাবিত হওয়ার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ভাঙ্গন রোধে জিও ব্যাগ ডাম্পিং অব্যাহত রয়েছে বলেও তিনি জানান।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here